মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাংলাদেশকে পণ্য উৎপাদনভিত্তিক কেন্দ্র করতে চায় চীন: বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন *** বাসভাড়া কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত, প্রজ্ঞাপন আজ *** জাপানে টাইফুন দুজুয়ানের আঘাতে ৪ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৬ *** ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন হবে চেয়ারম্যান সেলিম খান ও তার ছেলের মরদেহ *** দেশে বীজের বার্ষিক চাহিদা ১৩ লাখ, পরীক্ষিত ৩০ শতাংশ *** বুধবার থেকেই বিশ্বজুড়ে বন্ধ হয়ে যাবে ইরানের সব এয়ারলাইন, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি *** রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পুতিনের দলের *** ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা ৩ মার্কিন সংবাদমাধ্যমের, টেলিভিশন ‘পুল’ কভারেজ স্থগিত *** বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ কত শক্তিশালী হবে, গরম কমবে কি *** ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী

ক্যানসার হবে কি না ৭ বছর আগেই জানতে পারবেন!

স্বাস্থ্য ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:০১ অপরাহ্ন, ১৮ই মে ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

কমবেশি সবাই আঁতকে ওঠেন ক্যানসারের নাম শুনলেই। কঠিন এই রোগ থেকে বাঁচতে সচেতনতা জরুরি। ক্যানসার রোগের আগাম খবর পেতে বিশ্বজুড়েই গবেষণা চলছে। এর মধ্যেই সাফল্য দুটি বিদেশি গবেষণায়।

সংবাদমাধ্যম আইএনএএস’র সূত্র অনুযায়ী, ক্যানসার হবে কি না তা ৭ বছর আগেই জানা যাবে। আর জানা যাবে কিছু প্রোটিনের মাধ্যমে। ক্যানসার রিসার্চ ইউকে’র তত্ত্বাবধানে এই গবেষণা চলছে।

এই গবেষণার জন্য প্রায় ৪৪ হাজার ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতেই জানা গেছে নতুন এই তথ্য। গবেষণা জানাচ্ছে, ক্যানসারের মূল কারণ হলো প্রোটিন। আর সেই প্রোটিনই খবর দেবে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি আছে কতটা।

গবেষকরা সম্প্রতি এমন প্রায় ৬১৮ প্রোটিন খুঁজে বের করেছেন। রক্তে এদের উপস্থিতি জানান দেবে কোনো ব্যাক্তির ক্যানসার হতে পারে কি না। এর মধ্যে আবার ১০৯টি প্রোটিনের একটি বিশেষ গ্রুপ আছে বলেও জানিয়েছেন গবেষকরা।

মোট ১৯ রকম ক্যানসারের সন্ধান মিলবে বলে জানা গেছে গবেষণায়। ওই ৬১৮টি প্রোটিন মোট ১৯ রকম আলাদা আলাদা ক্যানসারের সঙ্গে জড়িত থাকে।

আরো পড়ুন : রক্তের আত্মীয়কে বিয়ে করা যাবে কি-না, জানালেন গবেষকরা

গবেষকদের মতে, ক্যানসারের সবচেয়ে প্রাথমিক স্টেজেই এই প্রোটিনগুলো ধরা পড়ে। ফলে প্রোটিনের খোঁজ পেলেই ক্যানসার শনাক্ত ও তা নির্মূল করা যাবে। ক্যানসারকে প্রতিরোধ করাও সম্ভব একই উপায়ে।

এই গবেষণায় প্রোটিওমিক পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া হয়েছিল। এটি একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি। এর সাহায্যে সহজেই বিভিন্ন কোষের ভিতরকার প্রোটিনগুলোর কার্যকলাপ দেখা যায়।

একটি কোষের প্রোটিনের কার্যকলাপ অন্য কোষের প্রোটিনের থেকে আলাদা না এক, তাও দেখা যায় প্রোটিওমিক পদ্ধতিতে। এই পদ্ধতিতে একসঙ্গে অনেকগুলো প্রোটিনের সেটকে পরীক্ষা করা সম্ভব।

ক্যানসারকে নির্মূল করতে আরও ভালো করে এর নেপথ্যে থাকা প্রোটিনগুলোকে চিনতে হবে। এমনটিই সংবাদমাধ্যমকে জানান চিকিৎসক অক্সফোর্ড পপুলেশন হেলথের সিনিয়র নিউট্রিশনাল এপিডেমিওলজিস্ট কেরেন প্যাপিয়ার। এই গবেষণার অন্যতম লেখক তিনি।

তার মতে, হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে এই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এই প্রোটিনগুলোকে নিয়ে আরও গবেষণা করলে ক্যানসারের রহস্য আরও স্পষ্ট হবে।

সূত্র: এবিপি নিউজ/নিউজ মেডিকেল/দ্য গার্ডিয়ান/এমএসএন

এস/  আই.কে.জে

ক্যানসার গবেষক

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250