মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘শেখ হাসিনা কেন এখনো এনডিটিভির চোখে প্রধানমন্ত্রী’ *** গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত পুলিশের ব্যবস্থা দেখে *** এত কিছুর পরেও গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ থাকে কীভাবে: টিআইবি *** ঋণ পরিশোধ না করায় মেসির নতুন ক্লাবের শেয়ার জব্দ *** লঞ্চভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব *** বর্তমান সরকারের জন্য এয়ারবাস হলো ‘পরীক্ষা’: ফরাসি রাষ্ট্রদূত *** আসাদ আলম সিয়ামকে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার করার সিদ্ধান্তে সম্মতি ভারতের *** কুড়িগ্রামে সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ, পরে বিতরণ শুরু *** রিমান্ডে গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, আদালতকে জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা *** সৌদির অনুরোধে হুতিদের বিরুদ্ধে হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ট্রাম্প, সরে দাঁড়ান শেষ মুহূর্তে

জামায়াতের অতীত অবস্থান সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৩:০৩ অপরাহ্ন, ৬ই ডিসেম্বর ২০২৫

#

ফাইল ছবি

সংখ্যালঘু রাজনীতি জামায়াতে ইসলামীর কাছে ব্যবহারযোগ্য প্যাকেজ হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উপস্থাপক জিল্লুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘হঠাৎ করে বহুত্ববাদ আর সংখ্যালঘু রাজনীতি তাদের (জামায়াত) কাছে একটা ব্যবহারযোগ্য প্যাকেজ হয়ে উঠেছে। জামায়াতের সাংগঠনিক নীতিতে প্রার্থী হওয়ার জন্য রুকন হওয়া লাগে। কিন্তু ইসলাম ধর্মাবলম্বী নন, এমন একজনকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বোঝা যাচ্ছে, দলের ভেতরে বাস্তবতার চাঁদ আদর্শের ওপর চেপে বসেছে।’ 

খুলনা-১ (দাকোপ-বাটিয়াঘাটা) আসনে ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতের হিন্দু কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ নন্দীকে তাদের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জামায়াতের রাজনীতির নানা ‍দিক তুলে ধরে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন জিল্লুর রহমান। 

জিল্লুর রহমান বলেন, ‘জামায়াত নেতারা স্বীকার করেছেন—কিছু এলাকায় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়েছে। অর্থাৎ এটি একদিনের চমক নয়, দীর্ঘদিনের একটি কৌশল। তবে এই কৌশল কতটা টিকবে তা নির্ভর করবে ভোটারদের সংবেদনশীলতার ওপর।’

তিনি আরো বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মীয় পরিচয়কে নিজেদের প্রার্থিতার গায়ে লাগিয়ে নেওয়ার একটা চেষ্টা জামায়াত করছে। কৃষ্ণ নন্দী নিজেও  হঠাৎ আবির্ভূত চরিত্র নন, স্থানীয় ব্যবসায়ী। আগে আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ নারায়ণচন্দ্র চন্দের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন। ২০০৭ সালের পর জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে নেতাকর্মীদের সংকটের সময় পাশে থাকার দাবি করছেন। এই পুরো প্রোফাইলটা খুবই সচেতনভাবে তৈরি করা। নতুন মুখ কিন্তু অচেনা নন।’

জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সব মিলিয়ে তিনি এক ধরনের ব্রিজ ফিগার। প্রশ্ন হলো এই ব্রিজ আসলে কার কার মধ্যে? হিন্দু ভোটার আর জামায়াতের মধ্যে নাকি জামায়াতের অতীত ইমেজ আর ভবিষ্যৎ ক্ষমতার দর কষাকষির জায়গার মধ্যে?’ 

তিনি বলেন, ‘জামায়াতের ইতিহাস দেখলে প্রথম প্রশ্নের উত্তর তত সহজ হয় না। জামায়াতের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ভূমিকা, এর আগে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এবং সংখ্যালঘু নির্যাতন প্রশ্নে অতীতের অবস্থান সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি।’

জিল্লুর রহমান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250