শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে জাপান *** রুয়েটের বাসে প্রধানমন্ত্রী, ‘স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্যের জেরে আইনের আওতায় বাবা-ছেলে *** প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা, মিরপুরে গ্রেপ্তার ১ *** প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকালে রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় রাখার সিদ্ধান্ত *** মাজারের সিন্দুক ও মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি *** এআই-ছবি ছড়িয়ে ঘৃণা উসকে দেওয়া সব ধর্মের জন্য অবমাননাকর: রুমিন ফারহানা *** সাজেকে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর গুলি, ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার *** সাজেককে ঘিরে ‘কী হচ্ছে’, প্রশ্ন শফিকুর রহমানের *** সৌদি আরবে ১২ বছরে ২০৮৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই ১০০ *** সারোগেসি পদ্ধতিতে প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় নেদারল্যান্ডসের প্রথম সমকামী প্রধানমন্ত্রী

বর্ষায় শিশুর জ্বর হলে...

স্বাস্থ্য ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, ৯ই জুলাই ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

বর্ষায় ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ, টাইফয়েড, সাধারণ সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া ও অন্যান্য মৌসুমি রোগে ভুগতে থাকে শিশুরা। হাসপাতালে ভর্তির হারও বেড়ে যায়। এর মধ্যে এবার ব্যাপকভাবে যুক্ত হয়েছে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ও আতঙ্ক। তাই এ সময় মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যদের বাড়তি সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

জ্বর হলে করণীয়

অতিরিক্ত জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়ানো যাবে এবং পুরো শরীর মুছে দিতে হবে। আইবুপ্রফেন কিংবা এসপিরিনজাতীয় ওষুধ নিজে দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো যাবে না। ভাইরাসজনিত জ্বরের মাত্রা অতিরিক্ত হতে পারে এবং তিন থেকে পাঁচ দিন থাকতে পারে।

এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যাবে না। প্রতিবছরের মতো এ বছরও ডেঙ্গুর ভয়াবহতা শুরু হয়েছে এবং শিশুদের মধ্যে আক্রান্তের হার বাড়ছে।

ডেঙ্গু জ্বরের ব্যাপারে যা খেয়াল রাখা জরুরি

দ্বিতীয়বার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে মারাত্মক ডেঙ্গু হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। সাধারণত জ্বর ভালো হয়ে যাওয়ার ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা মারাত্মক ডেঙ্গুর ক্রিটিক্যাল সময় চলতে থাকে। কারও কারও ক্ষেত্রে এই সময় প্রলম্বিত হয় এবং অনেক ডেঙ্গু রোগী জ্বর থাকা অবস্থায়ও ক্রিটিক্যাল অবস্থায় যেতে পারে।

ডেঙ্গু ভাইরাসকে ধ্বংস করার জন্য শরীরে যে প্রক্রিয়া চলে, তার প্রভাব হিসেবে রক্তে সাইটোকাইনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এসব জটিলতা তৈরি হয়। এ সময় রক্তের জলীয় অংশ রক্তনালি থেকে বের হয়ে যায়, ব্লাড প্রেশার কমে যায়, বুকে ও পেটে পানি জমে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

রক্তের অণুচক্রিকা কমে যাওয়া এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার কাজ ব্যাহত হওয়ায় রক্তক্ষরণের আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই এ সময় জ্বর এলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সতর্কতা হিসেবে বাসায় এবং এর আশপাশে তিনদিনের বেশি কোথাও পানি জমে আছে কী না, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এসি ও ফ্রিজের ট্রেতে পানি জমে আছে কী না, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

রাতে ঘুমানোর সময় এবং দিনের বেলায়ও মশারি টানাতে হবে ঘুমানোর সময়। শিশুদের এ সময় সুতি কাপড়ের পায়জামা ও ফুলহাতা জামা পরানো ভালো।

জে.এস/

শিশুর ডেঙ্গু শিশুর জ্বর

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250