ছবি: সংগৃহীত
বলিউডে পরপর ব্যর্থতার পর একসময় অভিনয় ছেড়ে দিয়েছিলেন চাঙ্কি পান্ডে। অথচ নব্বইয়ের দশকে তিনিই বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে হয়ে ওঠেন সুপারস্টার। আর এখন তার মেয়ে অনন্যা পান্ডে বলিউডের অন্যতম শীর্ষ নায়িকা। ডিএনএ অবলম্বনে জেনে নেওয়া যাক চাঙ্কি পান্ডে সম্পর্কে কিছু তথ্য।
১৯৬২ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ে জন্ম সুয়াশ পান্ডের, যিনি পরে পরিচিত হন চাঙ্কি পান্ডে নামে। ১৯৮৭ সালে ‘আগ হি আগ’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। ধর্মেন্দ্র, মৌসুমি চট্টোপাধ্যায়, নীলম, শক্তি কাপুরের মতো তারকার ভিড়েও নজর কাড়েন চাঙ্কি।
এরপর টানা কয়েক বছর তাকে দেখা যায় সহ-অভিনেতার ভূমিকায়। মাধুরী দীক্ষিত অভিনীত ‘তেজাব’ ছবিতে তার পারফরম্যান্স বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।
তবে নব্বইয়ের দশকে এসে পরিস্থিতি বদলায়। বারবার একই ধরনের চরিত্র বা নায়কের ভাইয়ের ভূমিকায় অভিনয়ের প্রস্তাব আসতে থাকে তার কাছে। বক্স অফিসে ছবিও মুখ থুবড়ে পড়ছিল। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন বলিউড থেকে সরে যাওয়ার।
এক সাক্ষাৎকারে চাঙ্কি বলেছিলেন, ‘বলিউডে আমি যে কাজ চাইছিলাম, তা পাচ্ছিলাম না। এক বন্ধু জোর করেই আমাকে বাংলাদেশের একটি ছবিতে অভিনয় করাল। তখন অর্থকষ্টে ছিলাম, পারিশ্রমিকও ভালো ছিল। তাই রাজি হয়ে গেলাম। প্রথম ছবিটাই এত বড় হিট হলো যে আর পেছনে তাকাতে হয়নি।’
প্রায় পাঁচ বছর তিনি ঢাকাই সিনেমায় নিয়মিত কাজ করেন। ১৯৯৮ সালে বিয়ে করার পর ধীরে ধীরে বলিউডে ফিরেন। তাকে দেখা যায় ঢালিউডের ‘স্বামী কেন আসামী’, ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি’সহ কয়েকটি সিনেমায়।
১৯৯৮ সালে ভাবনা পান্ডেকে যখন বিয়ে করেন, চাঙ্কি তখন ঢাকাই সিনেমার নিয়মিত অভিনেতা। বিয়ের পরপরই ঢাকায় একটি সিনেমার পূর্বনিধারিত শুটিং ছিল। তবে নতুন বউ নিয়ে হানিমুনে যাবেন নাকি ঢাকাই সিনেমার শুটিংয়ে ফিরবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছিলেন চাঙ্কি। পরে ঢাকার সেই সিনেমার প্রযোজক তার জন্য দুটি প্লেনের টিকিট পাঠিয়ে দেন। ‘দ্য কপিল শর্মা শো’তে এই ঘটনা জানিয়ে মজা করে চাঙ্কি বলেছিলেন, 'আমার হানিমুন কেটেছে ঢাকায়।’
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন