সোমবার, ২৬শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** নারী বাউলদের গানে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদ কর্মসূচি সংস্কৃতিকর্মীদের করতে দিল না পুলিশ *** ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের নিন্দা জানাল এইচআরএসএস *** সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম ডিআরইউয়ের *** ধানমন্ডিতে সংস্কৃতিকর্মীদের মানববন্ধনে পুলিশের বাধা, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আটক *** আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর *** ‘বিএনপিকে ভোট দিয়ে আজ ভুক্তভোগী’ বলা নারী গ্রেপ্তার, সরকারবিরোধী বক্তব্য পাননি ওসি *** সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তদন্তের দাবি *** ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়ার অধিকার আইজিপিকে কে দিল—সরকারও কী আইনের ঊর্ধ্বে *** ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আছড়ে পড়তে পারে অন্ধ্র উপকূলে, বাংলাদেশে প্রভাব কতটা *** বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

উপদেষ্টারের দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে চাওয়া ও ‘নেকেড অফিশিয়াল’

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৩:২২ অপরাহ্ন, ৩১শে জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘আমাদের বলা হয়েছে, শুধু আমলাতন্ত্রের একাংশ সংস্কার চায় না। কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদের অন্তত সাতজন সদস্য তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ বিষয়টি আমাদের অত্যন্ত আশাহত করেছে। সংস্কার কমিশনের জমা দেওয়া দু-একটি সুপারিশ বাস্তবায়ন হলেও এর ফলে কোনো অগ্রগতি হয়নি।’

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘দুদকের অভ্যন্তরে অত্যন্ত জোরালোভাবে দুর্নীতি বিরাজ করছে। এমন কর্মকর্তাও আছেন যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান তদন্ত করার কথা, তারা নিয়মিত পে রুলে আছেন-এ রকম কথাও বলা হয়। আমাদের সুপারিশটি এ ক্ষেত্রে খুব সহজ ছিল।’

তিনি বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে এবং আদালতে সোপর্দ করতে হবে। এসবের কিছুই এখন পর্যন্ত হয়নি। শুধু একটা অধ্যাদেশ হয়েছে; যার মাধ্যমে শুধু দুদক আইন-২০০৪-এর সংস্কার হয়েছে।’ 

এরই প্রেক্ষিতে সাবেক রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন বলেছেন, উপদেষ্টারা চেয়েছিলেন যেন তাদের দুর্নীতি প্রকাশ না হয় ও শাস্তি না হয়। ড. ইফতেখারুজ্জামান এর বক্তব্যের সংবাদটি জাতীয় একটি দৈনিকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হলে মাহবুব কবীর মিলন সংবাদের কার্ডটি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করে এ কথা বলেন।

আজ শনিবার (৩১শে জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে মিলন বলেন, ‘এখান থেকে তিনটা জিনিস স্পষ্ট। তার শেষেরটা আগে বলে নেই। এই দেশ থেকে দুর্নীতি কেয়ামত পর্যন্ত দূর হবে না। এবার বাকি দুটো।

১। তার মানে এই উপদেষ্টারা মনে করেছিলেন, তারা বা বর্তমান সরকার বছরের পর বছর থেকে যাবেন, যাতে  তাদের দুর্নীতি প্রকাশ ও শাস্তি না হয়। যাতে দুদক অথর্ব ও ধ্বজভঙ্গ হয়ে থাকে।

২। নির্বাচনের পর যে সরকার আসবে অথবা সেই রাজনৈতিক দলগুলো উপদেষ্টা ও আমলাদের মাধ্যমে চাপ দিয়েছিলেন, যাতে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও শক্তিশালী দুদক গঠিত না হয়। যাতে ভবিষ্যৎ দুর্নীতির পথ ফকফকা ও পরিস্কার থাকে।  এবার বুঝেছেন তো কেন আমি বলি কেয়ামত পর্যন্ত এই দেশ ঠিক হবে না।’

এদিকে দৈনিক বণিক বার্তার ছাপা সংস্করণে আজ শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বিদেশে বড় অংকের সম্পদ গড়া বাংলাদেশিদের মধ্যে বড় অংশই সরকারি আমলা। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বাড়ি কেনা, ব্যবসায় বিনিয়োগ, ব্যাংক হিসাবে অর্থ রাখা কিংবা পরিবারের সদস্যদের ওইসব দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণের বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে।’

এতে বলা হয়, ‘অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, আমলাদের স্ত্রীরা বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়ে স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাস করছেন এবং সন্তানেরা সেখানেই পড়াশোনা করছে। আবার নিজের পাসপোর্টেও দীর্ঘমেয়াদি ভিসা রয়েছে। বিশেষ করে রাজস্ব, আর্থিক খাত, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলা-সম্পর্কিত দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের অভিযোগ বেশি শোনা যায়।’

এতে বলা হয়, ‘২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর প্রত্যাশা ছিল রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সরকার এমন কর্মকর্তাদের বিষয়ে স্পষ্ট নীতিগত অবস্থান নেবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি।’

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ‘‘আমলাদের বিদেশে নাগরিকত্ব, পরিবার ও সম্পদের এ প্রশ্ন শুধু বাংলাদেশেই নয়, অন্যান্য দেশের সরকারি বড় কর্মকর্তাদের মধ্যেও এ প্রবণতা রয়েছে। চীনে সরকারি চাকরি করেও বহু কর্মকর্তার স্ত্রী ও সন্তান বিদেশে বসবাস এবং সেখানে সম্পদ গড়ার বিষয়টি প্রথম দৃশ্যমান হতে শুরু করে নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে। এ প্রবণতা দ্রুত বাড়তে থাকে ২০০৩ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে।’

আরো বলা হয়, ‘ওই সময় চীনে দুর্নীতি ও ঘুষও বেড়ে যায়। একই সময় যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় সহজ হয় চীনা অভিবাসন। এ সুযোগে অনেক কর্মকর্তা পরিবারকে বিদেশে বসবাসের ব্যবস্থা করেন এবং নিজেরা থাকেন ক্ষমতার কাছাকাছি। এ প্রেক্ষাপটে ‘নেকেড অফিশিয়াল’ ধারণাটি সামনে আনে বেইজিং। নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।’’

এতে বলা হয়, ‘‘সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে যাদের স্ত্রী ও সন্তান দেশের বাইরে থাকেন, তাদেরই মূলত ‘নেকেড অফিশিয়াল’ হিসেবে গণ্য করা হয়। এ ধরনের প্রবণতা দুর্নীতির জন্য বেশ সহায়ক। এর মধ্য দিয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তারা দেশের বাইরে অর্থ পাঠানোর সুযোগ পান বলে মনে করা হয়। এ কারণে সরকারি কর্মকর্তাদের স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশে পাঠানো বন্ধে ২০১০ সালে একটি বিধিমালা জারি করে চীনা সরকার।’’

মাহবুব কবীর মিলন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

নারী বাউলদের গানে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদ কর্মসূচি সংস্কৃতিকর্মীদের করতে দিল না পুলিশ

🕒 প্রকাশ: ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, ২৬শে অক্টোবর ২০২৬

ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের নিন্দা জানাল এইচআরএসএস

🕒 প্রকাশ: ০৮:১৫ অপরাহ্ন, ২৬শে অক্টোবর ২০২৬

সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম ডিআরইউয়ের

🕒 প্রকাশ: ০৮:০৯ অপরাহ্ন, ২৬শে অক্টোবর ২০২৬

ধানমন্ডিতে সংস্কৃতিকর্মীদের মানববন্ধনে পুলিশের বাধা, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আটক

🕒 প্রকাশ: ০৮:০১ অপরাহ্ন, ২৬শে অক্টোবর ২০২৬

আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

🕒 প্রকাশ: ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, ২৬শে অক্টোবর ২০২৬

Footer Up 970x250