সোমবার, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন এনসিপির নেতারা *** মুক্তিযুদ্ধের মূলনীতিকে ধারণ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে: হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ *** কেউ যদি নির্বাচনের বিকল্প নিয়ে ভাবে, সেটা হবে জাতির জন্য গভীর বিপজ্জনক: প্রধান উপদেষ্টা *** জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে আলোচনা হয়নি: বিএনপি *** ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ *** ট্রাম্পের শুল্কের যে প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের ১৫ হাজার গার্মেন্টসে *** বিস্ফোরণ-গুলি-ড্রোনের শব্দকে শ্রুতিমধুর সংগীতে রূপান্তর করছেন গাজার শিল্পী *** অশান্ত বিশ্বে সি–মোদির বন্ধুত্বের বার্তা *** রোনালদোকে যে লড়াইয়ে চাপে রেখেছেন মেসি *** আগামী নির্বাচন যেন অবশ্যই গণপরিষদ নির্বাচন হয়: এনসিপি

ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী অভিযান ঠেকাতে শিকাগো মেয়রের কঠোর নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, ৩১শে আগস্ট ২০২৫

#

ফাইল ছবি (সংগৃহীত)

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন শিকাগোর মেয়র ব্র্যান্ডন জনসন। এ নিয়ে এক নির্দেশনায় তিনি সই করেছেন। খবর বিবিসির।

শিকাগোর ডেমোক্র্যাট মেয়র জনসন বলেছেন, ‘আমাদের শহরে অসাংবিধানিক ও বেআইনি সামরিক দখলদারির কোনো প্রয়োজন নেই, আমরা তা চাইও না।’ শহরের বিভিন্ন দপ্তরকে সম্ভাব্য অভিবাসনবিরোধী অভিযানের প্রতিক্রিয়া কীভাবে দেখাতে হবে, সেই নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

ট্রাম্প ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রায় দুই হাজার সেনা মোতায়েন করেছেন। হুমকি দিয়েছেন, শিকাগোতেও সেনা মোতায়েন করা হবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, গৃহহীন ও অনিবন্ধিত অভিবাসীদের দমনে ট্রাম্প এ উদ্যোগ নিচ্ছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শিকাগোকে ‘অরাজক শহর’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। জানা গেছে, তার প্রশাসন শিকাগোতে বিপুলসংখ্যক ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তা পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র জনসনের নির্দেশনাকে ‘প্রচারের কৌশল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

সহিংস অপরাধ ও অভিবাসন ইস্যুতে হোয়াইট হাউস এবং ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্বের সর্বশেষ ঘটনা এটি।

শিকাগো মেয়রের নির্দেশনায় ফেডারেল বাহিনী মোতায়েন ঠেকানোর পাশাপাশি কিছু বিদ্যমান নগরনীতিও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসবের মধ্যে আছে পুলিশ সদস্যদের বডিক্যাম ও পরিচয়পত্র বহন বাধ্যতামূলক, মাস্ক পরা নিষিদ্ধ করা।

অন্যদিকে অভিবাসীরা যেন ফেডারেল অভিযানের সময় নিজেদের অধিকার বুঝতে পারেন, সে জন্য শহর কর্তৃপক্ষ সচেতনতামূলক প্রচার বাড়াবে বলে জানিয়েছেন মেয়র জনসন। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, স্থানীয় পুলিশ ফেডারেল বাহিনীর সঙ্গে যৌথ টহল দেবে না।

শিকাগোর স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, শহরের প্রতি পাঁচ বাসিন্দার একজন অভিবাসী। তাদের অর্ধেকের বেশি লাতিন আমেরিকার দেশ থেকে আসা। তবে এর মধ্যে কতজন বৈধ কাগজপত্র ছাড়া আছেন, তা স্পষ্ট নয়।

ট্রাম্প শিকাগোকে আমেরিকার তৃতীয় বৃহত্তম শহর হয়েও ‘একটি হত্যার ক্ষেত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার দাবি, শহরের অপরাধ পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

ব্র্যান্ডন জনসন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন