রবিবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি হচ্ছে না: আশিক চৌধুরী *** নারীদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া টেকসই রোডম্যাপ তৈরি সম্ভব নয়: জাইমা রহমান *** ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা ও উগ্র মতাদর্শ নারীবিদ্বেষকে উসকে দিচ্ছে: ফারাহ কবির *** নারীর অধিকার কোনো একটি সরকারের দান নয়: সারা হোসেন *** ঢাকায় প্রায় ৪০টি খেলার মাঠ করার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের *** প্রায় ২৪ হাজার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার *** ইসলামাবাদ হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ আটক, ভারত সংশ্লিষ্টতার দাবি পাকিস্তানের *** লাহোরে আইসিসি-পিসিবির বৈঠকে কী পেতে পারে বাংলাদেশ *** ‘নির্বাচন যথেষ্ট অন্তর্ভুক্তিমূলক নয়, অংশগ্রহণমূলক করার সুযোগ আছে’ *** পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ভারত-আওয়ামী লীগ বিদ্বেষ তীব্র হয়: সাবেক সেনাপ্রধান

বিশ্বে টেকসই পোশাকশিল্পে শীর্ষে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, ১৪ই আগস্ট ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। গত এক মাসে ১০টি কারখানা আমেরিকার গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের ‘লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন’ (লিড) সনদ পেয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ বুধবার (১৩ই আগস্ট) একসঙ্গে পাঁচটি কারখানা নতুন সনদ অর্জন করেছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের সর্বাধিক এলইইডি সনদপ্রাপ্ত সবুজ পোশাক কারখানার দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে।

বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ২৫৮টি লিড সনদপ্রাপ্ত কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ১০৯টি প্লাটিনাম, ১৩৩টি গোল্ড, সিলভার ১২টি এবং সার্টিফায়েড সনদ পেয়েছে ৪টি। গত বছর জুলাই মাসের শেষ দিকেও সব মিলিয়ে সনদপ্রাপ্ত কারখানা ছিল ২২৪টি। অর্থাৎ এক বছরে নতুনভাবে ৩৪টি কারখানা সনদ পেয়েছে, যার মধ্যে গত এক মাসে সংখ্যা বেড়েছে ১০টি।

নতুন সনদপ্রাপ্ত কারখানাগুলোর মধ্যে রয়েছে ময়মনসিংহের ভালুকার রাইদা কালেকশন, ৯০ পয়েন্ট (প্লাটিনাম); আশুলিয়ার টিম গ্রুপের সাউথ অ্যান্ড সোয়েটারস, ৮৫ পয়েন্ট (প্লাটিনাম); চট্টগ্রামের কেডিএস ফ্যাশন, ৮৪ পয়েন্ট (প্লাটিনাম); সিরাজগঞ্জের পূর্বাণী ফ্যাশন লিমিটেড, ৮৩ পয়েন্ট (প্লাটিনাম) এবং গাজীপুরের একটি কারখানা, ৭০ পয়েন্ট (গোল্ড)। গত ২০শে জুলাই লিড সনদ পায় ৩টি কারখানা ও এবং ৯ই জুলাই সনদ পায় দুটি কারখানা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টিম গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবদুল্লাহ হিল নকিব বলেন, ‘টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই টেকসই প্র্যাকটিস, উদ্ভাবন এবং শ্রমিক ও কর্মীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। এই প্র্যাকটিস থেকেই মূলত দেশে লিড সনদের আগ্রহ বেড়েছে মালিকদের। আমরা সব সময় ব্যবসার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চেয়েছি। এলইইডি সনদ অর্জন আমাদের পরিবেশবান্ধব অঙ্গীকারের প্রমাণ।’

বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানিসাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার, টেকসই ব্যবস্থাপনা, ভবনের নকশা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিক কৌশল, শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করে লিড সনদ দেওয়া হয়। মোট ১১০-এর মধ্যে যেসব কোম্পানি ৮০ বা তার চেয়ে বেশি নম্বর পায়, তারা প্লাটিনাম সনদ লাভ করে। কোনো কারখানা ৬০ থেকে ৭৯ নম্বর পেলে গোল্ড সনদ পায়, ৫০ থেকে ৫৯ পেলে পায় সিলভার সনদ এবং ৪০ থেকে ৪৯ পেলে পায় সার্টিফায়েড সনদ।

খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, লিড সনদ শুধু যে সুনাম ও ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়ায়, তা নয়, অর্থনৈতিকভাবেও লাভবান হওয়া যায়। সবুজ কারখানাগুলো পরিবেশ, অর্থনীতি এবং সমাজের জন্য টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে। দীর্ঘ মেয়াদে সবুজ কারখানাগুলো বিভিন্ন উপায়ে জ্বালানি বিল হ্রাস, পানির খরচ কমানো এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার খরচ কমাতে পারে।

এসব কারখানার পণ্যগুলোর চাহিদা বিশ্ববাজারে বেশি; কারণ, পরিবেশ সচেতনতা দিন দিন বাড়ছে। এর ফলে নতুন বাজার সৃষ্টি এবং রপ্তানি আয়ে উন্নতি হতে পারে। সবুজ কারখানার প্রতি বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হন; কারণ, তারা টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

জে.এস/

বিজিএমইএ পোশাক রপ্তানি তৈরি পোশাক কারখানা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250