ছবি: সংগৃহীত
যশোরে আজ সোমবার আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার এই সফরকে ঘিরে জেলা প্রশাসন, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। একই সঙ্গে প্রস্তুত রয়েছে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরাও।
সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল সোয়া ১০টায় যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি সরাসরি শার্শা উপজেলার উলাশীতে যাবেন। সেখানে তার পিতা, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাশী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখননকাজের উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে পুনঃখননস্থলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
এরপর বেলা সোয়া ১টায় যশোর শহরে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বেলা দেড়টায় প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন করবেন তিনি। পরে সার্কিট হাউসে নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শেষে বেলা সাড়ে তিনটায় যশোর ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন।
দিনশেষে সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশে যশোর ত্যাগ করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে শহরে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছে জেলা বিএনপি। এ উপলক্ষে বাস, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল মিলিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার যানবাহন যশোরে আসবে। ইতিমধ্যে ১০টি পার্কিং স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে ভিআইপিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, ঐতিহাসিক এই জনসভায় লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। অংশগ্রহণকারীদের বড় একটি অংশ শহরের বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসবেন। বৃহত্তর যশোরের চার জেলা ছাড়াও খুলনা বিভাগের অন্যান্য জেলা থেকেও নেতাকর্মীরা আসবেন বলে জানান তিনি। শান্তিপূর্ণভাবে একটি বড় জনসভা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সরকারপ্রধানের কর্মসূচিস্থলগুলো রোববার পরিদর্শন করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ সময় জেলা বিএনপির নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তারেক রহমানের প্রথম জনসভা, যা যশোরবাসীর জন্য গর্বের। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে যশোরের উন্নয়ন কার্যক্রম নতুন গতি পাবে।
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। এবারের সফর ঘিরে যশোর শহর ও গ্রামাঞ্চলে মাইকিংসহ বিভিন্ন প্রচারণা চলছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই সফরের মাধ্যমে অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
খবরটি শেয়ার করুন