রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর *** ইইউর ৬১ বাণিজ্য বাধার ৪৮টিরই সমাধান করা হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী *** সাংস্কৃতিক ঐক্যই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শক্তি: সংস্কৃতিমন্ত্রী *** নিখোঁজ শিশুদের জন্য পুলিশের বিশেষ সেল গঠনের দাবি স্বজনদের *** রোহিঙ্গা ইস্যু যেন অন্য কোনো সংকটে চাপা না পড়ে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার জন্মভূমি ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল, বিকেলে নাগরিক সংবর্ধনা *** শেষকৃত্য সম্পন্ন করার ১৫ দিন পর কারাগার থেকে ফোনকল—‘আপনার ছেলে জীবিত’ *** ফের সোনার দামে পতন, ভরিতে কত *** মিসরে মাদক মামলায় টিভি উপস্থাপকসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড *** গোপালগঞ্জে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০

ড. ইউনূস অভ্যুত্থানের নায়কদের কাছে পদত্যাগের কথা বলেছেন!

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৮:১৮ অপরাহ্ন, ২২শে মে ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় একটি দৈনিকের রাজনৈতিক ভাষ্যে বলা হয়েছে, ‘সর্বশেষ খবর অধ্যাপক ইউনূস (প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস) ইতিমধ্যেই অভ্যুত্থানের (২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট) নায়কদের ডেকে বলেছেন, তোমরা সংযত হও, না হলে আমি পদত্যাগ করব।’

রাজনৈতিক ভাষ্যে বলা হয়, ‘অধ্যাপক ইউনূস এখন কী করবেন? তার সামনে বিকল্প খুবই কম। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তার নেতৃত্ব অনেকটাই চ্যালেঞ্জের মুখে। হয় তিনি পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেবেন, না হয় পদত্যাগ করে চলে যাবেন।’

এতে বলা হয়, ‘এ পরিস্থিতিতে কোন দিকে মোড় নেবে বাংলাদেশের রাজনীতি? অধ্যাপক ইউনূসই বা কী সিদ্ধান্ত নেবেন। বলাবলি হচ্ছে, হয় তিনি সবকিছু মেনে নিয়ে দায়িত্বে থাকবেন। নতুবা ছেড়ে দিয়ে তার আগের জীবনে ফিরে যাবেন। অতীত ইতিহাস বলে, তিনি হঠাৎ করেই কেবলা বদল করতে পারেন।’

‘এর আগেও (আলোচিত এক এগারোর সময়) তিনি এক দফা দল গঠন করে আবার নিজেই দলের বিলুপ্তি ঘোষণা দিয়ে রাজনীতির দৃশ্যপট থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। তার পক্ষে যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়াই সম্ভব’- উল্লেখ করা ওই হয় সংবাদ ভাষ্যে।

দৈনিক মানবজমিনের অনলাইন সংস্করণে আজ বৃহস্পতিবার (২২শে মে) বিকেল ৫টা ৪৭ মিনিটে রাজনৈতিক ভাষ্যটি প্রচারিত হয়। এর শিরোনাম- ‘প্রফেসর ইউনূস এখন কী করবেন’। এটি লিখেছেন শান্তনা রহমান।

মানবজমিনের এ সংবাদ ভাষ্য এর মধ্যে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভাইরাল’ (আলোচিত)। এতে আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা-পর্যালোচনা চলছে। অনেকে এগুলোর সঙ্গে ‘সহমত’, আবার অনেকে ‘দ্বিমত’ প্রকাশ করছেন। কে এই সাংবাদিক শান্তনা রহমান, এ প্রশ্নও অনেকের।

সময় টিভির যুগ্ম বার্তা সম্পাদক রবিউল ইসলাম নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ প্রসঙ্গে লেখেন, 'দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে শান্তনা রহমান- এ নামে কোনো ব্যক্তির অস্তিত্ব নেই। এটি একটি ছদ্মনাম। লেখাটিতে কোনো সোর্স (সূত্র) উল্লেখ করা নেই। দশ শতাংশ তথ্য, দশ শতাংশ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ, দশ শতাংশ প্রেডিকশন (ভবিষ্যদ্বাণী) এবং ৭০ শতাংশ গল্প মিলিয়ে সংবাদ ভাষ্যটি হাজির করা হয়েছে।'

খোঁজ নিলে জানা যায়, এটি মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক, প্রখ্যাত সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার মতিউর রহমান চৌধুরীর লেখা। প্রাজ্ঞ এ সাংবাদিক প্রায়ই ছদ্মনামে লিখে থাকেন। আর দেশ-বিদেশের যে কারো লেখা সংবাদ ও রাজনৈতিক ভাষ্যে সাধারণত প্রতিবেদনের মতো তথ্যসূত্রের উল্লেখ থাকে না।

মানবজমিনের রাজনৈতিক ভাষ্যে বলা হয়, ‘সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে সরকারের সঙ্গে তার মতপার্থক্যের কথা জানিয়েছেন। সব স্তরের সেনা-কর্মকর্তাদের তিনি বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। যেটা অধ্যাপক ইউনূস কখনো স্পষ্ট করেননি। তার উপদেষ্টারা সবসময় পানি ঘোলা করেছেন। তিনি ডিসেম্বর থেকে জুনের কথা বলে নির্বাচনকে অনিশ্চিত করে তুলেছেন। বারবার দাবি তোলা সত্ত্বেও তিনি বিষয়টি খোলাসা করেননি।’

এতে বলা হয়, ‘সেনাপ্রধান জানুয়ারি, ২০২৬-এর মধ্যে নির্বাচিত সরকার দেখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। রাখাইনে মানবিক করিডোর নিয়ে জাতিকে অন্ধকারে রেখেছেন অধ্যাপক ইউনূস। নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বিভ্রান্তির বেড়াজালে ফেলেছেন জনগণকে। অদৃশ্য শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে জটিল এক পরিস্থিতি তৈরি করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিবকে এনে করিডোরের যথার্থতা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন।’

রাজনৈতিক ভাষ্যটি বলছে, ‘যদিও তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) স্পর্শকাতর এ বিষয়টি নিয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেননি। রাজনৈতিক দলগুলো কড়া সমালোচনা করেছে। কেবল জামায়াতে ইসলামী এক রহস্যজনক আচরণ করেছে। আখেরে সেনাপ্রধান বলে দিয়েছেন, এটা হবে জাতির জন্য আত্মঘাতী। সেনাবাহিনী করিডোর মানবে না। তার ভাষায়- কোনো করিডোর নয়।’

মানবজমিন লেখে, ‘চট্টগ্রাম বন্দর নিয়েও তার (সেনাপ্রধান) খোলামেলা কথা। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক জনগণ ও নির্বাচিত সরকার। অধ্যাপক ইউনূসের সরকার চট্টগ্রাম বন্দরকেও বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিল। আরও বেশ কিছু বিষয়ে সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দূরত্ব বাড়ছিল। বিরক্ত ছিল সেনাবাহিনী। যার বিস্ফোরণ ঘটেছে বুধবার আলোচিত দরবারে। সেনাবাহিনীকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হচ্ছিল।’

এতে আরো বলা হয়, ‘যত সমালোচনাই হোক, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, জেনারেল ওয়াকার এ সময়ে যার যার অবস্থান থেকে দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য এক ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছেন। সেনাবাহিনী না থাকলে মাঠপরিস্থিতি অনেক আগেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেত। আবার আন্তর্জাতিক ইমেজ দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস লাইনচ্যুত ট্রেনকে লাইনে তুলেছেন। ক্ষমতার লিপ্সা আর উপদেষ্টাদের আত্মঘাতী কূটচাল দেশের পরিস্থিতিকে নাজুক করেছে। তারা দেশের নামও বদলানোর পরিকল্পনায় বিভোর ছিলেন। ভাবা যায়!’

এইচ.এস/


প্রধান উপদেষ্টা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

🕒 প্রকাশ: ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইইউর ৬১ বাণিজ্য বাধার ৪৮টিরই সমাধান করা হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাংস্কৃতিক ঐক্যই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শক্তি: সংস্কৃতিমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিখোঁজ শিশুদের জন্য পুলিশের বিশেষ সেল গঠনের দাবি স্বজনদের

🕒 প্রকাশ: ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোহিঙ্গা ইস্যু যেন অন্য কোনো সংকটে চাপা না পড়ে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250