সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৬ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে যেভাবে ছড়াল আগুন *** আশুলিয়ায় কাভার্ড ভ্যান থেকে ৬ লাশ উদ্ধার *** জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রথম স্ত্রীসহ থানায় এমপি নজরুল *** সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা *** কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন *** শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, পল্লবীতে বাসে আগুন *** ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরার এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার *** সমালোচনার মুখে হাফেজদের উপহার দেওয়া সেই বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী *** অপ্রতিমের মা ড. নাহিদার চব্বিশের সেই ফেসবুক পোস্ট কেন আলোচনায়, কী লিখেছিলেন তিনি *** পাকিস্তান কি সৌদি আরবকে রক্ষা করতে যুদ্ধে জড়াবে

কোন প্রাণী ঘুমায় না?

ডেস্ক নিউজ

🕒 প্রকাশ: ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, ৪ঠা আগস্ট ২০২৩

#

প্রতীকী ছবি

ঘুমাতে কে না ভালোবাসে? ছুটির দিনে কিংবা অবসর মিললেই ঘণ্টা দুয়েক বেশি ঘুমান অনেকে। কাজের চাপে বা ক্লান্তিতে প্রায়ই দু চোখ জড়িয়ে আসে। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, এমন একটি প্রাণী রয়েছে যে কখনোই ঘুমায় না? 

এই প্রাণীটি কিন্তু আমাদের সবার চেনা। হ্যাঁ, কখনো ঘুমায় না যে প্রাণীটি সেটি পিঁপড়া। বিশ্বের একমাত্র প্রাণী এটি যারা কখনো ঘুমায় না। 

পিঁপড়ার সারাদিন কাটে ব্যস্ততা আর ছোটাছুটিতে। হাজার কাজ আর পরিশ্রমে সময় কাটে তাদের। তবুও তাদের ঘুম নেই। তাই বলে বলে পিঁপড়া বিশ্রাম নেয় না এমনটা নয়। দিনে প্রায় ২৫০ বার বিশ্রাম নেয় তার। এক একবার বিশ্রামের মেয়াদ ১ মিনিট। 

এখন প্রশ্ন জাগতে পারে পিঁপড়া কেন ঘুমায় না? আসলে পিঁপড়ের চোখের পাতা নেই। তাই তারা চোখ বন্ধ করতে পারে না। তবে পাতা না থাকায় তাদের দেখতে কোনো সমস্যা হয় না। অধিকাংশ পিঁপড়ের দুটি চোখ থাকে, এতে কয়েকটি লেন্স থাকে যার সাহায্যে এরা খুব ভালো দেখতে পায়। 

মানুষ ঘুমের জন্য একসঙ্গে ৬/৭ ঘণ্টা ব্যয় করেন। আর পিঁপড়ার ঘুম লুকিয়ে থাকে গভীর বিশ্রামে। পুরো দিনে ২৫০বার বিশ্রাম নেওয়ার মানে প্রায় ৪ ঘণ্টার ঘুম। বিশ্রামের সময় পিঁপড়ার ম্যান্ডিবল ও অ্যান্টেনার সঞ্চালন কমে যায়। তাই এই দশাকে গভীর বিশ্রাম দশা বলে।

পিঁপড়ার শরীরে একটি ফুসফুস থাকে। এর মাধ্যমে অক্সিজেন শরীরে প্রবেশ করে গোটা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাদের শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়াটি আমাদের থেকে একেবারেই ভিন্ন। পিঁপড়ার শরীরে অসংখ্য ছিদ্র রয়েছে। এই ছিদ্রগুলো সংযোগ করেছে নালি বা টিউব। শরীরে অক্সিজেন প্রবেশ করার পর এই নালির মাধ্যমে পুরো শরীরে অক্সিজেন ছড়িয়ে পড়ে।

এছাড়া পিঁপড়ার হাঁটু ও পায়ে আছে এক বিশেষ ধরণের সেনসিং ভাইব্রেশন। এর মাধ্যমে তারা আশপাশের পরিস্থিতি বুঝতে পারে। বিপদ আগে থাকতেই আঁচ করতে পারে। বিপদ টের পেলে এক বিশেষ ধরণের কেমিক্যাল সিগন্যাল দেয়। খাবারের সন্ধান পেলে পিঁপড়া এক বিশেষ কেমিক্যাল ফেরোমোন নির্গত করে সঙ্গীদের সংকেত দেয়। পোকামাকড়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় মস্তিষ্কের অধিকারী হলো পিঁপড়া। 

ওআ/

ঘুম প্রাণী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250