সোমবার, ২রা মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৭ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ড. ইউনূস কি মবের ভয়ে ‘কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে’ থাকবেন? *** ইরানে খোমেনির ভাস্কর্য উপড়ে ফেলল উত্তেজিত জনতা *** রাশিয়ায় খামেনিকে অসাধারণ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্মরণ করা হবে: পুতিন *** ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় রাজি ট্রাম্প *** ইসলামি প্রজাতন্ত্র ফেলে দেওয়ার আহ্বান রেজা পাহলভির *** বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও স্বাধীনতা দিবস পালন করতে নেতাকর্মীদের আহবান শেখ হাসিনার *** শিগগিরই নতুন সর্বোচ্চ নেতা পাবে ইরান, জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী *** এক বছর কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকবেন ড. ইউনূস *** ইসলাম ধর্মের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান গার্দিওলার *** গণঅভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে কোনো বক্তব্য দেইনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ৩৪ বছরের নারীকে ১৮ বছরের তরুণ...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:৩০ অপরাহ্ন, ১৩ই জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তার ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ৩৪ বছর বয়সী শর্মিলা ডিকেকে গত ৩রা জানুয়ারি মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল যে, রামামূর্তি নগরের সুব্রামানি লেআউটে তার অ্যাপার্টমেন্টে অগ্নিকাণ্ডের পর ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৯৪(৩)(৪) ধারায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং প্রযুক্তিগত প্রমাণ ব্যবহার করে পুলিশ অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। গ্রেপ্তারকৃত তরুণ কর্ণেল কুরাই নিহতের পাশের বাসাতেই থাকত।

জিজ্ঞাসাবাদে কুরাই অপরাধ স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। সে পুলিশকে জানায়, ৩রা জানুয়ারি রাত ৯টার দিকে যৌন লালসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে একটি স্লাইডিং জানালা দিয়ে সে শর্মিলার ঘরে ঢোকে। ভুক্তভোগী নারী বাধা দিলে সে জোরপূর্বক তার মুখ ও নাক চেপে ধরে, যার ফলে তিনি প্রায় অচেতন হয়ে পড়েন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী রক্তাক্ত জখমও হন।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই নারীর পোশাক এবং অন্যান্য আলামত শোবার ঘরের তোষকের ওপর রেখে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পালানোর সময় সে ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোনটিও চুরি করে নিয়ে যায়।

স্বীকারোক্তি এবং পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৩(১) (খুন), ৬৪(২), ৬৬ এবং ২৩৮ (প্রমাণ ধ্বংস) ধারায় মামলা করা হয়েছে। এই ঘটনায় বর্তমানে অধিকতর তদন্ত চলছে।

জে.এস/

ধর্ষণ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250