রবিবার, ২৯শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ–খালেদ ‘আওয়ামী লীগের দোসর ও দুষ্কৃতকারী’: চিফ প্রসিকিউটরল *** মামুন খালেদ ও মাসুদ উদ্দিনকে ৭ এপ্রিল হাজিরের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের *** ১০ বছরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ৮৩০ কোটি ডলার পাচার *** ‘বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবস্থা অকেজো করে দিতে পারে ইরান’ *** সৌদির বাদশাকে নিয়ে ট্রাম্পের ‘অশালীন শব্দ’ ব্যবহার *** ভূমধ্যসাগরে ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যু, ১০ জনই সুনামগঞ্জের *** ইসরায়েলে দ্বিতীয় দফায় হামলার খবর নিশ্চিত করলেন হুতিরা *** প্রকাশ্যে আইসক্রিম বিক্রেতার শিরশ্ছেদ, মুণ্ডু বাড়িতে নিয়ে গেলেন খুনি *** ‘রাজনৈতিক বিবেচনায়’ রাষ্ট্রদূত নিয়োগে বিরতি, লামিয়া-নিয়াজ-সেলিমের প্রক্রিয়া স্থগিত *** নরসিংদীর গ্রামীণ সৌন্দর্যে মুগ্ধ বিদেশি পর্যটকেরা

শিক্ষাবহির্ভূত কাজে শিক্ষকদের না রাখার চেষ্টা করা হবে: গণশিক্ষা উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১২:৫৯ অপরাহ্ন, ৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাবহির্ভূত কাজ থেকে বিরত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। মন্ত্রণালয়ে গতকাল রোববার (৭ই সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

আজ ৮ই সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে সচিবালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত ২৯শে জুলাই ‘প্রাথমিকে পাঠদান: বাইরের ২০ কাজের চাপে শিক্ষক’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতীয় একটি দৈনিক পত্রিকা। পত্রিকাটির নিজস্ব জরিপের ভিত্তিতে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঠদানের বাইরেও অনেক কাজ করতে হয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। ভোট গ্রহণ, ভোটার তালিকা, শুমারি, জরিপ, টিকাদান, কৃমিনাশক ওষুধ ও ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো, টিসিবির চাল বিতরণ, বিভিন্ন অনুষ্ঠানসহ অন্তত ২০ ধরনের কাজ করেন তারা। সরকারি এসব কাজে শিক্ষকেরা বছরে ব্যস্ত থাকছেন কমপক্ষে ৬০ কর্মদিবস।

সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা বলেন, সরকারি হিসাবে দেশের সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ হলেও সত্যিকার অর্থে তা আরও কম হতে পারে।

লিখিত বক্তব্যে মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রতিবেদন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুযায়ী, দেশের সাত বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। অর্থাৎ, প্রায় ২২ দশমিক ১ শতাংশ জনগোষ্ঠী এখনো নিরক্ষর।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, ‘যেখানে আমাদের ঝরে পড়ার হার কমে যাচ্ছিল, হঠাৎ করে ঝরে পড়ার হার বেড়ে গেল। এটা একটা উদ্বেগের বিষয়। যে পরিসংখ্যান আছে, সেটি দেখাচ্ছে, আমাদের নিরক্ষরতার হার ২১ শতাংশের মতো। কিন্তু আপনি যদি গবেষণা করেন, তাহলে সত্যিকার অর্থে সাক্ষরতার হার আরও কম হতে পারে। এটা হচ্ছে আমার পর্যবেক্ষণ।’

জে.এস/

বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250