শনিবার, ৭ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আজ উত্তরবঙ্গের ৩ জেলায় যাচ্ছেন তারেক রহমান। *** যমুনার সামনে আহতদের কেউ গুলিবিদ্ধ নয়: ঢামেক পরিচালক *** ‘৫ই আগস্টের চেতনা এখন জামায়াতের গর্ভে’ *** মার্কিন নাগরিকদের ‘অবিলম্বে ইরান ছাড়ার’ নির্দেশ ট্রাম্প প্রশাসনের *** যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে ইরানের ‘সম্মতি’ *** ‘মনে করেছিলাম, ড. ইউনূস নির্বাচনের সময়গুলোতে এতটা নিচে নামবেন না’ *** জামায়াতকে ভোট দেওয়া মুসলমানদের ‘জায়েজ’ হবে না: হেফাজত আমির *** নির্বাচনের ফলাফল অত্যন্ত সূক্ষ্ম কৌশলে সাজানো হতে পারে *** জাতীয় পার্টির মহাসচিবের সভায় দর্শকদের দাঁড়িপাল্লা স্লোগান, ভিডিও ভাইরাল *** ‘খালেদা জিয়ার স্থান সফলভাবে পূরণ করেছেন তারেক রহমান’

‘যারা মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে’

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৬:০৩ অপরাহ্ন, ৪ঠা জুন ২০২৪

#

ফাইল ছবি (সংগৃহীত)

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) সভাপতি মোহাম্মদ আবুল বাশার কথা দিয়েছেন, যারা মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি তাদের সবার টাকা ফেরত দেওয়া হবে। একই সঙ্গে যেসব এজেন্সি কর্মীদের থেকে টাকা নিয়েও তাদের নিতে পারেনি তাদের তালিকা করবে।

মঙ্গলবার (৪ঠা জুন) সংবাদ সম্মেলন এবং মতবিনিময় সভায় এ আশ্বাস দেন তিনি।

মোহাম্মদ আবুল বাশার বলেন, আমরা কথা দিলাম, শ্রমিকরা এজেন্সিকে কত টাকা দিয়েছেন তারও তালিকা হবে। আমরা এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে টাকা আদায় করে কর্মীদের দেওয়ার জন্য বায়রার পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেব। এবার ১০১ জন ব্যবসা করেছে, তাদের সুযোগ দিয়েছে কে? নিশ্চয় দুই দেশের মন্ত্রণালয়। এখানে আমাদের সরকার ও মালয়েশিয়ান সরকার একটি চুক্তি করেছে। কতজন লোক লাগবে, কীভাবে নির্ধারণ করবে সেই চুক্তি করেছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে। এই চুক্তি বায়রার সঙ্গে করেনি। আর ওই চুক্তি মোতাবেক মালয়েশিয়া সরকার ১০১ এজেন্সিকে চিহ্নিত করেছে। বায়রার সদস্যদের এখানে কিছুই করার নেই বলে মত দেন তিনি।

১৯৯৪ সালেও এমন সিন্ডিকেট হয়েছিল, সেটা তিনি ভেঙে দেওয়ার দাবি করে বলেন, এরপর ২০০৮ ও ২০১৬ সালেও সিন্ডিকেট হয়েছে। আমাদের সদস্যদের ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছিলাম। একটা স্বার্থান্বেষী মহল চায় কোটিপতি থেকে আরও কোটিপতি হতে। এখন আমরা চেষ্টা করছি যেসব মানুষ যেতে পারেনি তাদের টাকা ফেরত দিয়ে বায়রাকে দায় মুক্ত করতে।

গমন ইচ্ছুক কর্মীদের কাছ তিন থেকে চারগুণ বেশি টাকা নেওয়ার প্রসঙ্গে বলেন, এই যে ৫ লাখ, ৪ লাখ টাকা নেওয়া হচ্ছে অভিযোগ উঠেছে এটা সঠিক নয়। এ রকম কথার কথা অনেকে বলে। আমাদের এমপিরা কোনো চক্রান্ত করেননি। তাদের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক। এখানে সংসদ সদস্যদের কথা আসছে কেন? তাদের রিক্রুটিং লাইসেন্স আছে, ব্যবসা করবে। এখন সে সংসদ সদস্য হোক আর যাই হোক তাদের তো ব্যবসা করার অধিকার আছে। এখন এগুলো নিয়ে একটা প্রতিপক্ষ চক্রান্ত করছে বলে দাবি করেন তিনি।

ওআ/

মালয়েশিয়া

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250