বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** জাতিসংঘে প্রথম দিনে ১০ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী, পেলেন ৩ দেশ সফরের আমন্ত্রণ *** ট্রাম্পের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান *** তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় *** খলিলুর রহমান ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতবিনিময় *** নেত্রকোনায় নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, মাদ্রাসাশিক্ষককে অব্যাহতি *** রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার প্রস্তাব ইউক্রেনের জেলেনস্কির *** আমার নিষ্পাপ শিশুকে অপরাধী বানাতে চাইলে মেনে নেব না: অপ্রতিমের মা *** কওমি মাদ্রাসায় নির্যাতন ঠেকাতে সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইন চালুসহ যেসব নির্দেশনা *** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী *** জামায়াতকে ‘লংমার্চ’ স্থগিতের অনুরোধ শাহবাজের, দিলেন যে প্রস্তাব

কুষ্টিয়ায় পীর হত্যার হুকুমের আসামি জামায়াত নেতা, চার দিন পরও কোনো গ্রেপ্তার নেই

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৫২ অপরাহ্ন, ১৫ই এপ্রিল ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান শামীম হত্যায় চার দিনেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ঘটনায় আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলছে।

গত সোমবার রাতে নিহত ব্যক্তির বড় ভাই ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এ হত্যা মামলা করেন। এতে প্রধান ও হুকুমের আসামি করা হয়েছে স্থানীয় জামায়াতের নেতা মুহাম্মদ খাজা আহমেদকে (৩৮)।

তিনি কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য। তার বাড়ি ফিলিপনগর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে; বাবার নাম কালাম দফাদার।

মামলার এজাহারে চারজনের নাম ও পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য তিনজন হলেন দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ (বিশ্বাসপাড়া) গ্রামের মৃত এরশাদ আলীর ছেলে মো. আসাদুজ্জামান (৩৫)। তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দৌলতপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি।

৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে পশ্চিম–দক্ষিণ ফিলিপনগর দারোগার মোড় এলাকার গাজী মিস্ত্রীর ছেলে রাজীব মিস্ত্রী (৪৫)।

৪ নম্বর আসামি হলেন ইসলামপুর (পূর্ব পাড়া) গ্রামের বাসিন্দা মো. শিহাব। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে।

এর আগে সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে থানা-পুলিশ মৌখিকভাবে জানিয়েছিল, মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি একজন।

মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন দৌলতপুর থানার পরিদর্শক শেখ মো. আলী মর্তুজা। এ বিষয়ে আজ বুধবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘মামলার কোনো আসামি গ্রেপ্তার নেই। আশা করা যাচ্ছে, গ্রেপ্তার হয়ে যাবে। অভিযান চলছে।’

মামলার এজাহারে ফজলুর রহমান উল্লেখ করেছেন, তার ছোট ভাই মো. আবদুর রহমানের (৫৭) ফিলিপনগরে নিজ বাড়িতে দরবার শরিফ আছে। শনিবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে তার ভাই বাড়িতে অবস্থিত দরবারে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ১ নম্বর আসামি মুহাম্মদ খাজা আহমেদের হুকুমে এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জন আসামি একযোগে সংঘবদ্ধ হয়ে হাতে লোহার রড, হাঁসুয়া, দা, ছুরি, কুড়াল, বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম নিয়ে দরবার শরিফে অনধিকার প্রবেশ করেন। দরবারের দরজা-জানালা ভাঙচুর করেন। রাজীবসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা দরবার শরিফের দ্বিতীয় তলায় প্রবেশ করে জোবায়ের (৩১) নামের একজনকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এরপর আসামি রাজীব মিস্ত্রি লোহার রড দিয়ে আবদুর রহমানের কোমর বরাবর এবং হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, অজ্ঞাতনামা আসামিরা আবদুর রহমানকে এলোপাতাড়িভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার ওপর, ডান চোয়ালের কাছে, ঠোঁটের মধ্যে, থুঁতনিতে, পিঠের বাঁ পাশে ও ডান পায়ের হাঁটুর পেছনে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন এবং বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করেন। আবদুর রহমানের চিৎকারে দরবার শরিফের পরিচারিকা জামিরন দৌড়ে যান। ৩ নম্বর আসামি আসাদুজ্জামান তাকেও হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারতে গেলে কোপটি বাঁ হাত দিয়ে ঠেকালে বাঁ হাতের কবজির ওপরের অংশের মাংস কেটে তিনি রক্তাক্ত জখম হন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা দরবার শরিফ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেন। অজ্ঞাতনামা আসামিরা আবদুর রহমানের দরবার শরিফে থাকা স্টিলের আলমারি ভেঙে ৫ লাখ টাকা ও ৪ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করেন।

এ ব্যাপারে জানতে জামায়াত নেতা মুহাম্মদ খাজা আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

হত্যার ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে দৌলতপুর উপজেলা জামায়াত গণমাধ্যমে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠায়। দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দীন ও সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল নোমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিলিপনগরের ঘটনা কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ নয়। এমনকি ঘটনার সঙ্গে জড়িত কেউই রাজনৈতিক দলের নেতা বা কর্মী নন। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আকস্মিকভাবে ঘটেছে।

এটি রাজনৈতিক কোনো পরিকল্পনার অংশ নয়। তবু বিষয়টি একটি রাজনৈতিক মহলের ইন্ধনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতা বা কর্মী জড়িত নেই। বিজ্ঞপ্তিতে সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘে প্রথম দিনে ১০ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী, পেলেন ৩ দেশ সফরের আমন্ত্রণ

🕒 প্রকাশ: ০২:৩২ অপরাহ্ন, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

ট্রাম্পের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

🕒 প্রকাশ: ০২:০২ অপরাহ্ন, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয়

🕒 প্রকাশ: ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

খলিলুর রহমান ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতবিনিময়

🕒 প্রকাশ: ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেত্রকোনায় নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, মাদ্রাসাশিক্ষককে অব্যাহতি

🕒 প্রকাশ: ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250