Dhaka, Wednesday, 28 October 2020

পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত দ্বীপ চরমোন্তাজে বিদ্যুতায়ন শুরু | দ্বীপবাসীর আনন্দ প্রকাশ

2020-09-27 17:39:18
পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত দ্বীপ চরমোন্তাজে বিদ্যুতায়ন শুরু | দ্বীপবাসীর আনন্দ প্রকাশ

জাকির মাহমুদ সেলিম, পটুয়াখালী প্রতিনিধি, সুখবর ডটকম: পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়ন পটুয়াখালী জেলা শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। বহু বছর আগে থেকে এখানে মানুষের বসবাস কিন্তু এখানের মানুষেরা ছিল বিদ্যুৎ বঞ্চিত। তাদের মোমবাতি, চেরাগ, হেরিকেন দিয়ে আলো জ্বালিয়ে জীবনযাপন করতে হতো। যার জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল খুব সংকটাপন্ন। তারপর শুরু হলো সৌর বিদ্যুতের প্রচলন। সৌর বিদ্যুৎ থাকলেও অতিরিক্ত টাকা দিয়ে ক্রয় করা লাগতো যার জন্য সকলে সৌর বিদ্যুতের সুবিধা পায়নি।

এই অঞ্চলের মানুষ বেশির ভাগ হতদরিদ্র তাই তারা আগেকার যুগের মানুষের মতো মানবেতর জীবনযাপন করছে। যখনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ঘরে ঘরে বিনামূল্যে সৌরবিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হয়েছে, সেই সুবিধা পেয়েছে উপজেলার বিভিন্ন সুবিধাবঞ্চিত মানুষ। এবার সারা বাংলাদেশকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনতে তাঁরই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এই দুর্গম অঞ্চলে পৌঁছে গেছে বিদ্যুৎ এর খুটি। শুরু হয়েছে স্থাপনার কাজও। বিদ্যুৎ এর খুটি স্থাপনের কাজ শুরু হওয়া দেখে ইউনিয়নবাসী খুব আনন্দিত।

ইউনিয়নে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর ব্যাপারে চরমোন্তাজের তরুণ সমাজ বেশি আনন্দ উল্লাস করছে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করেছে।

ইউনিয়নের একজন তরুণ বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে দুর্গম এলাকা রাঙ্গাবালী। আজ আমাদের ইউনিয়নে বিদ্যুৎ এর খুটি স্থাপন শুরু হয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে একমাত্র দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্য। তিনি সবসময় দেশের অসহায় মানুষের কথা ভাবেন। যার জন্য আজ আমরা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে দ্বীপ চরে বসবাস করেও বিদ্যুৎ এর সুবিধা পাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, এই বিদ্যুৎ সুবিধার কারণে ইউনিয়নে শিক্ষার হার বাড়বে, উন্নত চিকিৎসা সেবা পাবে ইউনিয়নবাসী। এবং কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থাসহ ব্যবসায় সুযোগ সুবিধা বাড়বে। সব মিলিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের ছোঁয়া পেয়েছি আমরা। এজন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

বিদ্যুৎ এর বিষয়ে এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আজ আমরা বিদ্যুৎ পেয়েছি। এজন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে প্রাণ খুলে দোয়া করছি। তিনি না হলে কখনওই সম্ভব হতো না এই দ্বীপ চরে বিদ্যুৎ পৌঁছানো। পটুয়াখালী-৪ আসনের এমপি মুহিব্বুর রহমানকেও তিনি ধন্যবাদ জানান।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হানিফ মিয়া বলেন, প্রথম খুটি স্থাপন দিয়ে স্থাপনার কাজ শুরু হয়েছে। আশা করি খুব দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা হবে। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞ। তার কারণে আমার ইউনিয়নবাসী বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে।





সারাবাংলা ও জনপদ সর্বশেষ খবর

সারাবাংলা ও জনপদ এর সকল খবর