বুধবার, ২৮শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ পুরুষদের সমকামী করে তুলতে পারে’ *** মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে বিসিএস ক্যাডার, সিনিয়র সহকারী সচিব কারাগারে *** নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না যুক্তরাষ্ট্র, খোঁজ-খবর রাখবে *** ‘প্রধান উপদেষ্টা ব্যস্ত, তাই ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠিয়েছেন’ *** ‘একজন সাংবাদিক জেলখানায় আছে, অথচ কেউ কিছু লেখেননি’ *** রোনালদো কি ৩৬৩ কোটি টাকার বিলাসবহুল ‘রিটায়ার্ড হোম’ বিক্রি করে দিচ্ছেন *** নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড মোতায়েন *** সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে এবার দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো *** জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে, সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র: রাষ্ট্রদূত *** পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৩৩ হাজার প্রবাসী, দেশে পৌঁছেছে ২৯৭২৮

বাজেটে কয়েকটি খাতে বাড়তে পারে করপোরেট কর

বিশেষ প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১২:৪০ অপরাহ্ন, ৩১শে মে ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

আগামী অর্থবছরের বাজেটে করপোরেট করহার কমছে না। বরং কিছু ক্ষেত্রে করহার বাড়ানো হতে পারে। যেসব খাত দাঁড়িয়ে গেছে, সেসব খাতকে আগের চেয়ে বেশি কর দিতে হবে। কিংবা এত দিন ধরে করছাড় পেয়েও যারা ভালো করছে না, তেমন খাতের সুবিধা উঠিয়ে দেওয়া হতে পারে। এনবিআরের দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, রপ্তানি খাতের করপোরেট করের সুবিধা কমতে পারে। বর্তমানে পোশাক খাতসহ সব রপ্তানি খাতের করপোরেট করহার ১২ শতাংশ। পরিবেশবান্ধব কারখানা হলে এই হার ১০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের আগে শুধু পোশাক খাত এই সুবিধা পেত। চলতি অর্থবছর থেকে সব রপ্তানি খাত এই সুবিধা পাচ্ছে। তবে এখন করহার বাড়ানোর চিন্তাভাবনা চলছে।

এনবিআরের সূত্রগুলো বলছে, করপোরেট করহার ১৫ শতাংশে উন্নীত করা হতে পারে। দুই বছর আগেও এই করের হার ২০ শতাংশ ছিল।

কর্মকর্তারা বলছেন, এখন পোশাক খাতসহ রপ্তানি খাতের উৎসে কর কাটা হয় রপ্তানিমূল্যের ওপর। উৎসে করহার ১ শতাংশ। বছর শেষে উৎসে কর সমন্বয় করতে হলে রপ্তানিকারকদের অন্তত ১০ শতাংশের মতো মুনাফা করতে হয়। করপোরেট কর বাড়ানো হলে করহার সমন্বয় করার কাজটি সহজ হবে। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৩০ জুন যেসব কর ছাড়ের মেয়াদ শেষ হবে, এর মেয়াদ আর নাও বাড়ানো হতে পারে।

এ বিষয়ে এনবিআরের আয়কর বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, করছাড় যৌক্তিক করার জন্য এনবিআর যাচাই-বাছাই করছে। যেসব খাতের সামর্থ্য বেড়েছে, সেসব খাতের কিছু ক্ষেত্রে করছাড় ধীরে ধীরে তুলে নেওয়া হবে। আগামী বাজেট থেকেই এর প্রতিফলন দেখা যাবে। পোশাক, চামড়াসহ বেশ কিছু রপ্তানি খাতের অবস্থান বেশ শক্ত। আবার যেসব প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে কর সুবিধা নিয়েও এগিয়ে যেতে পারছে না, সেসব খাতের সুবিধাও থাকবে না।

আরো পড়ুন: ঋণ সুবিধার শর্ত শিথিলের প্রভাব পড়বে কি শেয়ারবাজারে?

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে। তবে এ ক্ষেত্রে এনবিআরকে বেশ কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। যেমন আগামী অর্থবছরে স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধির অতিরিক্ত শুল্ক-কর আদায় করতে হবে। এর পরিমাণ হবে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) দশমিক ৫০ শতাংশ। এ ছাড়া শুল্ক-কর ছাড় যৌক্তিক করার উদ্যোগ নিতে হবে।

বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম কর অব্যাহতি সুবিধা চালু করা হয়। প্রায় পাঁচ দশকে দুই শর বেশি প্রজ্ঞাপন দিয়ে করছাড় দেওয়া হয়েছে।

এম এইচ ডি/ আই. কে. জে/

অর্থনীতি কর বাণিজ্য আইএমএফ এনবিআর বাজেট আয়কর

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250