সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৩শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় দেশের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী *** বৈধভাবে বছরে ১০ হাজার শ্রমিকের ইতালি যাওয়ার সুযোগ আছে: মীর শাহে আলম *** সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের *** ঢাকায় পর্যটন মেলা শুরু ২৯ অক্টোবর, অংশ নেবে ২০টি দেশ *** সড়ক নিরাপত্তার প্রকল্পে সুফল চাই, আনুষ্ঠানিকতা নয়: সড়কমন্ত্রী *** প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি স্থগিত *** বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল *** হরমুজ প্রণালির বাইরে নতুন ‘নিষিদ্ধ’ সামুদ্রিক অঞ্চল ঘোষণা করবে ইরান *** মায়ামি বিমানবন্দরে আমাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫ *** ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

কোকোস, সাবাং ও কার নিকোবর নিয়ে তিন দেশের উদ্যোগ: নীরবে বদলাচ্ছে ভারত মহাসাগরে সামুদ্রিক কৌশল

উপ-সম্পাদকীয়

🕒 প্রকাশ: ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, ২৪শে জুলাই ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

সাজ্জাদুল ইসলাম নয়ন

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রভাব বাড়াতে সব সময় বড় কোনো সামরিক জোট বা চুক্তির প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় বন্দর ব্যবহারের সুযোগ, বিমানঘাঁটির উন্নয়ন, জ্বালানি ও মেরামতের সুবিধা এবং সমুদ্রে নজরদারি বাড়ানোর মধ্য দিয়েও একটি দেশ নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারে। ভারত ও তার অংশীদারদের সাম্প্রতিক কিছু উদ্যোগে এমনই একটি পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার কোকোস বা কিলিং দ্বীপপুঞ্জ, ইন্দোনেশিয়ার সাবাং বন্দর এবং ভারতের কার নিকোবর—তিনটি জায়গাই পূর্ব ভারত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। আলাদাভাবে দেখলে এগুলোকে ছোট ছোট অবকাঠামো উন্নয়ন কিংবা দুই দেশের সহযোগিতা বলে মনে হতে পারে। কিন্তু মানচিত্রে তিনটি জায়গাকে একসঙ্গে দেখলে ভিন্ন একটি ছবি পাওয়া যায়। বঙ্গোপসাগর থেকে শুরু করে মালাক্কা, সুন্দা ও লম্বক প্রণালি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের ওপর নজর রাখার একটি বিস্তৃত ব্যবস্থা ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ভারত মহাসাগরে কোকোস দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান। একসময় এই দ্বীপগুলোকে অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল হিসেবেই দেখা হতো। এখন এর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দ্বীপটি ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সামুদ্রিক সহযোগিতায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

কোকোস দ্বীপপুঞ্জ সুন্দা ও লম্বক প্রণালির কাছাকাছি। দক্ষিণ চীন সাগর থেকে ভারত মহাসাগরে প্রবেশের জন্য মালাক্কা প্রণালির পাশাপাশি এই দুটি পথও গুরুত্বপূর্ণ। এসব পথ দিয়ে বিপুলসংখ্যক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করে। সামরিক জাহাজ ও সাবমেরিনের চলাচলের ক্ষেত্রেও পথগুলোর গুরুত্ব রয়েছে।

২০২৬ সালের জুলাইয়ে কোকোস দ্বীপপুঞ্জে ভারতের গগনযান মানব মহাকাশ কর্মসূচির জন্য একটি অস্থায়ী ট্র্যাকিং টার্মিনাল চালুর ঘোষণা দেয় অস্ট্রেলিয়া। টার্মিনালটি ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর পরিকল্পিত চারটি অভিযানে তথ্য সংগ্রহ ও মহাকাশযানের অবস্থান পর্যবেক্ষণে সহায়তা করবে। ভারত ও অস্ট্রেলিয়া এটিকে বেসামরিক মহাকাশ সহযোগিতা হিসেবে তুলে ধরেছে।

তবে গুরুত্বপূর্ণ কোনো দ্বীপে প্রযুক্তি, যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রশিক্ষিত জনবল স্থাপন হলে তার প্রভাব শুধু একটি মহাকাশ প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর মাধ্যমে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ তৈরি হয়। একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা বাড়ে এবং ভবিষ্যতে অন্য ক্ষেত্রেও সহযোগিতার পথ সহজ হয়। ফলে মহাকাশ কর্মসূচির মতো বেসামরিক উদ্যোগও দীর্ঘ মেয়াদে বড় ধরনের কৌশলগত সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি করতে পারে।

কোকোস দ্বীপপুঞ্জের বিমানঘাঁটিও উন্নত করছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বিমানক্ষেত্রটি এমনভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে, যাতে সেখান থেকে বড় সামরিক বিমান ওঠানামা করতে পারে। এ-সংক্রান্ত নির্মাণকাজ ২০২৪ সালের শেষ দিকে শুরু হয়। উন্নয়ন শেষ হলে পি-৮এ পসাইডনের মতো সামুদ্রিক নজরদারি বিমানও সেখানে সহজে পরিচালনা করা যাবে।

রানওয়ে বড় করার পাশাপাশি বিমান রাখার স্থান, জ্বালানি সরবরাহ, যোগাযোগ এবং রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধা বাড়ানো হলে কোকোস দ্বীপপুঞ্জের ভূমিকা বদলে যাবে। এটি তখন শুধু বিমানের সাময়িক যাত্রাবিরতির জায়গা থাকবে না। সেখান থেকে দীর্ঘ সময় সমুদ্রে টহল দেওয়া, সন্দেহজনক জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা এবং দুর্যোগের সময় সহায়তা দেওয়া সহজ হবে।

এ ক্ষেত্রে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক লজিস্টিক সহায়তা চুক্তিটিও গুরুত্বপূর্ণ। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনী প্রয়োজন হলে একে অপরের কাছ থেকে জ্বালানি, সরঞ্জাম, মেরামত ও অন্যান্য সহায়তা নিতে পারে। এর অর্থ, ভারতকে কোকোস দ্বীপপুঞ্জে নিজস্ব সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করতে হবে না। প্রয়োজন হলে অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করেই ভারতীয় বিমান বা জাহাজ তাদের কার্যক্রম চালাতে পারবে।

ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জও এই সামুদ্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দ্বীপপুঞ্জটি বঙ্গোপসাগরের পূর্বদিকে এবং মালাক্কা প্রণালির প্রবেশপথের কাছে অবস্থিত। এখানে ভারতের একমাত্র সমন্বিত ত্রিবাহিনী কমান্ড রয়েছে। অর্থাৎ স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনী একই কমান্ডের অধীনে সমন্বিতভাবে কাজ করে।

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কার নিকোবরের ভারতীয় বিমানবাহিনীর ঘাঁটির আধুনিকায়িত রানওয়ে উদ্বোধন করা হয়। রানওয়ের সঙ্গে বিমান রাখা ও পরিচালনার অন্যান্য সুবিধাও উন্নত করা হয়েছে। এতে দ্বীপটিতে দ্রুত সেনা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পাঠানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি সমুদ্র পর্যবেক্ষণ, উদ্ধার অভিযান এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মানবিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষমতাও বাড়বে।

আন্দামান ও নিকোবর থেকে ভারত বঙ্গোপসাগরের পূর্বাঞ্চল এবং মালাক্কা প্রণালির পশ্চিম দিক পর্যবেক্ষণ করতে পারে। অন্যদিকে কোকোস দ্বীপপুঞ্জ থেকে সুন্দা ও লম্বক প্রণালির দিকে নজর রাখা সম্ভব। ফলে দুটি স্থান মিলিয়ে পূর্ব ভারত মহাসাগরের বড় একটি অংশে জাহাজ চলাচল ও সামুদ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে।

বর্তমান সময়ে একটি দেশের নৌক্ষমতা শুধু তার যুদ্ধজাহাজ বা অস্ত্রের সংখ্যা দিয়ে বোঝা যায় না। দেশটি কত দূর পর্যন্ত নজর রাখতে পারে, কোনো ঘটনার পর কত দ্রুত সাড়া দিতে পারে এবং প্রয়োজনীয় এলাকায় কত দিন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। কোকোস ও কার নিকোবরের অবকাঠামো উন্নয়ন ভারত ও অস্ট্রেলিয়াকে এই তিন ক্ষেত্রেই বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।

এই ব্যবস্থায় ইন্দোনেশিয়ার অবস্থানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাজার হাজার দ্বীপ নিয়ে গঠিত দেশটির সঙ্গে মালাক্কা, সুন্দা ও লম্বকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিগুলো সরাসরি যুক্ত। ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে চলাচলকারী অসংখ্য জাহাজকে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপগুলোর মাঝের এসব পথ ব্যবহার করতে হয়।

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে অবস্থিত সাবাং বন্দর মালাক্কা প্রণালির উত্তর-পশ্চিম প্রবেশপথের খুব কাছে। ভারত ও ইন্দোনেশিয়া দীর্ঘদিন ধরে এই বন্দরকে ঘিরে যোগাযোগ, বাণিজ্য ও সামুদ্রিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ইন্দোনেশিয়া সফরের সময় দুই দেশ আবারও সাবাং বন্দরের উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং সমুদ্রপথে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়।

সাবাং, কার নিকোবর এবং কোকোসকে মানচিত্রে পাশাপাশি দেখলে একটি ধারাবাহিক ব্যবস্থা চোখে পড়ে। এর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের পূর্বাংশ থেকে মালাক্কা, সুন্দা ও লম্বক প্রণালি পর্যন্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানকে যুক্ত করা সম্ভব। এর শক্তি কোনো একটি বন্দর বা বিমানঘাঁটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং একাধিক দেশে থাকা এসব স্থানের ব্যবহার, জ্বালানি ও মেরামতের সুবিধা এবং সমুদ্রে নজরদারির ক্ষমতা একসঙ্গে যুক্ত হলেই এর আসল গুরুত্ব বোঝা যায়।

এই পরিবর্তনের সঙ্গে চীনের প্রসঙ্গও জড়িত। ভারত মহাসাগরে চীনা নৌবাহিনীর উপস্থিতি বাড়ছে। চীনের গবেষণা ও গোয়েন্দা জাহাজ এবং সাবমেরিনের চলাচল নিয়ে ভারত দীর্ঘদিন ধরে উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে চীনের জ্বালানি আমদানি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বড় একটি অংশ মালাক্কা প্রণালি এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরশীল।

ভারত ও অস্ট্রেলিয়া এসব গুরুত্বপূর্ণ পথে নিজেদের উপস্থিতি ও নজরদারি বাড়ালে চীন বিষয়টিকে নিজের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক স্বার্থের দিক থেকে দেখবে। তবে এখন পর্যন্ত এসব উদ্যোগ সরাসরি সামরিক অবরোধ বা আনুষ্ঠানিক চীনবিরোধী জোটে পরিণত হয়নি। বরং ভারত ও তার অংশীদারেরা এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করছে, যার মাধ্যমে তারা গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে কী ঘটছে, তা দ্রুত জানতে এবং প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

অনেক ক্ষেত্রে এ ধরনের নজরদারি সরাসরি সংঘাতের চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে। কোনো দেশের নৌযান যদি জানে যে তার চলাচল নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিক্রিয়া আসতে পারে, তাহলে সেটি তাকে আরও সতর্কভাবে চলতে বাধ্য করবে। এটিই একধরনের প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করে।

তবে কোকোস, সাবাং ও কার নিকোবরের অবকাঠামো শুধু সামরিক কাজে ব্যবহৃত হবে—এমন নয়। উন্নত বিমানঘাঁটি, বন্দর ও যোগাযোগব্যবস্থা ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প বা সুনামির মতো দুর্যোগের সময় দ্রুত সহায়তা পাঠাতে কাজে লাগতে পারে। সমুদ্রে নিখোঁজ জাহাজ বা মানুষকে উদ্ধার, পণ্য পরিবহন এবং দ্বীপগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতেও এসব সুবিধা ব্যবহার করা সম্ভব।

একই সঙ্গে এসব দ্বীপে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিবেশগত প্রভাবও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। নির্মাণকাজের কারণে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য, সমুদ্রের পরিবেশ এবং দ্বীপবাসীর জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই নিরাপত্তার প্রয়োজনের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা, স্বচ্ছতা এবং স্থানীয় মানুষের মতামতও বিবেচনায় রাখা দরকার।

ভারত ও অস্ট্রেলিয়া এখনই কোনো প্রচলিত সামরিক জোট তৈরি করছে—এমন কথা বলা যাবে না। তারা বরং এমন কিছু বাস্তব সুযোগ তৈরি করছে, যা প্রয়োজনের সময় দুই দেশকে পরস্পরের পাশে দাঁড়াতে সাহায্য করবে। ইন্দোনেশিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান এবং সাবাং বন্দরের সুবিধা এই ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে পারে।

কোকোস, সাবাং কিংবা কার নিকোবর—একটি জায়গাও একা পূর্ব ভারত মহাসাগরের পরিস্থিতি বদলে দিতে পারবে না। কিন্তু তিনটি স্থান এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সহযোগিতা একসঙ্গে কাজ করলে ভারত ও তার অংশীদারদের সমুদ্রে নজরদারি, চলাচল এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা বাড়বে।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের অর্থ এখন আর শুধু কোনো এলাকা সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা নয়। গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের কাছে উপস্থিত থাকা, প্রয়োজনের সময় বন্দর ও বিমানঘাঁটি ব্যবহার করতে পারা এবং অংশীদার দেশগুলোর কাছ থেকে দ্রুত সহায়তা পাওয়াও শক্তির বড় উৎস। কোকোস, সাবাং ও কার নিকোবরকে ঘিরে চলমান উদ্যোগগুলো দেখাচ্ছে, ভারত নীরবে সেই পথেই এগোচ্ছে।

লেখক: কলামিস্ট।

সাজ্জাদুল ইসলাম নয়ন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় দেশের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৈধভাবে বছরে ১০ হাজার শ্রমিকের ইতালি যাওয়ার সুযোগ আছে: মীর শাহে আলম

🕒 প্রকাশ: ০২:৫১ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

৪ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল করেছে আমিরাত, সমাধানের চেষ্টা চলছে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক

🕒 প্রকাশ: ০২:৪৬ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

🕒 প্রকাশ: ০২:৪১ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকায় পর্যটন মেলা শুরু ২৯ অক্টোবর, অংশ নেবে ২০টি দেশ

🕒 প্রকাশ: ০২:৩৩ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250