বৃহস্পতিবার, ১৯শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার *** স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরেই: মির্জা ফখরুল *** গুম, খুনের শিকার পরিবারে ‘ঈদ উপহার’ পাঠাচ্ছেন তারেক রহমান *** সহশিল্পীদের চোখে অভিনেতা শামস সুমন *** স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক ইভেন্টে ‘ইন্টারেস্টেড’ ক্লিকে বরখাস্ত হলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা *** হরমুজ প্রণালি বন্ধ, চা–সমুচা–দোসার রসনাবঞ্চিত ভারতীয়রা *** ক্ষমা চেয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, দিয়েছেন ‘অপ্রয়োজনীয়’ কথা আর না বলার প্রতিশ্রুতি *** ঈদের দিন যমুনায় কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী *** আইজিপির বাগেরহাটের বাসভবনে চুরির খবরটি ভিত্তিহীন: জেলা পুলিশ *** ড. ইউনূসের চেয়ে বড় বাটপার বাংলাদেশের সরকারে কেউ আসেননি: আনিস আলমগীর

হনুমানটি ক্ষুধা পেলেই হোটেল-রেস্টুরেন্ট চলে যায়

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, ২১শে ডিসেম্বর ২০২৩

#

ছবি-সংগৃহীত

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা সদরে দুপুর হলেই বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে খাবার খেতে চলে যাচ্ছে একটি হনুমান। ইতোমধ্যে খাবার খাওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, বেশ কয়েক দিন ধরে জাজিরার বিভিন্ন এলাকায় হনুমানটিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। মাঝে মধ্যে হনুমানটিকে খাবার কিনে দিতেন কেউ কেউ। তবে কোথা থেকে হনুমানটি এসেছে সেটি এখনো অজানা।

শুক্রবার (১৫ই ডিসেম্বর) টিঅ্যান্ডটি মোড়ে ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘোরাঘুরি করতে থাকে হনুমানটি। হঠাৎ সড়কের পাশে থাকা রুনা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে ঢুকে পড়ে হনুমানটি। হনুমানটি খাবার টেবিলে বসে যায়, আকার ইঙ্গিতে খাবার চায়। পরে হোটেল কর্মচারী রুটি ও সবজির প্লেট দিলে খেতে শুরু করে হনুমানটি। পাঁচ মিনিট টেবিলে বসে পুরো খাবার শেষ করে চলে যায়। এরপর থেকে প্রায়ই হনুমানটি হোটেলে এসে খাবার খেয়ে বের হয়ে যায়।

হোটেল মালিক সামাদ বেপারী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হনুমানটি কয়েকদিন ধরেই আমাদের এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেদিন হঠাৎ করে আমার হোটেলে ঢুকে খাবার টেবিলে বসে পড়ে। আমি বুঝতে পেরেছিলাম হনুমানটি ক্ষুধার্ত। পরে আমার দোকানের কর্মচারীকে দিয়ে ভাত-সবজি খেতে দেই। খাবার শেষ করে আবার চলে যায় হনুমানটি।

আরো পড়ুন: ডাইনোসরের ডিমকে দেবতা ভেবে পূজা করছিল গ্রামবাসী!

জাজিরা পৌরসভার মেয়র ইদ্রিস মাদবর গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের অঞ্চলে আগে কখনো হনুমানের দেখা মেলেনি। হনুমানটি কোথা থেকে এসেছে, তা বুঝতে পারছি না। শুনেছি এটি কারও কোনো ক্ষতি করছে না। আমরাও নজর রাখছি কেউ যাতে হনুমানের কোনো ক্ষতি করতে না পারে। আর চেষ্টা করব পৌরসভা থেকে হনুমানটির জন্য খাবার সরবরাহ করতে।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম লুনা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমরা হনুমানটির বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি। প্রাণিটি যেন লোকজনের ক্ষতি বা বিরক্তির কারণ না হয় সে বিষয়ে বনবিভাগের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসি/


হনুমান হোটেল-রেস্টুরেন্ট

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250