শনিবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত মানচিত্রে পুরো কাশ্মীর ভারতের অংশ! *** এপস্টেইনের কাছে ‘লম্বা, স্বর্ণকেশী সুইডিশ তরুণী’ চেয়েছিলেন আম্বানি *** মোসাদের চর ছিলেন জেফরি এপস্টেইন, জানা গেল এফবিআই নথিতে *** ১২ তারিখ পর্যন্ত চাঁদাবাজি না করতে অনুরোধ বিএনপি প্রার্থীর *** নির্বাচনে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা: রাষ্ট্রের দায় ও গণতন্ত্রের বাস্তব পরীক্ষা *** ১২ই ফেব্রুয়ারি জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের লড়াই নয়, দেশ পুনর্গঠনের: তারেক রহমান *** রাজধানীতে ১৪টি জনসভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান *** আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে না: সিপিডি *** আওয়ামী লীগ কীভাবে নির্বাচন থেকে ছিটকে পড়ার মতো দুর্বল হলো, যা বলছেন মাহফুজ আনাম *** শেখ হাসিনাকে ভারতের আশ্রয়: কূটনৈতিক সম্পর্কের অবস্থান স্পষ্ট করলেন তারেক রহমান

যে মহীয়সী নারীর জন্য আল্লাহ নিজেই সালাম পাঠিয়েছেন

ধর্ম ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, ২৩শে জুন ২০২৩

#

প্রতীকী ছবি

মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সবসময় তাঁর বান্দাদের প্রতি সদয়। বিশেষ আমলদার বান্দাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর বিশেষ উপহার। তেমনই একজন নেককার বান্দা আছেন, যিনি একজন শ্রেষ্ঠ নারী, যাকে মহান আল্লাহ তা'য়ালা জিব্রাইল (আ.) এর মাধ্যমে সালাম পাঠিয়েছিলেন।

এখন আসুন জেনে নিই কে সেই মহীয়সী নারী- যাকে স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা সালাম পাঠিয়েছিলেন? তিনি হলেন বিশ্বনবী (সা.)'র  পেছনে সর্বপ্রথম যে দুই জন জামায়াতে নামাজ আদায় করেছিলেন তাদের একজন। তিনি হলেন উম্মুল মু'মিনিন হযরত খাদিজা (আ.)।

খাদিজা (আ.) মহান আল্লাহর এতটা নৈকট্য লাভ করেছিলেন যে যখন হযরত জিবরাইল (আ.) ওহী নিয়ে বিশ্বনবী (সা.)'র কাছে হাজির হতেন তখন তিনি প্রথমে মহান আল্লাহর সালাম পৌঁছে দিতেন বিবি খাদিজা (আ.)র কাছে।

মহানবী (সা.)'র সঙ্গে বিবাহিত জীবনের ২৫ বছর কাটিয়েছেন মহীয়সী নারী হযরত খাদিজা (আ.)। তিনি যতদিন জীবিত ছিলেন ততদিন বিশ্বনবী (সা.) অন্য কোনো স্ত্রী গ্রহণ করেননি।

রাসূল (সা.)-কে বিয়ের আগেও হযরত খাদিজা (আ.) ছিলেন একত্ববাদী ও হযরত ইব্রাহিম (আ.)'র ধর্মের অনুসারী এবং আরব জাতির মধ্যে সবচেয়ে ধনী মহিলা। হাজার হাজার উট তাঁর মালিকানাধীন বাণিজ্য-সম্ভার দেশ থেকে দেশে বহন করতো বলে ইতিহাসে বর্ণিত হয়েছে।

আরো পড়ুন: হজের সময় নারীদের পিরিয়ড শুরু হলে করণীয়

বিশ্বনবী (সা.)'র সঙ্গে বিয়ের সময় তার বয়স ছিল ৪০ বছর (এ সময় তাঁর বয়স আরো কম ছিল বলে কেউ কেউ মনে করেন, তবে অধিকাংশ বিশেষজ্ঞই তাঁর ৪০ বছর বয়স্ক হওয়ার মতটি সমর্থন করেন)। বিশ্বনবী (সা.)'র সঙ্গে বিয়ের ১৫ বছর পর যখন মহান আল্লাহ আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর স্বামীকে নবুওত দান করেন তখন থেকেই উম্মুল মু'মিনিন হযরত খাদিজা (আ.) নিজের সব সম্পদ বিশ্বজনীন ধর্ম ইসলামের প্রচার-প্রসার ও নও-মুসলিমদের ভরণ-পোষণের কাজে ব্যয় করতে থাকেন এবং ইসলামের পেছনেই ব্যয় হয়ে যায় তাঁর সমস্ত সম্পদ। ফলে তাঁর ইন্তিকালের পর ইয়াতিম কন্যা ফাতিমা (আ.) একটি মুদ্রা পরিমাণ সম্পদও উত্তরাধিকারসূত্রে (মায়ের কাছ থেকে) লাভ করেননি। (সহিহ বুখারী)।

এম এইচ ডি/ আইকেজে 

আল্লাহ বিশ্বনবী (সা.) উম্মুল মু'মিনিন হযরত খাদিজা (আ.) ফাতিমা (আ.) নবুওত ইসলাম সহিহ বুখারী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250