শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** শূকর জবাইয়ে সহায়তা চেয়ে পোস্ট তরুণীর, পরদিনই হাজারো মানুষের ঢল *** ১১ দলীয় জোটে আদর্শের কোনো মিল নেই: মাসুদ কামাল *** খালেদা জিয়া সত্যিকার অর্থেই মানুষ ও দেশের নেত্রী হয়ে উঠেছিলেন: নূরুল কবীর *** দুই দশক পর ২৬ জানুয়ারি বরিশালে আসছেন তারেক রহমান *** তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির ভার্চুয়াল বৈঠক *** যারা হ্যাঁ ভোটের সমালোচনা করছেন, তাদের জানার পরিধি সীমিত: শফিকুল আলম *** যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ পেলেন ওসমান হাদির ভাই ওমর *** নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘এনপিএ’র আত্মপ্রকাশ *** এককভাবে নির্বাচন করবে ইসলামী আন্দোলন *** অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার আরো ৪২৪

খালেদা জিয়া জীবিত থাকলে আমাকে বহিষ্কার করা সম্ভব হতো না: রুমিন ফারহানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, ৭ই জানুয়ারী ২০২৬

#

ফাইল ছবি

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আজকে বাংলাদেশে যে আরেকটা গণতান্ত্রিক পরিবর্তন হতে যাচ্ছে তার পেছনে জীবন দিয়ে ভূমিকা রেখেছেন খালেদা জিয়া। তিনি আমাকে রাজনীতিতে এনেছেন। তিনি জীবিত থাকাকালে বিএনপি থেকে আমার বিরুদ্ধে কোনো বহিষ্কারের আদেশ আসেনি। এই আদেশ এসেছে তার মৃত্যুর পর।

তিনি বলেন, আজকে যদি খালেদা জিয়া জীবিত থাকতেন, অনেক কিছুই হয়তো অন্যরকম হতো। সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেলের টক শো প্রোগ্রামে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে বিশেষ করে গত ১৫ বছরে টেলিভিশন টক শো, সংসদ ও নির্বাচনী এলাকায় ধারাবাহিকভাবে বিএনপি, দেশ ও মানুষের পক্ষে কথা বলে এসেছি। বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল; সেখানে নানা ধরনের হিসাব-নিকাশ থাকা স্বাভাবিক। দীর্ঘদিন পর দেশে একটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে এবং সে কারণে বিএনপি কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট ও আসন সমঝোতায় গেছে। বিএনপির হাতেও হয়তো খুব বেশি অপশন ছিল না।

তিনি আরো বলেন, আমি দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১৭ সাল থেকে সংশ্লিষ্ট আসনে কাজ করে আসছি। বিশেষ করে উকিল আব্দুল সাত্তার নৌকা মার্কায় চলে যাওয়ার পর দল থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল, ওই আসনটি আমাকে দেওয়া হবে এবং সেখানেই আমাকে কাজ করতে হবে। নির্বাচন সামনে আসার পর হঠাৎ করেই দলীয় হাইকমান্ড থেকে জানানো হয়, অন্য একটি দলের সঙ্গে জোট করা হচ্ছে। তবে এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে কিছু জানানো হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে, কিন্তু এলাকার মানুষের প্রতি আমার যে অঙ্গীকার, তা আমি উপেক্ষা করতে পারি না। সে কারণেই আমি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমার এলাকার মানুষের স্পষ্ট দাবি ছিল, এবার যেন জোটের কোনো প্রার্থী না দেওয়া হয় এবং ধানের শীষের প্রার্থী আসে। কারণ ২০০১ সালের পর থেকে এ আসনে ধানের শীষের কোনো প্রার্থী ছিল না। ২০১৮ সালে উকিল আব্দুল সাত্তার ধানের শীষে নির্বাচিত হলেও তিনি সংসদে মাত্র একদিন উপস্থিত ছিলেন।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান সময়ে মানুষকে আর অন্ধকারে রাখা সম্ভব নয়। কে মাঠে আছেন, কে নেই, কে দুঃসময়ে ফোন ধরেন আর কে নিরাপদ দূরত্বে থাকেন, সবকিছুই এখন মানুষের চোখের সামনে। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনই তার দাফনের আগেই বিএনপির নয়জন নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনা মানুষ ভালোভাবে নেয়নি।’

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা জানান, এটি তিনি এককভাবে নেননি। তার এলাকার ১৯টি ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে, তাদের মতামত নিয়েই তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

তিনি বলেন, ‘এলাকার মানুষের সঙ্গে যে প্রতিশ্রুতি ও দায়বদ্ধতা রয়েছে, সেটাই আমার কাছে মুখ্য।’ তিনি জানান, নির্বাচন করার আগে তিনি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, দলীয় ও বেসরকারি পেশাদার প্রতিষ্ঠানের করা ৮ থেকে ৯টি জরিপ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করেছেন। এসব জরিপের ভিত্তিতেই তিনি ‘হাঁস’ মার্কায় নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রুমিন ফারহানা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250