বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতে বঞ্চনার শিকার মুসলিমরা *** সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছরের বেশি থাকা ঠিক না: প্রধান উপদেষ্টা *** আড়াই মাস চেষ্টা করেও আল জাজিরা তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নিতে পারেনি *** মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে *** অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’ *** ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সংকেত বুঝতে পারছে না সরকার *** ‘আমি কিন্তু আমলা, আপনি সুবিচার করেননি’ *** প্রধান উপদেষ্টার কাছে অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি *** ভারত-ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি *** ‘গ্রিনল্যান্ড: মার্কিন হুমকি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়’

ভারতে ট্রেন দুর্ঘটনা

রক্তে ভেজা লাশের পাশে কবিতার খাতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:৪১ অপরাহ্ন, ৩রা জুন ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

 ‘অল্প অল্প মেঘ থেকে হালকা হালকা বৃষ্টি হয়, ছোট্ট ছোট্ট গল্প থেকে ভালোবাসা সৃষ্টি হয়....’ কবিতাটি কে লিখেছেন, কার জন্য লিখেছেন তা কেউ এখনও জানে না। তা জানার উপায়ও নেই।

ওডিশার বালেশ্বরের বাহাঙ্গাবাজার এলাকায় ভয়াবহ দুর্ঘটনার স্থলে চাপ চাপ রক্ত, রক্তমাখা দেহের স্তূপ, এ দিক-ও দিক ছড়িয়ে ছেঁড়া জামাকাপড়, খাবার, ব্যাগপত্র, বাচ্চাদের খেলনার মাঝে পাওয়া গিয়েছে একটি কবিতার খাতা। তাতেই লেখা এই কবিতা। কাচা হাতে, সুন্দর করে নকশার কারসাজিও রয়েছে কবিতার লাইনের মাঝেমাঝে। 

পাতা ওলটাতেই চোখে পড়ে আরও একটি কবিতা। যেখানে লেখা-

ভালোবাসা এই মন তোকে চায়, সারাক্ষণ,

আছিস তুই মনের মাঝে,

পাশে থাকিস সকাল সাঁঝে।

কী করে তোকে ভুলবে এই মন,

তুই যে আমার জীবন...

আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাতাটির মালিক কে এবং দুর্ঘটনায় হতাহতদের তিনি আছেন কি-না তা এখনো জানা যায়নি। তবে কবিতাগুলো যে প্রিয় কারও জন্য লেখা তা বোঝা যায় স্পষ্ট। কিন্তু যার উদ্দেশে কবিতাগুলো লেখা হয়েছে তার কাছে কি খাতাটি কখনো পৌঁছাবে কিনা সে প্রশ্ন রয়েই যায়।

ভয়াবহ এ ট্রেন দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২৮৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৮৫০ জনেরও বেশি। তথ্য বলছে, শুক্রবারের এ দুর্ঘটনা দেশটির ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দুর্ঘটনা।

ভারতীয় রেল মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অমিতাভ শর্মা এনডিটিভিকে বলেন, ‘কলকাতাগামী বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস ট্রেনটি বাহাঙ্গাবাজার এলাকায় লাইনচ্যুত হয়ে পড়েছিল। চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই এলাকা পেরিয়ে যাওয়ার সময় লাইনচ্যুত ট্রেনের বগির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে। করমন্ডল এক্সপ্রেসের কয়েকটি বগি ঘটনাস্থলে একটি মালবাহী ট্রেনের বগির ওপরও আছড়ে পড়ে।’

আরো পড়ুন: ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের ৫০ হাজার মার্কিন ডলার দেবে বাংলাদেশ

ওডিশা ফায়ার সার্ভিসের প্রধান সুধাংশু সারঙ্গি উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন। বালেশ্বর ও আশপাশের মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালকে সতর্ক করা হয়েছে। আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারে কাজ করছেন। এ ছাড়া ঘটনাস্থলে কাজ করছে ৬০টি অ্যাম্বুলেন্স।

এম/


Important Urgent

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250