ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সিলেট বিভাগের চার জেলার ১৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। এসব প্রার্থীর মধ্যে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজন প্রবাসী আছেন।
আজ সোমবার (৩রা নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় তিনি জানান, বাকি আসনে প্রার্থীদের নাম দ্রুত ঘোষণা করা হবে।
প্রার্থী তালিকায় দেখা যায়, সুনামগঞ্জ-২, সুনামগঞ্জ-৪, সিলেট-৪, সিলেট-৫ এবং হবিগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। এই পাঁচটি আসন ছাড়া বাকি ১৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
বিএনপির ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে সুনামগঞ্জ-১ আসনে আনিসুল হক, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে মোহাম্মদ কয়সর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৫ আসনে কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, সিলেট-১ আসনে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ আসনে এম এ মালিক এবং সিলেট-৬ আসনে এমরান আহমদ চৌধুরী দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন।
মনোনয়ন পাওয়া অন্যরা হচ্ছেন মৌলভীবাজার-১ আসনে নাসির উদ্দিন আহমেদ (মিঠু), মৌলভীবাজার-২ আসনে সওকত হোসেন (সকু), মৌলভীবাজার-৩ আসনে নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনে মো. মজিবর রহমান চৌধুরী, হবিগঞ্জ-২ আসনে আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান (জীবন), হবিগঞ্জ-৩ আসনে জি কে গউস এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে এস এম ফয়সাল।
বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, সিলেট-৩ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত এম এ মালিক যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং সুনামগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত মোহাম্মদ কয়সর আহমেদ যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। গত বছরের ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তারা দেশে ফিরে স্থানীয় রাজনীতিতে তৎপর হন।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী এম এ মালেক দীর্ঘ ১৯ বছর পর গত ১৭ই অক্টোবর দেশে আসেন। এ সময় তিনি নিজের গ্রামের বাড়ি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলিতে অবস্থান করে নির্বাচনী এলাকার তিন উপজেলায় কিছু সভা-সমাবেশে অংশ নিয়ে কিছুদিন পর দেশ ছাড়েন। পরে আরও কয়েকবার দেশে আসেন। দেশে এসে তিনি নিয়মিতভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নেন।
এম এ মালিকের অনুসারীরা বলছেন, তাদের নেতা দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকলেও নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। তিনি সশরীর উপস্থিত না থাকলেও তার অনুসারী-সমর্থকেরা দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জে চিকিৎসাশিবির, শীতবস্ত্র বিতরণ, খেলাধুলাসহ নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।
খবরটি শেয়ার করুন