বৃহস্পতিবার, ১৯শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আজও মধ্যপ্রাচ্যের ২৬ ফ্লাইট বাতিল *** চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার *** স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরেই: মির্জা ফখরুল *** গুম, খুনের শিকার পরিবারে ‘ঈদ উপহার’ পাঠাচ্ছেন তারেক রহমান *** সহশিল্পীদের চোখে অভিনেতা শামস সুমন *** স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক ইভেন্টে ‘ইন্টারেস্টেড’ ক্লিকে বরখাস্ত হলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা *** হরমুজ প্রণালি বন্ধ, চা–সমুচা–দোসার রসনাবঞ্চিত ভারতীয়রা *** ক্ষমা চেয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, দিয়েছেন ‘অপ্রয়োজনীয়’ কথা আর না বলার প্রতিশ্রুতি *** ঈদের দিন যমুনায় কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী *** আইজিপির বাগেরহাটের বাসভবনে চুরির খবরটি ভিত্তিহীন: জেলা পুলিশ

যেখানে শসার কেজি ১ টাকা

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০২:৪৬ অপরাহ্ন, ১৭ই এপ্রিল ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

রমজান আসতে না আসতেই বাজারে শসার চাহিদা স্বাভাবিক দরের চেয়ে বেড়ে যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম ছিল না। তবে রমজান শেষ হওয়ার কয়েকদিন পর থেকেই হুট করে বাজারে শসার দাম কমে গেছে। এদিকে শসা উৎপাদন করে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার শসা চাষিরা। 

কয়েক দিন আগে ভালো দাম পেলেও বর্তমানে শসার দাম কমে যাওয়ায় খানসামা উপেজেলার পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ১ থেকে দেড় টাকায়।

শসা চাষিদের অভিযোগ, ১০ থেকে ১৫ দিন আগে বাজারে শসার দাম ভালো থাকলেও গত সপ্তাহ থেকে দাম কমতে শুরু করে। রমজানের শুরুতে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি শসা ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি করলেও কয়েক দিন ধরে প্রতি কেজি শসা এক থেকে দেড় টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা কেজি দরে। এতে লোকসান গুণছেন শসা চাষিরা।

খানসামার ভাবকি ইউনিয়নের চাকিনীয়া গ্রামের কৃষক সাকিব বলেন, কষ্টে উৎপাদিত ৫০ কেজি এক বস্তা শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করতে কষ্টে আমাদের বুক ফেটে যাচ্ছে। শসার ফলন ভালো হলেও বর্তমান বাজারে দাম না থাকায় খরচের টাকাও তুলতে পারছি না। শসা ছিঁড়তে যে খরচ, সে টাকাই তো উঠছে না। শসা চাষ করে লাভ তো দূরের কথা খরচও উঠল না।

কৃষক এনামুল হক বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে সবজির দাম চড়া থাকায় বড় আশা করে শসা চাষ করেছিলাম। এখন এক টাকা কেজি দরে শসা বিক্রি করতে হচ্ছে। এক বিঘা জমিতে শসা চাষ করতে খরচ হয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। আশা ছিল শসার ফলন ভালো হয়েছে, ভালো দাম পাব। কিন্তু রমজান শেষে পাইকাররা শসা কিনতে চাচ্ছে না। এরই মধ্যে আমার ৩০ হাজার টাকা লস হয়েছে।

আরও পড়ুন: ৮ হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

পাইকারি ব্যবসায়ী আরিফুল হক বলেন, বাজারে শসার ব্যাপক সরবরাহ রয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদা না থাকায় শসার দাম নেই বললেই চলে। আজ ১ টাকা কেজি দরে শসা কিনেছি।

খানসামা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন, এ বছর খানসামা উপজেলায় ৫০ হেক্টর জমিতে শসা চাষ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ জমির ফসল তোলা হয়েছে। চাহিদার বিপরীতে বাজারে শসার সরবরাহ কয়েক গুণ বেশি হওয়ায় বাজারের শসার দাম কমে গেছে। কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পাইকাররা জমি থেকে মাত্র ১ টাকা থেকে ২ টাকা কেজি দরে শসা কিনে খুচরা বাজারে তা ১০ টাকায় বিক্রি করছেন।

এসকে/ 

কৃষক শসা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250