বৃহস্পতিবার, ২৬শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন *** জাতীয় প্যারেড স্কয়ারের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী *** স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল *** জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা *** জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা *** বীর সন্তানদের শ্রদ্ধায় আজ স্মরণ করছে জাতি *** ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদ আটক *** গোলাম রাব্বানীকে সাদিক কায়েমের টেক্সট, স্ক্রিনশট ফাঁস *** ‘আমরা এখন পাকিস্তানি কায়দায় বাংলাদেশি’ *** মিথ্যা ও অপতথ্য ঠেকাতে নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

কাজী পেয়ারার জনক গুণী বিজ্ঞানী কাজী এম বদরুদ্দোজা

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:৫০ অপরাহ্ন, ২৪শে জানুয়ারী ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধার কৃতি সন্তান, বাংলাদেশের প্রখ্যাত কৃষি বিজ্ঞানী, কৃষি সংগঠক, ন্যাশনাল ইমেরিটাস সায়েন্টিস্ট ডঃ কাজী এম বদরুদ্দোজা পেয়ারার একটি জাত উদ্ভাবন করেন। যা তার নামানুসারে 'কাজী পেয়ারা' নামে নামকরণ করা হয়।

কৃষিক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয় তাকে।

আরো পড়ুনরপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল চাঁপাইনবাবগঞ্জ

ধানের বাইরে বাংলাদেশের প্রধান দুটি দানাদার ফসল চাষ শুরুর ক্ষেত্রেও কাজী বদরুদ্দোজা নেতৃত্ব দেন। দেশে আধুনিক জাতের গম উদ্ভাবন ও চাষ শুরু করা আর ভুট্টার বাণিজ্যিক আবাদ তার হাত দিয়ে শুরু। ভুট্টা থেকে তেল উৎপাদন এবং তা পোলট্রি শিল্পের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার শুরুর ধারণাটিও তার কাছ থেকে আসা।

ছত্রাকের গণ 'কাজিবোলেটাস' এর নামকরণও করা তার নাম থেকেই। কাজী পেয়ারার নাম শুনেনি এবং খায়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার।

কাজী এম বদরুদ্দোজার জন্ম বগুড়া জেলায়। ১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি তিনি মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস গাইবান্ধায়। ১৯৪২ সালে গোবিন্দগঞ্জ হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেন। এরপর ১৯৪৪ সালে আইএসসি পাশ করেন রাজশাহী কলেজ থেকে। এক বছর পর ভর্তি হন রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বেঙ্গল কৃষি ইনস্টিটিউটে (বর্তমান নাম, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়)। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি এমএসসি সম্পন্ন করেন। এক বছর পিএইচডি করেন যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। 

কাজী এম বদরুদ্দোজার কর্মজীবন শুরু হয় তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান রিসার্চ কাউন্সিলের অ্যাগ্রিকালচার রিসার্চ ল্যাবরেটরিতে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে। পরে তিনি ধারাবাহিকভাবে পশ্চিম পাকিস্তান রিসার্চ কাউন্সিলের পরিচালক ও মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।   

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে পাকিস্তান কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকের পদ ছেড়ে দেশে চলে আসেন। বাংলাদেশের কৃষি গবেষণাগারের প্রথম পরিচালক হিসেবে যোগ দেন তিনি। পরে তিনি একই ইনস্টিটিউটে মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি অব অ্যাগ্রিকালচারের সভাপতি ও বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। 

বার্ধক্যজনিত কারণে গত ৩০ আগস্ট,  ২০২৩ বিকাল সাড়ে ৪টায় মৃত্যুবরণ করেন ডঃ কাজী এম বদরুদ্দোজা। অনেকটা নিভৃতেই চলে গেলেন এই গুণী মানুষটি। মিডিয়াতেও তেমন একটা প্রচারিত হয়নি তার চিরপ্রস্থানের খবরটি। সুখবর ডটকম-এর পক্ষ থেকে দেশের কৃষির উন্নয়নে অবদান রাখা এই গুণী মানুষটির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।  


এসি/ আই. কে. জে/ 


বিজ্ঞানী কাজী পেয়ারা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250