ফাইল ছবি
‘জয় বাংলা ব্রিগেড’র জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়ে আগামী ২রা মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ সোমবার (৯ই ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. রবিউল ইসলাম এ দিন ধার্য করেন।
এদিন অভিযোগ গঠনের অবশিষ্ট শুনানির জন্য ধার্য ছিল। এজন্য কারাগারে আটক আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। তবে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক আব্দুস সালাম ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক শুনানির দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ২১শে জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের আংশিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন পরবর্তী শুনানির জন্য ৯ই ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৭শে মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক।
তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০শে জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি। ১৪ই অগাস্ট অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। গত ১১ই সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। গত ১৪ই অক্টোবর পলাতক ২৫৬ জনকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় গত ১১ই নভেম্বর মামলাটি ঢাকার সিএমএম আদালত থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে, ২০২৪ সালের ১৯শে ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শেখ হাসিনা তার নেতাকর্মীদের কাছে দেশবিরোধী বক্তব্য দেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন। এ বক্তব্য সারাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন