ছবি: সংগৃহীত
বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারত রিয়াল মাদ্রিদ। অথচ ব্যবধানটা শেষে দাঁড়িয়েছে ২-১ গোলের। দেখলে মনে হবে জয়ের জন্য ঘাম ঝরাতে হয়েছে রিয়ালের। একটু তো অবশ্য ঝরাতেই হয়েছে। মায়োর্কার বিপক্ষে জয়টি যে এসেছে ঘুরে দাঁড়িয়ে।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মায়োর্কা এগিয়ে যায় ১৮ মিনিটে। কর্নারে থেকে আসা বলে হেডের চেষ্টা করেন ভেদাত মুরিকি। কিন্তু বল তার পিঠে লেগে তারপর ঢুকে জালে। এর আগে অবশ্য রিয়ালকে গোল এনে দিয়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। অফসাইডে থাকায় ভিএআরে বাতিল হয় সেই গোল।
পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়াতে অবশ্য সময় নেয়নি স্বাগতিকেরা। ১ মিনিটের ব্যবধানেই পেয়ে যায় দুই গোল। ৩৭ মিনিটে আলভারো কারেরাসের ক্রসে ডিন হাউসেনের হেড বাগে পান আর্দা গুলের। তিনিও হেডে রিয়ালকে এনে দেন প্রথম গোল।
পরের মিনিটে ফেদে ভালভের্দের পাস ধরে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের শটে জালে জড়ান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান তারকার পারফরম্যান্সে খুশিই হয়েছেন রিয়াল কোচ জাবি আলোনসো। তিনি বলেন, ‘ওসাসুনা ম্যাচের চেয়ে ভালো খেলেছে সে। গোলটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তার খেলা নিয়ে আমি খুশি এবং সে গোল করেছে এটাই গুরুত্বপূর্ণ।’
ভিএআর নিয়ে অবশ্য খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারেননি আলোনসো। এমবাপ্পের আরেকটি গোল অফসাইডে বাতিল হওয়ার পর ৫৫ মিনিটে গুলেরের গোল বাতিল হয় হ্যান্ডবলের কারণে। যদিও সেই হ্যান্ডবল ইচ্ছাকৃত ছিল কি না তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।
বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে গুলেরের শরীর বরাবর শট নেন মায়োর্কার এক ডিফেন্ডার। গুলেরের হাতে লাগা সেই বল ঠেকিয়ে দেন মায়োর্কো গোলরক্ষ। ফিরতি বলে দারুণ শটে জালে জড়ান গুলের। কিন্তু বাধ সাধেন রেফারি।
আলোনসো বলেন, ‘চতুর্থ রেফারি বলেছেন, হ্যান্ডবল হলে তা অবশ্যই তাৎক্ষণিক হতে হবে (গোল বাতিলের জন্য] এবং এরপর বিষয়টি নির্ভর করে রেফারির ব্যাখ্যার ওপর। তৃতীয় গোল পাওয়াটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতো। এটাই রেফারির ব্যাখ্যা, আর সেটা তার দায়িত্ব। ভিএআরের ব্যবহার ও অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।’
৩ ম্যাচে ৩ জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগায় শীর্ষে আছে রিয়াল। তাদের নগর প্রতিদ্বন্দ্বী আতলেতিকো মাদ্রিদ মৌসুমে জয়ের দেখা পায়নি এখনো। গতকাল আলাভেসের বিপক্ষে ড্র করে গোলশূন্য ব্যবধানে।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন