বুধবার, ১৮ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরেই: মির্জা ফখরুল *** গুম, খুনের শিকার পরিবারে ‘ঈদ উপহার’ পাঠাচ্ছেন তারেক রহমান *** সহশিল্পীদের চোখে অভিনেতা শামস সুমন *** স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক ইভেন্টে ‘ইন্টারেস্টেড’ ক্লিকে বরখাস্ত হলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা *** হরমুজ প্রণালি বন্ধ, চা–সমুচা–দোসার রসনাবঞ্চিত ভারতীয়রা *** ক্ষমা চেয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, দিয়েছেন ‘অপ্রয়োজনীয়’ কথা আর না বলার প্রতিশ্রুতি *** ঈদের দিন যমুনায় কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী *** আইজিপির বাগেরহাটের বাসভবনে চুরির খবরটি ভিত্তিহীন: জেলা পুলিশ *** ড. ইউনূসের চেয়ে বড় বাটপার বাংলাদেশের সরকারে কেউ আসেননি: আনিস আলমগীর *** সরকার গঠনের ২৮ দিনে প্রধানমন্ত্রীর ২৮ পদক্ষেপ ‘অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’

পাকিস্তানি বলে গুলিস্তানের ড্রেস বিক্রি করতো ‘সানভীস বাই তনি’

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, ১৪ই মে ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

প্রতারণার অভিযোগে সিলগালা করা হয়েছে গুলশানের ‘সানভীস বাই তনি’ শোরুম। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর অভিযান চালিয়ে শোরুমটি বন্ধ করে দেয়। অভিযোগ, দেশে তৈরি পোশাক পাকিস্তানি বলে বেশি দামে বিক্রি করতো প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার (১৩ই মে) গুলশান শ্যুটিং ক্লাব এলাকার একটি মার্কেটে বিশেষ এই অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মন্ডল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত মুখ রোবাইয়াত ফাতেমা তনি। রাজধানীতে কয়েকটি শোরুম আছে তার। অনলাইনেও বিক্রি করেন পোশাক এবং কসমেটিক্স। তবে এবার আলোচনায় আসলেন প্রতারণার অভিযোগে। ভোক্তা অধিকার অধিদফতর বলছে, তৈরি পোশাক বিক্রির লাইসেন্স নিয়ে অবৈধভাবে কসমেটিক্স বিক্রি করা হতো এই আউটলেটে। তৈরি পোশাকের মধ্যে রয়েছে গুলিস্তান, মিরপুর, সাভার ও টঙ্গী এলাকার মালামাল।

আরো পড়ুন : মালয়েশিয়ায় পাসপোর্ট জালিয়াতির মূল হোতা বাংলাদেশি গ্রেফতার

অভিযান পরিচালনার সময় আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, “ভোক্তা অধিদফতরের অভিযোগের সফটওয়্যারে এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে। এরপর প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশি পোশাকগুলো বিদেশি বলে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিল অনলাইনে এবং এই দোকানে।”

তিনি বলেন, “তারা অনলাইনে পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করে। কিন্তু ডেলিভারি দেওয়ার সময় দেশি ড্রেস দেয়। শত শত কাস্টমার এভাবে প্রতারিত হচ্ছে।”

‘প্রতারণার বিষয়ে অভিযোগ এলে তাদের শুনানির জন্য নোটিশ করা হয়েছে। তারা সেটি দেখেও জবাব দেয়নি। তারা যেহেতু কোনো জবাব দেয়নি, উপস্থিত হয়নি, আমাদের কাছে মনে হয়েছে এসব অভিযোগের সত্যতা রয়েছে। এখানে এসে সেটার প্রমাণ পেয়েছি। তারা পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনও কাগজপত্র, প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তাদের শুধু ট্রেড লাইসেন্স আছে, সেটা সাধারণ পোশাক বিক্রেতা হিসেবে,” বলেন তিনি। 

আব্দুল জব্বার মন্ডল বলেন, “আমরা তাদের শোরুম বন্ধ করে দিয়েছি। এখন তারা কাগজপত্র নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে হাজির হয়ে প্রমাণ দেবে। এছাড়া কতগুলো কাস্টমারকে এসব ড্রেস সরবরাহ করা হয়েছে সেসব তথ্য দেবে।”

এস/ আই.কে.জে/ 

পাকিস্তানি ‘সানভীস বাই তনি’

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250