মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৮শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** মানবতাবিরোধী অপরাধ: জিয়াউল আহসানের হাজিরা ভার্চুয়ালি *** বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আরও কমাল আইএমএফ, মূলে জ্বালানি ও ব্যাংক খাতে সংকট *** ২২ ঘণ্টা ধরে কার্যালয়ে অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য *** বিমানবন্দরে বারবার প্রাণঘাতী হামলা, সৌদির আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা কেন বাজেনি *** দুর্গাপূজায় নৌপথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধসহ ১৬ নির্দেশনা *** সোনার দাম চার দিন পর কমল কত *** এসআইআর স্থগিতসহ ১০ দফা দাবি রাহুল গান্ধীর *** নিজেকে সর্বকালের সেরা ও পরিপূর্ণ ফুটবলার দাবি রোনালদোর *** অপমানিত ড. ইউনূস, বার্লিন সফর বাতিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের ওয়েবসাইট থেকে নাম বাদ *** সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগে মামলা দিল পুলিশ

রেমিট্যান্স আয় ১১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০২:২২ পূর্বাহ্ন, ২রা অক্টোবর ২০২৬

#

সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স আয় ১১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন ২ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ আয় ৩ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের অক্টোবরে এ আয় ছিল ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আয়েও ধীরগতি অব্যাহত রয়েছে। টানা চতুর্থ মাসে এ আয় ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে রয়েছে।

সেপ্টেম্বরের আয় আগস্টের ২ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় প্রায় ৭ শতাংশ কম। আগস্টে রেমিট্যান্স আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ শতাংশ বেড়েছিল। আগস্টের আয়ও জুলাইয়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি ছিল। সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আয়ের প্রবৃদ্ধি আগের মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) দেশে মোট ৮ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা এক বছর আগের ৭ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন কোটি ডলারের তুলনায় ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

প্রান্তিকের হিসাব অনুযায়ী, রেমিট্যান্সের সামগ্রিক প্রবণতা দুর্বল নয়, তবে মাসভিত্তিক গতি কমেছে। শিল্পসংশ্লিষ্টরা মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স আয় ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে থাকার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে দায়ী করছেন।

মে মাস থেকে রেমিট্যান্স আয় প্রত্যাশিত মাত্রার নিচে রয়েছে। বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত। ফলে সেখানে অস্থিরতা আয়, কর্মসংস্থান ও অর্থ পাঠানোর মাধ্যমে প্রভাব ফেলতে পারে।

রেমিট্যান্সের এই ধীরগতি উদ্বেগের বিষয়, কারণ এটি বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস।

ব্যাংকাররা বলেছেন, রপ্তানি আয় কমে যাওয়া ও আমদানি ব্যয় বেশি থাকার সময়ে আমদানি বিল ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধসহ বৈদেশিক লেনদেনে রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিতে পারে।

ব্যাংকার ও এক্সচেঞ্জ হাউস কর্মকর্তারা বলছেন, রেমিট্যান্স আয়ের পুনরুদ্ধারের গতি মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা এবং অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলের পরিবর্তে কতটা অর্থ আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে আসে, তার ওপর নির্ভর করবে।

রেমিট্যান্স

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250