সোমবার, ৩১শে আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** শি-পুতিনের সঙ্গে একই বৈঠকে মোদি-শাহবাজ-পেজেশকিয়ান, বদলে যাচ্ছে কী ইউরেশিয়ার কূটনৈতিক সমীকরণ *** ধর্মীয়-সামাজিক সংঘাতে যে বছর শীর্ষে ছিল বাংলাদেশ: পিউ রিসার্চ *** মন্ত্রিসভায় নবম পে স্কেল অনুমোদন *** নতুন বেতনকাঠামো মন্ত্রিসভায় অনুমোদন, গ্রেডভেদে বাড়বে ১০০–১৪২ শতাংশ *** রিয়ালের তিন তারকার রসায়ন নিয়ে যা বললেন মরিনহো *** রংপুরে ৪ খুন: সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি মেলেনি *** ডেঙ্গুতে এ বছর মৃত্যু ১০০ ছুঁই ছুঁই, আগস্টেই ৪৩ *** ইসলামকে ‘অন্য ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ বললেন কর্ণাটকের মন্ত্রী, পদত্যাগ দাবি বিজেপির *** চোরাচালান-মাদক-সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান *** থানা ভবন নির্মাণ-নৌযান কেনাসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২৫ উন্নয়ন প্রকল্প

সুখবর এক্সপ্লেইনার

শি-পুতিনের সঙ্গে একই বৈঠকে মোদি-শাহবাজ-পেজেশকিয়ান, বদলে যাচ্ছে কী ইউরেশিয়ার কূটনৈতিক সমীকরণ

শুভ্র বড়ুয়া

🕒 প্রকাশ: ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, ৩১শে আগস্ট ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান—একই বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন ইউরেশিয়ার প্রভাবশালী এই নেতারা। তাদের সঙ্গে থাকছেন মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর নেতারাও। কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে শুরু হওয়া সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) এবারের সম্মেলন তাই শুধু একটি আঞ্চলিক জোটের বৈঠক নয়। এটি হয়ে উঠেছে বর্তমান বিশ্বরাজনীতির বড় কিছু সমীকরণ বোঝার গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।

এবারের সম্মেলন এসসিওর ২৫ বছর পূর্তিরও আয়োজন। কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট সাদির জাপারভের সভাপতিত্বে মূল বৈঠকে শি, পুতিন, মোদি, শাহবাজ ও পেজেশকিয়ানের অংশ নেওয়ার কথা। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানও সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। কিরগিজস্তানের সরকারি সংবাদ সংস্থা কাবার জানিয়েছে, ১ সেপ্টেম্বর বিশকেকে এসসিওর রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠক এবং ‘এসসিও প্লাস’ বৈঠক হবে।

এবারের সম্মেলনের গুরুত্বের একটি কারণ হলো, একই টেবিলে বসছেন এমন কয়েকজন নেতা, যাদের দেশের মধ্যে সম্পর্ক কখনো সহযোগিতার, কখনো তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার। চীন ও রাশিয়া ঘনিষ্ঠ। রাশিয়া ও ইরানের সম্পর্কও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও গভীর হয়েছে। আবার চীন ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত ও কৌশলগত বিরোধ রয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্কও দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনাপূর্ণ। ফলে এসসিওকে শুধু চীন-রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন একটি পশ্চিমবিরোধী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি ধরা পড়ে না।

বার্তা সংস্থা এপি বলছে, এসসিও এখন এমন একটি মঞ্চে পরিণত হয়েছে, যেখানে চীন ও রাশিয়া পশ্চিমা প্রভাবের বাইরে একটি বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থার ধারণা সামনে আনছে। তবে একই সঙ্গে জোটটির সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্যও রয়েছে। ভারতের জন্য এসসিও একদিকে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ, অন্যদিকে পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে নিজের বিরোধ সামলানোর একটি কূটনৈতিক মঞ্চ।

আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এসসিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দেশের বিরুদ্ধে গঠিত সামরিক জোট নয়। প্রতিষ্ঠার ঘোষণাতেও বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শি ও পুতিন এই জোটের বৈঠকগুলো ব্যবহার করছেন বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থার পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে। পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার ইউক্রেন যুদ্ধ এবং চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও কৌশলগত বিরোধের মধ্যেই এই প্রবণতা আরও দৃশ্যমান হয়েছে।

এসসিওর পরিসরও ছোট নয়। রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, বেলারুশ এবং মধ্য এশিয়ার চার দেশ—কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান—এই জোটের সদস্য। আনুমানিক ৩৪০ কোটি মানুষ এই জোটভুক্ত দেশগুলোতে বসবাস করেন। বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় এক-চতুর্থাংশও এই দেশগুলোর। তুরস্ক, সৌদি আরব ও কাতারসহ আরও কয়েকটি দেশ সংলাপ অংশীদার হিসেবে যুক্ত।

তবে সদস্যসংখ্যা ও অর্থনৈতিক শক্তি যত বড়ই হোক, এসসিওকে এখনো ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ন্যাটোর মতো ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক কিংবা সামরিক জোট বলা যায় না। সদস্যদের জাতীয় স্বার্থ অনেক ক্ষেত্রে পরস্পরবিরোধী। মধ্য এশিয়ায় চীনের অর্থনৈতিক প্রভাব বাড়ছে। একই অঞ্চলে রাশিয়া ঐতিহাসিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাব ধরে রাখতে চায়। ফলে দুই দেশের মধ্যে প্রকাশ্য সংঘাত না থাকলেও প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা রয়েছে।

ভারত-চীন সম্পর্কও এসসিওর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সীমান্ত বিরোধের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রতিযোগিতা বাড়ছে। অন্যদিকে ভারত ও পাকিস্তানও একই জোটের সদস্য হলেও তাদের মধ্যে আস্থার সংকট দীর্ঘদিনের। আল জাজিরা জানিয়েছে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারত বারবার এসসিওর অবস্থান স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছে। পাকিস্তানও ভারতের বিরুদ্ধে নিজস্ব অভিযোগ তুলে ধরেছে। ফলে নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জোটের অভিন্ন অবস্থান তৈরি করা সহজ নয়।

এর মধ্যেই এবারের সম্মেলনে সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে ইরানকে ঘিরে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সাম্প্রতিক সংঘাত এবং নতুন করে আরোপিত অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে তেহরান এসসিওকে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহায়তার একটি সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে। ইরান ২০২৩ সালে এসসিওর পূর্ণ সদস্য হয়। এখন দেশটি রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক এবং চীনের সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্যের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

চীন ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতাদের একটি। আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, চীন ইরানের অপরিশোধিত তেলের ৮০ শতাংশের বেশি কিনে থাকে। ফলে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা যত বাড়বে, ততই চীন-ইরান সম্পর্কের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়বে। তবে চীন ইরানের জন্য সরাসরি সামরিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেবে—এমন কোনো লক্ষণ নেই। যুক্তরাষ্ট্র-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং নিজেদের বৈশ্বিক স্বার্থ বিবেচনায় বেইজিং সাধারণত সরাসরি সংঘাতে যাওয়ার বদলে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক পথেই এগোয়।

এ কারণেই পুতিন ও পেজেশকিয়ানের সম্ভাব্য বৈঠকটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়া ও ইরান উভয়ই যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর মস্কো ও তেহরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাও বেড়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ সম্প্রতি মস্কো সফর করেছেন। সফরটি ছিল অত্যন্ত গোপনীয়। মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানে রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধসহ ইরান-সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনা হয়ে থাকতে পারে।

চ্যানেল নিউজ এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, র‍্যাটক্লিফের মস্কো সফরের কয়েক দিনের মধ্যেই পুতিন ও পেজেশকিয়ানের বৈঠক হতে যাচ্ছে। এ কারণে দুই দেশের আলোচনায় ইরানের ওপর মার্কিন চাপ, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।

তবে এসসিও থেকে ইরান ঠিক কতটা বাস্তব সুবিধা পাবে, সেটিই বড় প্রশ্ন। জোটটি কোনো প্রতিরক্ষা জোট নয়। কোনো সদস্য আক্রান্ত হলে অন্য সদস্য সামরিকভাবে তার পাশে দাঁড়াবে—এমন বাধ্যবাধকতাও নেই। চীন ও রাশিয়া ইরানকে কূটনৈতিকভাবে সমর্থন করতে পারে। তেলের বাণিজ্য চালু রাখতে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে গিয়ে ইরানের হয়ে লড়বে, এমন সম্ভাবনা খুবই কম।

এই বাস্তবতাই এসসিওর সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে। জোটটির সদস্যরা পশ্চিমা প্রভাব কমানোর বিষয়ে অনেক ক্ষেত্রে একমত। কিন্তু তার বিকল্প হিসেবে একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক বা নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এখনো তারা অনেক দূরে। বিশেষ করে চীন, ভারত ও রাশিয়ার নিজেদের জাতীয় স্বার্থ সব সময় এক জায়গায় মেলে না।

ভারতের অবস্থান এখানে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নরেন্দ্র মোদি একই বৈঠকে শি ও পুতিনের সঙ্গে থাকবেন। আবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও থাকবেন। ভারতের জন্য এটি এক ধরনের কূটনৈতিক ভারসাম্যের পরীক্ষা। নয়াদিল্লি একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে। অন্যদিকে রাশিয়ার কাছ থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও জ্বালানি আমদানি করছে। চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কও বিশাল। ফলে এসসিও থেকে ভারত পুরোপুরি দূরে থাকতে পারে না।

বার্তা সংস্থা এএফপির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এসসিওর মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মস্কো ও বেইজিংয়ের নেতৃত্বে এর রাজনৈতিক গুরুত্ব বেড়েছে। কিন্তু সদস্যদের ভেতরের বিরোধের কারণে এটি এখনো একটি শক্তিশালী ঐক্যবদ্ধ জোটে পরিণত হয়নি।

এবারের সম্মেলনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অর্থনীতি। জ্বালানি, পরিবহন, বাণিজ্য, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। মধ্য এশিয়া চীন ও ইউরোপের মধ্যে পণ্য পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ। ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা বাড়ায় বিকল্প বাণিজ্যপথের গুরুত্বও বেড়েছে। চীন এই অঞ্চলে অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়াচ্ছে। রাশিয়াও নিজের ঐতিহাসিক প্রভাব ধরে রাখতে চাইছে।

এ অবস্থায় বিশকেকের বৈঠককে শুধু নেতাদের আনুষ্ঠানিক বৈঠক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এখানে বড় প্রশ্ন হলো—বিশ্ব কি ধীরে ধীরে এককেন্দ্রিক ব্যবস্থা থেকে বহুকেন্দ্রিক ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে? চীন ও রাশিয়া যে ধরনের বিশ্বব্যবস্থার কথা বলছে, ভারত, ইরান, পাকিস্তান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো কি সেটিকে সমর্থন করবে? নাকি প্রত্যেক দেশ নিজের স্বার্থ অনুযায়ী আলাদা অবস্থান নেবে?

এ মুহূর্তে দ্বিতীয় সম্ভাবনাটিই বেশি বাস্তবসম্মত বলে মনে হচ্ছে। কারণ, এসসিওর শক্তি তার বৈচিত্র্যে। আবার দুর্বলতাও একই জায়গায়। একই টেবিলে বসতে পারা বড় কূটনৈতিক সাফল্য। কিন্তু একই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো অনেক কঠিন।

বিশকেকে তাই শি, পুতিন, মোদি, শাহবাজ ও পেজেশকিয়ানের একই বৈঠকে উপস্থিতি প্রতীকীভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে বোঝা যাবে, পশ্চিমা চাপ ও বৈশ্বিক সংঘাতের সময়ে ইউরেশিয়ার শক্তিগুলো কতটা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করতে পারে। আর কতটা পর্যন্ত তারা শুধু নিজেদের জাতীয় স্বার্থের হিসাবেই চলবে।

বিশেষ করে ইরানের ক্ষেত্রে এবারের সম্মেলন একটি বাস্তব পরীক্ষা। রাশিয়া ও চীন যদি কূটনৈতিক সমর্থনের বাইরে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ায়, তাহলে তেহরান কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পুরো চাপ এড়িয়ে যাওয়ার মতো শক্তিশালী বিকল্প ব্যবস্থা এসসিওর হাতে এখনো নেই। ফলে সম্মেলন থেকে বড় কোনো যৌথ ঘোষণা এলেও তার বাস্তব প্রয়োগ কতটা হবে, সেটিই শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

এসসিওর ২৫ বছর পূর্তির এই সম্মেলন তাই একদিকে চীন ও রাশিয়ার বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থার প্রচারের মঞ্চ। অন্যদিকে এটি সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক বিরোধ ও স্বার্থের সংঘাতেরও পরীক্ষা। শি-পুতিনের পাশে মোদি, শেহবাজ ও পেজেশকিয়ানের উপস্থিতি সেই দ্বৈত বাস্তবতাকেই সামনে আনছে।

সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও)

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250