বৃহস্পতিবার, ১৯শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার *** স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরেই: মির্জা ফখরুল *** গুম, খুনের শিকার পরিবারে ‘ঈদ উপহার’ পাঠাচ্ছেন তারেক রহমান *** সহশিল্পীদের চোখে অভিনেতা শামস সুমন *** স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক ইভেন্টে ‘ইন্টারেস্টেড’ ক্লিকে বরখাস্ত হলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা *** হরমুজ প্রণালি বন্ধ, চা–সমুচা–দোসার রসনাবঞ্চিত ভারতীয়রা *** ক্ষমা চেয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, দিয়েছেন ‘অপ্রয়োজনীয়’ কথা আর না বলার প্রতিশ্রুতি *** ঈদের দিন যমুনায় কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী *** আইজিপির বাগেরহাটের বাসভবনে চুরির খবরটি ভিত্তিহীন: জেলা পুলিশ *** ড. ইউনূসের চেয়ে বড় বাটপার বাংলাদেশের সরকারে কেউ আসেননি: আনিস আলমগীর

হাওরে সূর্যমুখী চাষ কৃষিতে এনেছে বৈচিত্র্য

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১০:০২ পূর্বাহ্ন, ১৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য নেত্রকোণায় হাওরের কৃষিতে এসেছে নতুন মাত্রা সূর্যমুখী চাষ। পরীক্ষামূলক এ চাষে যেমন লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা, তেমনি মানুষ সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে যাচ্ছে দিগন্ত বিস্তৃত হাওরে। একবার ধান চাষ করার পর লম্বা সময় পতিত থাকে হাওরের কৃষি জমি। সে জমি কিভাবে ভিন্নভাবে কাজে লাগানো যায় সে ধারণা মাথায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন কৃষকরা।

জানা গেছে, জেলার হাওরাঞ্চল মদন উপজেলার অন্যতম গোবিন্দশ্রী হাওর। এই হাওরে পতিত পড়ে থাকতো কৃষকের অনেক জমি। এ সকল জমিতে ধানের  পাশাপাশি  মিষ্টি কুমড়া চাষ শুরু হয়েছে বেশ কয়েক বছর ধরে। ভূট্টা চাষও হয় বিভিন্ন রবি শস্যের পাশাপাশি। কিন্তু সূর্যমুখী চাষের প্রচলন এখনো হয়নি। তবে গত বছর থেকে তিনজন কৃষক একসঙ্গে তিন কাঠা জমিতে শুরু করেছেন সুর্যমূখী চাষ। মদন থেকে খালিয়াজুরী বা মোহনগঞ্জ যাওয়ার জন্য ডুবন্ত সড়ক গোবিন্দশ্রী হাওরের বুক চিরে বয়ে গেছে। এদিক দিয়েই যেতে হয় আরো একটি হাওর  উপজেলা খালিয়াজুরীতে। যে কারণে সূর্যমূখীর সৌন্দর্য দেখতে ভিড় জমান পথচারীরা।

মদন উপজেলার উদ্যোক্তা কৃষক বুলবুল আহমেদ। তারা তিন বন্ধু মিলে গত বছর তিনকাঠা জমিতে ফলিয়েছিলেন সূর্যমুখী। কাঠা প্রতি সংগ্রহ  করেন ৮ লিটার তেল। উৎসাহ পেয়ে  এবছর তারা ৮ কাঠা জমিতে করেছেন এ চাষ। আশা করছেন ফলনও ভালো হবে।

এদিকে দেখতে আসা পথচারী এবং সৌন্দর্য পিপাসুরা  স্বীকার করেছেন যে, ভেতরে গিয়ে অনেকেই গাছ নষ্ট করে। তাই তারা এখন জরিমানার ভয়ে অনুমতি নিয়েই ভেতরে প্রবেশ করেন। সাইনবোর্ডে লিখা থাকায় এবং জরিমানার পরিমাণ বেশি থাকায় এবছর নিয়ম মেনে চলছেন  সবাই।

আরও পড়ুন: ব্রোকলি চাষে সফল মিরসরাইয়ের কৃষি উদ্যোক্তা মামুন

কৃষক বুলবুল আহমেদ জানান, মানুষ দেখে খুশি হয় আমাদেরও ভালো লাগে। কিন্তু জমিতে ঢুকে পড়লে জমির ফসল নষ্ট হয়। সব সময় দাঁড়িয়ে থেকে দেখা সম্ভব হয় না। তাই গাছ ভাঙ্গলে বা ফুল ছিড়লে দুই হাজার টাকা জরিমানা ও বিনা অনুমতিতে প্রবেশে এক হাজার টাকা। এখন কেউ আর জিজ্ঞেস না করে ঢুকে না।

তিনি আরও বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বীজ দিয়েছিলো। আমরা সেগুলো ছিটিয়ে দিয়ে যত্ন নিয়েছিলাম। এতে প্রতি কাঠায় আমরা আট লিটার তেল পেয়েছি। এটি একটি লাভজনক ফসল বলেও দাবি করেন তিনি। তাই এবছর আরো পাঁচ কাঠা জমি বাড়িয়ে চাষ করেছেন। আগামীতে আরও বাড়তে পারে জমির পরিমাণ।  মাত্র আড়াই মাসে ফলন হওয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এ ফুলের চাষ।

এসি/ আই.কে.জে


সূর্যমুখী চাষ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250