ছবি: সংগৃহীত
সালমান খানের সঙ্গে কাজ করা মোটেই সহজ ব্যাপার নয়। সালমানকে নিয়ে ‘সিকান্দার’ বানিয়ে এমনই অভিজ্ঞতা পরিচালক এ আর মুরুগাদোসের। নানা ধরনের প্রতিকূলতা মেনে নিয়েই কাজ করতে হয় তার সঙ্গে। খবর ইন্ডিয়াডটকমের।
বিশেষ করে সালমানের কাজের ভিন্ন ধরন, সন্ধ্যায় সেটে আসা, অন্য সব কলাকুশলীকে তার শিডিউলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, দিনের দৃশ্যের শুটিং রাতে করা— সব মিলিয়ে সিকান্দারে মুরুগাদোসের অভিজ্ঞতা তেমন সুখকর নয়।
সম্প্রতি ভালাইপেচু ভয়েস নামের এক ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুরুগাদোস জানান, সালমানের কাজের এই ভিন্ন ধরনের সঙ্গে অন্য সবাই অভ্যস্ত হতে পারলেও শিশুশিল্পীদের জন্য সেটা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।
মুরুগাদোস জানিয়েছেন, সালমান খান নাকি রাত ৮টার আগে সেটেই আসেন না! সারা দিন শুটিং ইউনিটকে বসে থাকতে হয় সালমানের অপেক্ষায়। তিনি আসেন রাত ৮টার দিকে। এরপর গভীর রাত পর্যন্ত চলে শুটিং।
তবে কলাকুশলীরা তো সাধারণত এভাবে কাজ করে অভ্যস্ত নন। অন্য সব সেটে শুটিং শুরু হয় সকালে, শেষ হয় সন্ধ্যার পর। আর সালমানের ক্ষেত্রে সেটা একেবারেই উল্টো। তার সিনেমার দিনের বেলার দৃশ্যের শুটিংও করতে হয় রাতে। ফলে বাধ্য হয়েই পুরো সিনেমার বড় অংশ গ্রিন স্ক্রিন আর ভিএফএক্সে করতে হয়েছে বলে জানান পরিচালক মুরুগাদোস।
‘সিকান্দার’ সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে পরিচালক মুরুগাদোস সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন শিশুশিল্পীদের নিয়ে। স্কুল থেকে ফেরার একটি দৃশ্যও শুট করতে হয়েছে রাত ২টার দিকে। গভীর রাত পর্যন্ত শুটিংয়ের কারণে শিশুরা ক্লান্ত হয়ে পড়ত, ঘুমিয়ে যেত। এসব সংকটের মুখে পড়ে সিনেমার কাজের গতি বারবার থমকে গেছে।
‘সিকান্দার’ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল গত ৩০শে মার্চ। অনেক প্রত্যাশা থাকলেও বক্স অফিসে সাফল্যের মুখ দেখতে পারেনি। তবে সিকান্দারের ব্যর্থতার দায় সালমানের ওপর নয়, নিজের কাঁধেই নিয়েছেন পরিচালক এ আর মুরুগাদোস। তিনি জানিয়েছেন, সিনেমাটি যেভাবে তৈরি করতে চেয়েছিলেন, সেভাবে পারেননি। গল্পটি খুব ভালো ছিল, তবে ঠিকঠাক ফুটিয়ে তুলতে পারেননি।
খবরটি শেয়ার করুন