ছবি: সংগৃহীত
খাদ্যশস্য উৎপাদন কমে গিয়েছে পাকিস্তানে। এদিকে তরতরিয়ে বাড়ছে গাধার সংখ্যা। পাকিস্তানে হঠাৎ এমন দৃশ্য কেন, জানলে অনেকেই অবাক হবেন।
এমনিতে বড়সড় আর্থিক সঙ্কটে রয়েছে পাকিস্তান। খাদ্যশস্যের উৎপাদন সেই দেশে একেবারেই তলানিতে। কিন্তু একটি উৎপাদন তরতরিয়ে বাড়ছে পাকিস্তানে। দেশের ইকোনমিক সার্ভেতে ধরা পড়েছে সেই তথ্য।
দেখা গিয়েছে পাকিস্তানে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সারা দেশে গাধার সংখ্যা ছিল ৫.৮ মিলিয়ন অর্থাৎ ৫৮ লাখ। যা তার আগের বছর ৫৭ লাখ ছিল। তারও আগের বছর অর্থাৎ ২০২০-২১ সালে এই সংখ্যা ছিল ৫৬ লাখ। তবে হঠাৎ গাধা নিয়ে এত সিরিয়াস কেন পাকিস্তান, সেটাই ভাবছেন তো? আসলে প্রতিবেশী চীনেরই গাধার দরকার। তাদের জোগান দিতেই পাকিস্তান গাধা ‘উৎপাদন’ ও প্রতিপালনে বিশেষ মন দিয়েছে।
সারা পৃথিবীতে যে পরিমাণ গাধা উৎপাদন হয়, তাতে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। এদিকে প্রথম স্থান দখল করে রয়েছে চীন। কিন্তু সম্প্রতি দেশের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারছে না চীন। যে সংখ্যায় গাধা দরকার, সেই সংখ্যায় গাধা উৎপাদনই হচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে পাকিস্তানের থেকে আমদানির কথা ভেবেছিল চীন। সেই সুযোগই লুফে নেয় পাকিস্তান।
মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, এত গাধা দিয়ে চীন কী করবে? এর জন্য ফিরে দেখতে হবে ২০১৯ সালে সংবাদ মাধ্যম গার্ডিয়ানের একটি প্রতিবেদন। সেখান থেকেই জানা যায় গাধার ব্যবহার। একটি গাধার ত্বকের মধ্যে জিলেটিন থাকে। ওই জিলেটিন ওষুধ তৈরির কাজে লাগে। চিনেও ঠিক সেই কাজটিই করা হয়। গাধাকে হত্যা করে তার ত্বক শরীর থেকে আলাদা করা হয়। এরপর সেই ত্বক ভালো করে ফুটিয়ে বের করা হয় জিলেটিন।
আরো পড়ুন: লাস ভেগাসে রাতের আকাশে ৮ ফুট লম্বা এলিয়েন!
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।
এম এইচ ডি/আইকেজে