শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা সেতু প্রকল্প রক্ষা বাঁধের ২০০ মিটার অংশ পদ্মা নদীতে বিলীন হয়েছে। ভাঙনে বিলীন হয়েছে আশপাশের ১৬টি দোকান ও ১২টি বসতবাড়ি। গতকাল সোমবার (৭ই জুলাই) বিকেলে জাজিরার ওছিম উদ্দিন মাদবরকান্দি এলাকা থেকে তোলা ছবি। সংগৃহীত
ভারী বৃষ্টির কারণে দেশের প্রধান নদ–নদীগুলোর পানি বাড়ছে। এ বৃষ্টির সঙ্গে আছে উজানের পানির প্রবাহ। বড় নদ–নদীগুলোর পানি বাড়লেও এখনো তা বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী দুই থেকে পাঁচ দিন এসব নদীর পানি বাড়তে পারে। তবে তাতে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা নেই বলেই জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সূত্র। তবে মুহুরী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ফেনীর নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলেও জানা গেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার (৮ই জুলাই) ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ফেনীতে ২২২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ সময় দেশে এটি সর্বোচ্চ বৃষ্টি। ফেনী ছাড়াও আজ উপকূলীয় জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টি হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আজ দুপুরে দেশের নদীগুলোর অবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদ-নদীর পানি বাড়ছে। আগামী তিনদিন তা অব্যাহত থাকতে পারে, তবে এরপর তা কমে আসতে পারে। গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানি বাড়ছে। এ বৃদ্ধি আগামী পাঁচদিন অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ে নদীগুলো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী, মুহুরী, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বাড়ছে। আগামী আরও একদিন এসব নদীর পানি বাড়তে পারে, তবে দুইদিনের মধ্যে তা স্থিতিশীল অবস্থায় চলে আসতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, বড় নদ–নদীগুলোর পানি বাড়ছে। এর প্রধান কারণ দেশের মধ্যে ভারী বৃষ্টি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় মুহুরী নদী ফেনী জেলায় সতর্কসীমায় (বিপৎসীমার কাছাকাছি) প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। এ অববাহিকায় আগামী ২৪ ঘণ্টা ভারী থেকে অতি ভারী পরের দুইদিন মাঝারি থেকে মাঝারি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
খবরটি শেয়ার করুন