বৃহস্পতিবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** নতুন হিসাবে গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে ১০ লাখ *** কবি মোহন রায়হানের বাংলা একাডেমি পুরস্কার না পাওয়ার যে কারণ জানালেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী *** মনোনীত করেও মোহন রায়হানকে পুরস্কার দিল না বাংলা একাডেমি *** অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী *** টিউলিপকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ *** বেসামরিক ইসরায়েলিদের হত্যা ‘ন্যায্য’ নয়, তবে ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যার বিষয়ে নিশ্চুপ মোদি *** অনুমতি ছাড়া মেট্রো স্টেশনে ভিডিও-ফটোগ্রাফি নিষিদ্ধ *** বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিশ্চয়ই বিশ্বে আলো ছড়াবে—আশা প্রধানমন্ত্রীর *** কথা কম বলতে চাই, কাজ বেশি করব: নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান *** আজ একুশে পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলা সিনেমার গানে ফাগুন

হাসান শান্তনু

🕒 প্রকাশ: ০৪:১৪ অপরাহ্ন, ১৩ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

প্রেমের ঋতু ফাগুন কড়া নাড়ছে দরজায়। বাংলা গানকেও ফাগুন ঋদ্ধ করছে। ঢাকার সিনেমার গানে বসন্ত সেই কবে থেকে ঠাঁই নিচ্ছে, তা হুট করে বলে দেওয়া মুশকিল। সিনেমার গান, সংলাপ ও দৃশ্যে ফাগুন বরাবরই ভিন্নমাত্রা যোগ করে আসছে। ‘আইলো দারুণ ফাগুন রে, লাগলো মনে আগুন রে’ গানে ভালোবাসার মানুষকে খুঁজে পাওয়ার কী ব্যাকুলতা এক তরুণীর। যা আশির ও নব্বইয়ের দশকের সিনেমার দর্শকদেরকে খুব নাড়া দেয়, বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদের দর্শক ও শ্রোতাদেরকে। অনেকের ঠোঁটে গানটি যেন লেগেই থাকতো। দশকের পর দশক ধরেই ঢাকার ছায়াছবির গানে থাকছে বসন্ত।

১৯৯৮ সালে ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘আমি সেই মেয়ে’ সিনেমার ‘ফাগুনের দিন’ গানটি বহুল জনপ্রিয়। গানটির প্রতি ভীষণ রকম ভালোবাসা আজও রয়ে গেছে অনেকের, তাদেরকে ভালোবাসার উজ্জীবনের আলোয় বাঁধে আজও। নির্ভার হাওয়ায় উড়ে যাওয়ার দিনগুলো কারো কারো যেন ফিরে আসে গানটি শোনে। ভারতীয় শিল্পী কুমার শানু ও কবিতা কৃষ্ণমূর্তির গাওয়া গানটির কথাগুলো অসাধারণ। ‘ফাগুনের দিন শেষ হবে একদিন, ঝরনার সাথে গান হবে একদিন, এ পৃথিবী ছেড়ে চলো যায়, স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে সীমাহীন’। রুহুল আমিন বাবুল পরিচালিত ওই সিনেমায় আলমগীর ও বলিউডের জয়া প্রদা অভিনয় করেন গানটিতে। গানটি লেখেন কলকাতার ঋতুপর্ণা ঘোষ, সুর সঙ্গীত করেন টাবুন।

ইবনে মিজানের ‘চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা’ সিনেমায় রুনা লায়লার কণ্ঠে, অঞ্জু ঘোষের অভিনীত- ‘আইলো দারুণ ফাগুন রে, লাগলো মনে আগুন রে, একা একা ভালো লাগে না’ গানটি তুমুল দর্শক ও শ্রোতাপ্রিয়তা পায়। ওই সময়ের দর্শকদের মধ্যে অনেকের কাছে আজও গানটির আবেদন কমেনি। এর প্রমাণ মেলে ইউটিউবে গানটির ভিউয়ার্সের সংখ্যার দিকে তাকালে।

ফাগুনের প্রতীক্ষাও আছে সিনেমার গানে। পশ্চিমবঙ্গের নচিকেতা ও শিখা বোসের গাওয়া ‘আসে না ফাগুন, মনেতে আগুন, এমন বিরহ জ্বালায়, স্মৃতির মেলায়, কাটে না আর দিন, একদিন স্বপ্নের দিন, বেদনার বর্ণবিহীন, এ জীবনে যেন আসে এমনই স্বপ্নের দিন’। গানটি ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র। যা ১৯৯৮ সালে মুক্তি পাওয়া বাংলা ভাষার প্রণয়ধর্মী চলচ্চিত্র হিসেবে সমাদৃত। ঢাকা-কলকাতার যৌথ প্রযোজনার এ ছবি পরিচালনা করেন বাসু চ্যাটার্জি। এতে অভিনয় করেন ফেরদৌস ও প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদী।

শাবনূর, রিয়াজ ও শাকিল খান অভিনীত ‘নারীর মন’ সিনেমার গানটাও দর্শকদের মাতিয়ে তোলে। ‘জীবনে বসন্ত এসেছে, ফুলে ফুলে ভরে গেছে মন, ও বান্ধবী অনামিকা, আজ তোমাকেই প্রয়োজন’ শিরোনামের গানটি এখনো অনেকের প্রিয়। গানটি গেয়েছিলেন প্রয়াত শিল্পী খালিদ হাসান মিলু। ওমর সানি-মৌসুমীর ‘হারানো প্রেম’ ছবিতে এন্ড্রু কিশোরের গাওয়া ‘এলো বসন্ত আমার গানে, কোকিল বলে এসো বন্ধু হয়ে যাই’ বেশ নাড়া দেয়।

সংগীতশিল্পী এস আই টুটুল ও তরুণ কণ্ঠশিল্পী সুধা ‘বসন্ত বিকেল’ সিনেমায় ‘একটা বসন্ত বিকেল’ শিরোনামের গান একসঙ্গে গেয়েছেন। জনপ্রিয় গীতিকবি কবির বকুলের কথায় গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেন রবিন ইসলাম।

পশ্চিমবঙ্গের ‘বসন্ত বিলাপ’ সিনেমার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও অপর্ণা সেন জুটির ‘ও শ্যাম যখন তখন’ গানটি বসন্ত উৎসবে আজও ফিরিয়ে আনে নস্টালজিয়া। 'গোত্র' সিনেমায় ব্যবহৃত ‘নীল দিগন্তে ওই ফুলের আগুন’ গানটি বসন্ত উৎসবের রঙের খেলায় মাতিয়ে তোলে।

হা.শা./কেবি

বসন্ত

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250