বুধবার, ২৮শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আমলাতন্ত্র জগদ্দল পাথরের মতো জনগণের বুকে চেপে বসেছে, কিছুই করা যায় না: ফাওজুল কবির খান *** আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশের ওপর শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র *** ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গণমাধ্যমকর্মীদেরই আদায় করতে হবে’ *** নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘সিম্প্যাথি’ পেতে মিথ্যা বলছেন: মির্জা আব্বাস *** ড্রোন বানাবে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, সহায়তা করবে চীন *** নারী ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসির কাছে ৭১ সংগঠনের ১০ সুপারিশ *** ‘নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না’ *** ‘কাজের টোপ’ দিয়ে রাশিয়ায় নিয়ে বাংলাদেশিদের পাঠানো হচ্ছে যুদ্ধে *** পায়ে পাড়া দিয়ে কেউ যদি আশা করে আমরা চুপ থাকব, তা হবে না: শফিকুর রহমান *** বিচ্ছেদের পর গলায় স্ত্রীর ছবি ঝুলিয়ে দুধ দিয়ে গোসল

প্লেব্যাক শিল্পীদের জন্য সুযোগ-সুবিধার দাবি ন্যান্সির

বিনোদন প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, ২৮শে জানুয়ারী ২০২৬

#

ফাইল ছবি

চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ নিয়ে আছে আলাদা সংগঠন। শিল্পী সমিতি, পরিচালক সমিতি, প্রযোজক সমিতিসহ চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু সংগঠনের অফিস বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি)। ফলে নিজেদের যেকোনো সমস্যা ও সুযোগ-সুবিধার কথা সংগঠনের কাছে তুলে ধরতে পারেন শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজকসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যরা। তারা এসব প্রতিষ্ঠানের নানা সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। তবে সেখানে বঞ্চিত সিনেমার গানের শিল্পীরা। তাদের নেই কোনো আলাদা সংগঠন, এমনকি কোনো সংগঠনের তালিকাভুক্তও নন তারা।

সিনেমার প্লেব্যাকশিল্পীদের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরে বাংলাদেশ সরকারের কাছে চলচ্চিত্রশিল্পের সংগীত-সংশ্লিষ্ট কলাকুশলীদের ‘চলচ্চিত্র শিল্পী’ হিসেবে স্বীকৃতি এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানালেন সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। ফেসবুকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে একটি খোলাচিঠি পোস্ট করেছেন এই সংগীতশিল্পী। সেখানে সিনেমার প্লেব্যাক শিল্পীদের জন্য সুযোগ-সুবিধার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি আক্ষেপ করে ন্যান্সি জানান, শিল্পীদের জন্য বিএফডিসিতে নির্দিষ্ট কোনো কক্ষ বা বসারও জায়গা নেই।

সেই চিঠিতে ন্যান্সি লেখেন, ‘এই উপমহাদেশে, বিশেষ করে বাংলা চলচ্চিত্রে গান একটি শক্তিশালী উপকরণ। জন্মলগ্ন থেকেই আমাদের চলচ্চিত্র গানের মাধ্যমে প্রচার, প্রসার ও ব্যবসায় সফলতা পেয়ে আসছে। চলচ্চিত্রের গানসংশ্লিষ্ট কলাকুশলী তথা সংগীতশিল্পী, গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালকেরা কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়ে থাকেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, বাংলাদেশ ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের অধীন অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার আওতায় গানের কলাকুশলীদের বিবেচনা করা হয় না।

শিল্পী সমিতি নামক যে সংগঠন রয়েছে সেখানে আমাদের সদস্যপদ এবং ভোটাধিকারও নেই। আমরা যখন বিএফডিসিতে প্রবেশ করি, সেখানে পরিচালক সমিতি, প্রযোজক সমিতি এবং শিল্পী সমিতির আলাদা কক্ষ দেখতে পাই। কিন্তু আমাদের বিশ্রাম, রিফ্রেশমেন্ট বা চর্চার জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান নির্ধারিত নেই। চলচ্চিত্র মাধ্যমের একটি অত্যাবশ্যকীয় ভূমিকায় থাকার পরেও গানের মানুষদের বসারও ব্যবস্থা নেই, যা চলচ্চিত্র মাধ্যমের সব কলাকুশলীর জন্য বেদনাদায়ক।’

ন্যান্সি আরও লেখেন, ‘যেকোনো উৎসব বা আয়োজনে আমাদের গানের শিল্পীদের ডাকা হলেও বাংলাদেশ ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়নে আমরা আজও চরমভাবে অবহেলিত। ব্যক্তিগতভাবে নানা আলোচনায় এবং টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এ বিষয়টি তুলে ধরেছি, কিন্তু প্রত্যক্ষভাবে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা আগে কখনো প্রকাশ করা হয়নি।’

বিএফডিসির সঙ্গে প্লেব্যাক শিল্পীদের দূরত্ব ঘোচাতে এবং তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি একটি কার্যালয় বরাদ্দের অনুরোধ করেছেন ন্যান্সি।

জে.এস/

ন্যান্সি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250