বুধবার, ২৮শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আমলাতন্ত্র জগদ্দল পাথরের মতো জনগণের বুকে চেপে বসেছে, কিছুই করা যায় না: ফাওজুল কবির খান *** আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশের ওপর শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র *** ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গণমাধ্যমকর্মীদেরই আদায় করতে হবে’ *** নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘সিম্প্যাথি’ পেতে মিথ্যা বলছেন: মির্জা আব্বাস *** ড্রোন বানাবে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, সহায়তা করবে চীন *** নারী ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসির কাছে ৭১ সংগঠনের ১০ সুপারিশ *** ‘নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না’ *** ‘কাজের টোপ’ দিয়ে রাশিয়ায় নিয়ে বাংলাদেশিদের পাঠানো হচ্ছে যুদ্ধে *** পায়ে পাড়া দিয়ে কেউ যদি আশা করে আমরা চুপ থাকব, তা হবে না: শফিকুর রহমান *** বিচ্ছেদের পর গলায় স্ত্রীর ছবি ঝুলিয়ে দুধ দিয়ে গোসল

চায়না বুচনায় মাছ শূন্য জলাশয়

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, ২রা ডিসেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সুখবর ডটকম

সঞ্জয় কুলু, বাগেরহাট

শরণখোলার বিভিন্ন জলাশয়ে অবাধে ‘চায়না বুচনা' ব্যবহারের কারণে দেশি মাছ প্রায় শূন্য হয়ে পড়ছে। এই যন্ত্র দিয়ে অতি সূক্ষ্মভাবে মাছ ধরা হয়, ফলে পোনা থেকে শুরু করে সব ধরনের মাছ ধ্বংস হচ্ছে। এতে জলাশয়ের প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

স্থানীয় জেলে নির্মল কুলু বলেন, “একসময় এই খালে জালে জাল ভরে মাছ উঠত। এখন চায়না বুচনায় সব শেষ হয়ে যাচ্ছে।" 

আরেক জেলে আব্বাস উদ্দিন জানান, “পোনা না বাঁচলে সামনে আর মাছই থাকবে না।" এ বিষয়ে উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস জানান, চায়না বুচনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এর কুফল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। এলাকাবাসী দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, উপকূল ও নদীনির্ভর অঞ্চলে অবৈধ নেট জাল, খরচি জাল, চিংড়া জাল, বাধা জাল, ট্রলিং এবং বিষ প্রয়োগে মাছের সংকট ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এসব জালে ধ্বংস হচ্ছে মাছের পোনা, বাধা জালে থমকে যাচ্ছে স্বাভাবিক জলপ্রবাহ, আর বিষে নষ্ট হচ্ছে পুরো জলজ প্রাণিসম্পদ।

মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস বলেন, “বিষ দিয়ে মাছ ধরা শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাদ্য নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি। মা মাছ ও পোনা ধ্বংস হলে দেশীয় প্রজাতি হারিয়ে যাবে।" 

তিনি জানান, নিয়মিত অভিযান চালানো হলেও জনসচেতনতা ছাড়া এই সংকট সামাল দেওয়া কঠিন।

জিলবুনিয়া গ্রামের জেলে ইউনুস হাওলাদার বলেন, “যে নদীতে দিনে ১০–১৫ কেজি মাছ পেতাম, এখন দুই কেজিও মেলে না। অবৈধ জাল ও বিষ আমাদের জীবিকা শেষ করে দিচ্ছে।"

চায়না বুচনা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250