মঙ্গলবার, ৭ই এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৪শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টার থেকে কালনাগিনী সাপ উদ্ধার *** চিকিৎসকদের ধর্মঘটে ব্রিটিশ হাসপাতালগুলোর ক্ষতি ৩০০ কোটি পাউন্ড *** যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে ‘নতুন দেশ’, ন্যাটোকে চ্যালেঞ্জ করা কে এই ‘সুলতান’ *** গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি *** ‘লন্ডনে তারেক রহমানকে ট্রফি দিয়ে ভোটের তারিখ নিয়ে আসেন ড. ইউনূস’ *** আগামী মাসে তেলের দাম বাড়ানোর চিন্তা করবে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী *** বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন শিরীন শারমিন, লালবাগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে: ডিবি *** নির্মূলের লক্ষ্যের বছরেই হামের প্রাদুর্ভাব *** সরকারি দলের সংসদীয় সভা বিকেলে *** অসংক্রামক রোগে মৃত্যু বেশি, থেমে নেই সংক্রামক রোগও

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে চাঁদে যাওয়ার প্রশিক্ষণ নিলেন রুতবা ইয়াসমিন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:২২ অপরাহ্ন, ১১ই জুন ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

প্রথম বাংলাদেশি ও নারী হিসেবে চাঁদে যাওয়ার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন রুতবা ইয়াসমিন। ‘স্পেস নেশন’-এর মুন পাইওনিয়ার মিশনের প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করে চাঁদে পা রাখার দৌড়ে সামনের সারিতে আছেন। গত ১৬ই এপ্রিল স্পেস নেশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, তাদের মিশনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ সদস্যই নারী এবং রুতবা তাদের একজন।

রুতবা ঢাকার স্কলাসটিকা স্কুল থেকে ম্যাসাচুসেটসের মাউন্ট হোলিওক কলেজে পড়তে যান। ২০১৪ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে ডিগ্রি এবং গণিতে মাইনর শেষ করেন। পরে কোভিডের সময় বাংলাদেশে ফিরে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ডেটা সায়েন্সে উচ্চতর ডিগ্রি এবং ২০২৪ সালে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ আলাবামা থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

মহাকাশ আবহাওয়া নিয়ে রুতবার গবেষণা; বিশেষ করে ‘ভূচৌম্বকীয় ঝড়’ তার আগ্রহকে আরও গভীর করে। রুতবার অনুপ্রেরণা ছিলেন মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস। রুতবা মনে করেন, মহাকাশে নারীর অংশগ্রহণ এখনো সীমিত, তবে এটি পরিবর্তনের সময় এসেছে। তিনি বলেন, ‘মহাকাশশিল্পে মাত্র ১১ শতাংশ মহাকাশচারী নারী। এ চিত্র বদলানো জরুরি।’

‘মুন পাইওনিয়ার মিশনে’ তার প্রশিক্ষণ ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। স্পেসস্যুট পরা, ইভিএ বা মহাকাশের বাইরে কাজ এবং মিশন কন্ট্রোলে যোগাযোগ রক্ষা করার কৌশল শেখা ছিল মূল বিষয়। সিমুলেশনে একটি বিপজ্জনক ত্রুটির সময়, রুতবা জরুরি ইভিএ করে পরিস্থিতি সামাল দেন। পরে তিনি মিশন কন্ট্রোলের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে দলের সদস্যদের আইএসআরইউ (স্থানীয় সম্পদের ব্যবহার) মডিউলের দিকনির্দেশনা দেন।

রুতবার মতে, এ মিশন দলগত কাজ, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও চাপের মধ্যে সমস্যা সমাধানের দারুণ এক পরীক্ষা। তিনি বলেন, ‘আমাদের সাফল্য ছিল প্রস্তুতি, সমন্বয় ও নেতৃত্বের ফল।’ তার দল ‘ম্যাগ৭’ এ মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।

মানসিক সুস্থতা ও শারীরিক প্রস্তুতিও তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মহাকাশে সুস্থ থাকতে ভালো ঘুম, পুষ্টিকর খাবার এবং পরিচ্ছন্নতার বিকল্প ব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়।

রুতবা ভবিষ্যতে চাঁদের ওপর গবেষণা, নমুনা সংগ্রহ এবং আর্টেমিস মিশনের মতো বড় প্রকল্পে কাজ করতে চান। তার লক্ষ্য, শুধু চাঁদে পা রাখা নয়, ইতিহাস গড়ে নারীদের সামনে পথ খুলে দেওয়া। তিনি বলেন, ‘আমি মহাকাশ অনুসন্ধানে ঐতিহাসিক অবদান রাখতে চাই।'

এইচ.এস/

নভোচারী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250