বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার: এখনই মন্তব্য করতে চান না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ফের মার্কিন হামলা হলেও কয়েক মাস টিকে থাকার খাদ্য–জ্বালানি মজুত আছে ইরানের *** আজ ঢাকায় গাইবেন পাকিস্তানের মুর্তজা কিজিলবাশ *** দিল্লিতে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানাল ভারত *** শুধু ব্যবস্থা নেওয়া নয়, অপরাধের ঝুঁকি কমানো আমাদের লক্ষ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** আদালতে আসামিদের ডিজিটাল হাজিরা চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার: আইনমন্ত্রী *** বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের পরিচয় শনাক্ত হয় সঙ্গে থাকা মুঠোফোনের মাধ্যমে *** হানিফের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড *** ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো *** ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর ১০ নম্বরে সড়ক অবরোধ

ফারাক্কার গেট খোলা নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, ২৭শে আগস্ট ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

ফারাক্কা ব্যারাজের গেট খোলা নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেছেন, এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা, যা বর্ষা মৌসুমে করা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা চলার মধ্যে ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজের গেট খোলার খবর সোমবার বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়। এ পরিস্থিতিতে সোমবার রাতে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।

রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘আমরা ফারাক্কা ব্যারাজের গেট খোলা নিয়ে প্রচারমাধ্যমের রিপোর্ট দেখেছি, যা গঙ্গা/পদ্মা নদীতে তার প্রাকৃতিক প্রবাহপথে নদীর ডাউনস্ট্রিমে (ভাটিতে) ১১ লাখ কিউসেক জল যেতে দেবে বলে জানানো হয়েছে। এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা, যা বর্ষার সময়ে ঘটে থাকে।’

উজানে গঙ্গা নদীর অববাহিকায় ভারী বৃষ্টির ফলে নদীর প্রবাহ বাড়ে উল্লেখ করে জয়সোয়াল বলেন, ‘এটা বুঝতে হবে যে ফারাক্কা কেবল একটি ব্যারাজ, বাঁধ নয়। যখনই জলের স্তর উঠে আসে, তখনই এটা ঘটে। এটি শুধু একটি কাঠামো, যেটা ফারাক্কা খালে ৪০ হাজার কিউসেক জল প্রবাহিত করার জন্য নির্মিত। এই যে ব্যবস্থা, সেটা চালানো হচ্ছে গঙ্গা/পদ্মা নদীর ওপর গেট ব্যবহার করে।’

বাড়তি পানি প্রধান নদীর প্রবাহ বজায় রাখে এবং বাংলাদেশের দিকে প্রবাহিত হয় বলে জানান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। তিনি আরও বলেন, প্রটোকল অনুযায়ী পানিপ্রবাহের তথ্য নিয়মিত ও সময়মতো বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট যৌথ নদী কমিশনের কর্মকর্তাদের জানানো হয়। এবারও সেটা করা হয়েছে।

রণধীর জয়সোয়াল বলেন, দুই দেশের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিষয়টি নিয়ে ভিডিও ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এক ধরনের ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টির চেষ্টাও চলছে। এ ধরনের প্রচেষ্টাকে তথ্য দিয়ে দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করা হবে।

আই.কে.জে/

ফারাক্কা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250