বুধবার, ২৮শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আমলাতন্ত্র জগদ্দল পাথরের মতো জনগণের বুকে চেপে বসেছে, কিছুই করা যায় না: ফাওজুল কবির খান *** আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশের ওপর শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র *** ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গণমাধ্যমকর্মীদেরই আদায় করতে হবে’ *** নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘সিম্প্যাথি’ পেতে মিথ্যা বলছেন: মির্জা আব্বাস *** ড্রোন বানাবে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, সহায়তা করবে চীন *** নারী ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসির কাছে ৭১ সংগঠনের ১০ সুপারিশ *** ‘নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না’ *** ‘কাজের টোপ’ দিয়ে রাশিয়ায় নিয়ে বাংলাদেশিদের পাঠানো হচ্ছে যুদ্ধে *** পায়ে পাড়া দিয়ে কেউ যদি আশা করে আমরা চুপ থাকব, তা হবে না: শফিকুর রহমান *** বিচ্ছেদের পর গলায় স্ত্রীর ছবি ঝুলিয়ে দুধ দিয়ে গোসল

ড্রোন বানাবে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, সহায়তা করবে চীন

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, ২৭শে জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে সামরিক মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ইউএভি) উৎপাদন কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে জিটুজি চুক্তির আওতায় ইউএভি উৎপাদন ও সংযোজন, কারখানা স্থাপন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর (TOT) সংক্রান্ত এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৭শে জানুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসস্থ বিমানবাহিনীর সদর দপ্তরে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও চীনের পক্ষে চায়না ইলেকট্রনিকস টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন ইন্টারন্যাশনাল (সিইটিসি) চুক্তিতে অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও সিইটিসি ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে দেশে একটি আধুনিক ইউএভি উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপন করবে। এই উদ্যোগের মধ্যে প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্প দক্ষতা উন্নয়ন ও যৌথ প্রযুক্তিগত সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে ইউএভি উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনে সহায়ক হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন ধরনের Medium Altitude Low Endurance (MALE) ইউএভি এবং Vertical Take-off and Landing (VTOL) ইউএভি উৎপাদন ও সংযোজনের সক্ষমতা অর্জন করবে। পাশাপাশি নিজস্ব ইউএভি উৎপাদনের পথও সুগম হবে। এসব ইউএভি সামরিক কার্যক্রমের পাশাপাশি মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চুক্তির ফলে দেশীয় ইউএভি উৎপাদনে পূর্ণ স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে সক্ষমতা সম্প্রসারিত হবে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, জ্ঞানবিনিময় ও দক্ষ অ্যারোস্পেস কর্মশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতীয় প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী, বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ সিইটিসি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৬০৮ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নযোগ্য এ প্রকল্পের আওতায় ড্রোন কারখানা স্থাপন, প্রযুক্তি আমদানি ও স্থাপনের জন্য এলসি খোলা এবং পরিশোধ বাবদ ৫৭০ কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধযোগ্য এই অর্থ চার অর্থবছরে ব্যয় করা হবে।

এর মধ্যে চলতি অর্থবছরে ১০৬ কোটি টাকা, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ১৫৫ কোটি টাকা করে এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে প্রায় ১৫৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে। অবশিষ্ট ৩৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা দেশীয় মুদ্রায় এলসি খোলার চার্জ, ভ্যাট ও সুইফট চার্জ বাবদ ব্যয় করা হবে।

বিমানবাহিনী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250