শনিবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** তেহরানের বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার পরামর্শ *** মোহন রায়হানকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হবে ২রা মার্চ *** দুই মাসের মধ্যে প্রথম আলোতে অগ্নিসংযোগের তদন্ত শেষের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর *** ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট বন্ধ *** আত্মসমর্পণ করুন, নইলে মৃত্যু নিশ্চিত: ইরানি কর্মকর্তাদের ট্রাম্প *** খামেনি এখন কোথায়, কেন তিনি সম্ভাব্য লক্ষ্য *** যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চরমভাবে বৈষম্যমূলক: সিপিডি *** ঈদ যাত্রা স্বস্তির ও নিরাপদ হবে: নৌপরিবহনমন্ত্রী *** জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী *** মধ্যরাত থেকে পদ্মা-মেঘনায় ২ মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ

চীন-রাশিয়ার ঋণের চাপে বাংলাদেশ, রিজার্ভ নিয়ে বাড়তি দুশ্চিন্তা

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, ২০শে আগস্ট ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প বা মেগা প্রকল্পে চীন, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধের সময় ঘনিয়ে আসায় বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই চাপ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে চলমান দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে তুলছে।

সরকারি কর্মকর্তাদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের ঋণে তৈরি বড় দুটি প্রকল্প কর্ণফুলী টানেল ও পদ্মা সেতুর রেল সংযোগে ঋণের কিস্তি বাংলাদেশকে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দেওয়া শুরু করতে হবে। 

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই প্রকল্পের জন্য রাশিয়ার কাছ থেকে নেওয়া ১ হাজার ১৮৮ কোটি ডলারের ঋণ চলতি বছরের শুরু থেকেই পরিশোধ শুরু হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে এই ঋণের কিস্তির কিছু অর্থ এসক্রো অ্যাকাউন্টে আটকে আছে। এসক্রো অ্যাকাউন্ট হলো দুই পক্ষের মধ্যে লেনদেন নিষ্পত্তিতে আইনিভাবে নিয়োজিত কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে খোলা হিসাব।

২০১৫ সালে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পর বাংলাদেশ যেসব ঋণ নিয়েছে সেগুলো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বেশি চাপ সৃষ্টি করেছে। ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন বা মান কমে যাওয়াও পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। এক্ষেত্রে এশিয়ায় সবচেয়ে বাজে পরিস্থিতিতে পড়া শ্রীলঙ্কা বা পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অনেক স্বস্তিদায়ক হলেও রিজার্ভ নিয়ে টানাটানি কমছে না।

এই পরিস্থিতি যথাযথভাবে মোকাবিলা না করতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মোস্তফা কামাল মুজেরী। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতির যথাযথ ব্যবস্থাপনা না হলে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি অস্থিতিশীল হতে পারে।’ 

সব মিলে বাংলাদেশের ঋণের বোঝা বেড়েই চলেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৭ হাজার ৬৪৫ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণ বেড়ে পরের অর্থবছরে ৮ হাজার ৫২৪ কোটি ডলারে দাঁড়াবে। তবে এই ঋণ বাংলাদেশের জন্য খুব বেশি শঙ্কার নয় বলে মনে করেন অধ্যাপক মিজানুর রহমানের। তাঁর মতে, বাংলাদেশের জিডিপির তুলনায় বৈদেশিক ঋণ খুব বেশি নয়। 

আর.এইচ

বাংলাদেশ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250