ছবি: সংগৃহীত
সব ঠিক থাকলে আগামী ২৫শে ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেড় যুগ পর দেশে ফেরার প্রস্তুতিতে লন্ডনে বাংলাদেশ হাই কমিশন থেকে ট্রাভেল পাস পেয়েছেন তিনি। দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোন কিছু না বলা হলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।
আজ শুক্রবার (১৯শে নভেম্বর) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘উনি (তারেক রহমান) কাল (বৃহস্পতিবার) আবেদন করেছিলেন। আমার জানামতে হয়ে গেছে।’
২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা হচ্ছিল। গত ২৩শে নভেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার পর তারেক রহমান জানান, দেশে ফেরা তার কোনো একক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়।
তবে ১২ই ডিসেম্বর বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয় যে, ২৫শে ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন। তার আগমনকে ঘিরে দলের পক্ষ থেকে একটি অভ্যর্থনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিমানবন্দর থেকে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অভ্যর্থনার স্থান নির্ধারণে যাচাই-বাছাই চলছে। সম্ভাব্য সমাবেশ নিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ঐতিহাসিক জনসমাগমের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
২০০৭ সালের জানুয়ারিতে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হন তারেক রহমান। প্রায় ১৮ মাস কারাভোগ করেন। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি লন্ডন চলে যান।
খবরটি শেয়ার করুন