সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** জামায়াতকে ভোট দিলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে: মির্জা ফখরুল *** সরকার গঠন করলে ফজর নামাজ পড়েই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করব: জামায়াত আমির *** রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপির মূলমন্ত্র হবে মহানবীর মহান আদর্শ-ন্যায়পরায়ণতা: তারেক রহমান *** দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, জান্নাত অবধারিত: জামায়াত প্রার্থী *** ‘আমি গায়ের জোরেই দল করি, এটা তারেক রহমানও জানেন’ *** এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ককে ‘গুরুতর ভুল’ বলে ক্ষমা চাইলেন নোয়াম চমস্কির স্ত্রী *** ভুল করে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে চলে গেল ৪৪ বিলিয়ন ডলারের বিটকয়েন *** ‘সম্ভবত শেষ সংবাদ সম্মেলনে’ যা বললেন প্রেস সচিব *** আইআইএলডির জরিপে নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস *** ইএএসডির জরিপে বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোট পেতে পারে ৪৬টি আসন

জাতিসংঘের প্রতিবেদন মানুষ পড়ে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৫২ অপরাহ্ন, ৩রা আগস্ট ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

প্রচুর বৈঠক, অধিবেশন ও গবেষণা করে জাতিসংঘ। এই রাষ্ট্র সংঘের অধীন প্রায় আড়াইশ সংস্থা প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করে। সারা বিশ্বে বিপুলসংখ্যক মানুষ এসব প্রতিবেদন তৈরির সঙ্গে যুক্ত থাকেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এসব প্রতিবেদনকে কেউ গুরুত্ব দেয় না বললেই চলে! প্রতিবেদনগুলো পড়ে খুব নগণ্য সংখ্যক মানুষ। খবর রয়টার্সের।

জাতিসংঘের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং খরচ কমানোর উপায় অনুসন্ধান সম্পর্কিত একটি প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, সংস্থাটির প্রকাশিত বেশিরভাগ প্রতিবেদনই সেভাবে পঠিত হয় না। এই অংশীজন ও সাধারণ মানুষের এই অনাগ্রহ সংস্থার অভ্যন্তরীণ দক্ষতা এবং সম্পদের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গত শুক্রবার (১লা আগস্ট) সদস্য দেশগুলোকে ওই প্রতিবেদন সম্পর্কে অবহিত করেন। তার ‘ইউএন ৮০’ সংস্কার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। জাতিসংঘের কর্মীরা কীভাবে সাধারণ পরিষদ বা নিরাপত্তা পরিষদের মতো সংস্থাগুলোর দেওয়া হাজার হাজার ম্যান্ডেট বাস্তবায়ন করে, তার ওপর আলোকপাত করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

মহাসচিব গুতেরেস গত বছর বলেছিলেন, জাতিসংঘ ব্যবস্থা ২৪০টি সংস্থার ২৭ হাজার সভায় সমর্থন ও সহযোগিতা করেছে এবং জাতিসংঘ সচিবালয় বছরে ১ হাজার ১০০টি প্রতিবেদন তৈরি করে। সে হিসাবে এই সংখ্যা ১৯৯০ সালের পর ২০ শতাংশ বেড়েছে। এই বিপুলসংখ্যক সভা ও প্রতিবেদন প্রসঙ্গে গুতেরেস বলেন, ‘সভা ও প্রতিবেদনের এই বিপুল সংখ্যা আমাদের ব্যবস্থাকে এবং আমাদের সবাইকে–সহনসীমার প্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে।’

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘এই প্রতিবেদনগুলোর বেশিরভাগই সেভাবে পড়া হয় না।’ গুতেরেস বলেন, ‘৫ শতাংশ প্রতিবেদন ৫ হাজার ৫০০ বারের বেশি ডাউনলোড হয়েছে। এটিই সর্বোচ্চ। আবার প্রতি পাঁচটি প্রতিবেদনের মধ্যে একটি ১ হাজার বারের কম ডাউনলোড হয়েছে। আর ডাউনলোড মানেই যে পড়া হয়, এমনটা কিন্তু নয়।’

আন্তোনিও গুতেরেস

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250