ছবি: সংগৃহীত
সন্তানদের জীবনে একটা সময়ের পর থেকে হস্তক্ষেপ করা বন্ধ করে দিতে হয়। সেই সময়টার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া বেশ কঠিন বলেই মনে করেন পতৌদি পরিবারের নবাব ও বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান। তবে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে নিজেকেই লড়াইয়ে শামিল হতে হয়। সারা ও ইব্রাহিম জীবনে অনেক লড়াই করেছেন। বাস্তবেও তাই বিশ্বাস করেন অভিনেতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই বলেছেন সাইফ আলি খান।
সাইফ আলি খান বলেন, সন্তানদের কষ্ট করতে দেখাই বাবা-মায়ের কাছে সবচেয়ে কঠিন বিষয়। তখন হয়তো মন বলতে চায়— আমি সব ঠিক করে দেব। কিন্তু সেটি মোটেই ঠিক নয়। তিনি বলেন, শুধুই সিনেমার পর্দায় দেখতে চাই— এটি আজকাল বলা যায় না। তবে এটাও তো ঠিক, আজকাল বাইরে বেরোলেই অভিনেতাদের ক্যামেরাবন্দি করা হয়। সেই জায়গা থেকে নিজের ছেলেমেয়েদের কিছুটা গোপনীয়তা বজায় রাখার পরামর্শ দেন সাইফ আলি খান।
অভিনেত্রী অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে সাইফ আলি খান দম্পতির দুই সন্তান— অভিনেত্রী সারা আলি খান ও অভিনেতা ইব্রাহিম আলি খান। অমৃতা সিংয়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর এখন তিনি অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খানের সঙ্গে দাম্পত্যে রয়েছেন। তাদেরও রয়েছে দুই সন্তান— তৈমুর ও জেহ।
প্রথম দুই সন্তান প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, আমার মনে হতো— আমি সব ঠিক করে দিতে পারব। কিন্তু সন্তানদেরও নিজেদের লড়াই করে নিজের যাত্রাপথ বুঝে নেওয়া উচিত।
নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার পড়াশোনা শুরু করেছেন সারা আলি খান। অভিনেতা মনে করেন, অভিনয়জগতের বাইরেও নিজের একটা জীবন থাকা দরকার। বিনোদনজগতে চলতে থাকা নিরন্তর প্রতিযোগিতা থেকে কখনো নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখা প্রয়োজন।
ছেলে ইব্রাহিমকেও একটি বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন অভিনেতা। খুব বেশি মানুষের চোখের সামনে ধরা দেওয়া ঠিক নয়। তাতে মানুষের আগ্রহ কমে যায়। নিজেকে কিছুটা রহস্যে মুড়ে রাখা উচিত।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন