শনিবার, ১০ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৪শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘মব–সংস্কৃতি: ক্ষোভের প্রকাশ, নাকি সংগঠিত সন্ত্রাস’ *** দিল্লিতে আজ গণজমায়েতের ডাক ককরোচদের, পুলিশ মোতায়েন ও ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ সরকারের *** তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা আজ বনানীতে, দাফন মিরপুরে *** নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার ক্ষোভেই কী আইসিসির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিল ট্রাম্প প্রশাসন *** গোলাম পরওয়ারের ৭০০ রিকশা, মিল্টনের বক্তব্যের নিন্দা জানাল জামায়াত *** ‘ডিআইজি’ পরিচয়ে বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার, পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত *** চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে চুক্তিকে ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলা অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী *** নোবেল শান্তি পুরস্কারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা *** মোটরসাইকেলে এসে এলোপাতাড়ি গুলি, বিকাশ এজেন্টের ‘৩ কোটি’ টাকা ছিনতাই *** মানসিক অসুস্থতা ঘিরে ভয়, লজ্জা ও কুসংস্কার দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সুখবর এক্সপ্লেইনার

নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার ক্ষোভেই কী আইসিসির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিল ট্রাম্প প্রশাসন

জেবিন শান্তনু

🕒 প্রকাশ: ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার সময়, এর কয়েক ঘণ্টা আগে দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন, বিশ্বে সংঘাত বন্ধে তার ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার তার প্রাপ্য। কিন্তু ৯ অক্টোবর পুরস্কারটি পেয়েছেন আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করা পিল্লাই। একই দিনে ট্রাম্প প্রশাসন আইসিসির বিরুদ্ধে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে।

ঘটনা দুটি একই দিনে ঘটায় প্রশ্ন উঠেছে, নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার ক্ষোভ কি আইসিসির বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থানকে আরও উসকে দিয়েছে? তবে পুরস্কার না পাওয়াই নিষেধাজ্ঞার সরাসরি কারণ—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো প্রমাণ এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। বরং আইসিসির এখতিয়ার, ইসরায়েলি নেতাদের বিরুদ্ধে আদালতের পদক্ষেপ এবং মার্কিন নাগরিকদের বিচারের আওতায় আনার আশঙ্কা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের দীর্ঘদিনের বিরোধের প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার, ৯ অক্টোবর এক বিবৃতিতে আইসিসিকে ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া আদালত’ হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, আদালতটি তার কার্যক্রমের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের জন্য হুমকি তৈরি করছে। রুবিওর হুঁশিয়ারি, ‘হয় আইসিসি তাদের হুমকি বন্ধ করবে, নয়তো আমরা আইসিসির কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধের ব্যবস্থা করব।’

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষণায় আদালতটির সঙ্গে লেনদেন নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। তবে কিছু কার্যক্রমের জন্য ১৮০ দিনের ছাড় থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তাৎপর্য বুঝতে হলে আইসিসির সঙ্গে ওয়াশিংটনের বিরোধের ইতিহাস দেখতে হবে। নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আদালতটি ২০০২ সালে কার্যক্রম শুরু করে। গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং আগ্রাসনের অপরাধের বিচার করা এর দায়িত্ব। যুক্তরাষ্ট্র আদালতটির সদস্য নয়। ওয়াশিংটনের যুক্তি, মার্কিন নাগরিক ও সামরিক সদস্যদের ওপর আদালতের এখতিয়ার প্রয়োগ করা উচিত নয়। অন্যদিকে, আদালতের কার্যক্রমের সমর্থকদের বক্তব্য, আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক ক্ষমতা বা রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে আইনের প্রয়োগ প্রয়োজন।

বার্তা সংস্থা এএফপি ৯ অক্টোবরের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আইসিসির বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযান নতুন নয়। এর আগে আদালতের কয়েকজন বিচারক ও কৌঁসুলির বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পদক্ষেপের লক্ষ্য এবার আদালতটির প্রতিষ্ঠানগত কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস একই দিনের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় আদালতের সঙ্গে লেনদেন এবং মার্কিন আর্থিক ও প্রযুক্তিগত পরিষেবা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে আদালতের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, অর্থপ্রবাহ ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো পরিচালনায় চাপ তৈরি হতে পারে।

এই বিরোধের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হলো ইসরায়েল। ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর আইসিসি গাজা যুদ্ধের ঘটনায় কথিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। ইসরায়েল অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন আদালতের এ ধরনের পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে। ৯ অক্টোবর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। এই প্রতিক্রিয়া দেখায়, আইসিসিকে ঘিরে বিরোধ কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতার সঙ্গেও তা জড়িয়ে আছে।

একই দিনে নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া ঘটনাটিও এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ। ৮৫ বছর বয়সী পিল্লাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং জাতিসংঘের মানবাধিকারব্যবস্থায় কাজ করেছেন। তিনি রুয়ান্ডার গণহত্যার বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন এবং জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গাজা নিয়ে জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশনের নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। ওই কমিশনের গণহত্যাসংক্রান্ত অভিযোগ ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করেছে। নোবেল কমিটি পিল্লাইকে আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়।

আল জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরস্কার ঘোষণার পর পিল্লাই আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের ওপর ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক চাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার বক্তব্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর হামলা এই সংকটের একটি দৃশ্যমান উদাহরণ। অর্থাৎ, যে সময়ে যুক্তরাষ্ট্র আদালতটির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করছে, সে সময়ই নোবেল কমিটি এমন একজন আইনজ্ঞকে সম্মানিত করেছে, যার কর্মজীবনের একটি বড় অংশ আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত। এ থেকে রাজনৈতিকভাবে পরস্পরবিরোধী দুটি দৃষ্টিভঙ্গির সংঘাত স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ট্রাম্পের নোবেল পুরস্কার নিয়ে প্রকাশ্য ক্ষোভের ইতিহাসও এই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২০১৮ সালের ৯ মে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, সবাই মনে করেন তিনি নোবেল পুরস্কারের যোগ্য, যদিও তিনি নিজে তা বলবেন না। ২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি আরও বলেন, ন্যায্যভাবে পুরস্কার দেওয়া হলে তিনি অনেক কারণে নোবেল পুরস্কার পেতে পারেন। সে সময় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নোবেল পাওয়ার বিষয়টি টেনে ট্রাম্প পুরস্কার নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন।

২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকেরা জিম্মি মুক্তির চুক্তিতে ভূমিকার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, তাকে কখনোই এই পুরস্কার দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, পুরস্কারটি তার প্রাপ্য।

২০২৫ সালের ২০ জুন তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, রুয়ান্ডা, কঙ্গো, সার্বিয়া-কসোভো এবং ভারত-পাকিস্তানসহ বিভিন্ন সংঘাতের ক্ষেত্রে তার ভূমিকার জন্য চার-পাঁচবার নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল।

একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, বিভিন্ন সংঘাত নিরসনে তার ভূমিকার জন্য অনেকে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার পক্ষে। ৩০ সেপ্টেম্বর সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আরও একটি যুদ্ধের সমাধান হলে আট মাসে আটটি সংঘাত নিরসনের কৃতিত্ব তার হবে। তখনও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, পুরস্কারটি অন্য কাউকে দেওয়া হতে পারে।

২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর নোবেল কমিটি ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে শান্তি পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে অসন্তোষ জানানো হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র অভিযোগ করেন, কমিটি শান্তির চেয়ে রাজনীতিকে প্রাধান্য দিয়েছে। ট্রাম্প নিজেও পুরস্কারটি না পাওয়ার প্রসঙ্গে তার কূটনৈতিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

এরপর গত ৭ অক্টোবর রয়টার্সকে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তার বিশ্বাস, তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য। তবে নরওয়ের নোবেল কমিটি তার মতো ব্যক্তিকে পুরস্কার দেবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেন। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘাত নিরসনে আটটি উদ্যোগের কৃতিত্ব দাবি করলেও সংশ্লিষ্ট কয়েকটি অঞ্চলে সহিংসতা আবার শুরু হয়েছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে তার উদ্যোগও চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছায়নি। ফলে তার দাবির সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির ব্যবধান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণার পর আইসিসি ৯ অক্টোবর এক বিবৃতিতে নিষেধাজ্ঞাকে আন্তর্জাতিক আইনের শাসনের ওপর আঘাত বলে প্রত্যাখ্যান করে। আদালতটির বক্তব্য, ১২৫টি সদস্যরাষ্ট্রের দেওয়া দায়িত্ব অনুযায়ী গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের তদন্ত এবং বিচার চালিয়ে যাওয়াই তাদের কাজ। এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান ও যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণার বিরোধিতা করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও আদালতটির কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সহায়তার কথা জানিয়েছে।

এই বিরোধের আরেকটি বাস্তব দিক হলো নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা। যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল কোনো প্রতিষ্ঠান বা সেবাদাতা আইসিসির সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে ঝুঁকির মুখে পড়লে আদালতটির কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হতে পারে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলো বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে এগোলে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সীমিত রাখার চেষ্টা করা সম্ভব। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ও দ্য গার্ডিয়ান–এর ৯ অক্টোবরের প্রতিবেদনেও আদালতটির কার্যক্রমে সম্ভাব্য চাপ এবং ইউরোপীয় প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

‘মব–সংস্কৃতি: ক্ষোভের প্রকাশ, নাকি সংগঠিত সন্ত্রাস’

🕒 প্রকাশ: ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৬

দিল্লিতে আজ গণজমায়েতের ডাক ককরোচদের, পুলিশ মোতায়েন ও ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ সরকারের

🕒 প্রকাশ: ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৬

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা আজ বনানীতে, দাফন মিরপুরে

🕒 প্রকাশ: ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৬

নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার ক্ষোভেই কী আইসিসির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিল ট্রাম্প প্রশাসন

🕒 প্রকাশ: ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৬

গোলাম পরওয়ারের ৭০০ রিকশা, মিল্টনের বক্তব্যের নিন্দা জানাল জামায়াত

🕒 প্রকাশ: ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৬

Footer Up 970x250