রবিবার, ৩০শে আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নের আগে বাংলাদেশের প্রয়োজন নির্ধারণের তাগিদ *** ঢাকার মূলসড়কে চলতে দেওয়া হবে না ব্যাটারিচালিত রিকশা *** গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে: রাষ্ট্রপতি *** হামের উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৯৬৭ *** সমুদ্রে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরগুলোতে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত *** ঢাকার মূল সড়কে চলবে না ব্যাটারিচালিত রিকশা, নীতিমালা হচ্ছে: শাহে আলম *** মুসলিম বিশ্বের ‘প্রকৃত শত্রু’ ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা বুঝে মোকাবিলা করুন: মোজতবা খামেনি *** দুর্যোগ-পরবর্তী সহায়তায় দুর্নীতি-অপচয় ঠেকাতে সরকার-এনজিও অংশীদারত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী *** ‘মেসিকে বিশ্লেষণ করতে গেলে আপনার ভাষা ফুরিয়ে যাবে’ *** ডেঙ্গু রোগী বেশি পিরোজপুরে, যে কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগ-পরবর্তী সহায়তায় দুর্নীতি-অপচয় ঠেকাতে সরকার-এনজিও অংশীদারত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, ৩০শে আগস্ট ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সঠিক উপায়ে সহায়তা পৌঁছানো ও কার্যকর বিতরণব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশে বিতরণব্যবস্থায় দুর্নীতি, অপচয় ও উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার অভাবে ক্ষতি হয়ে থাকে। এ কারণে সরকারের বিভিন্ন কাজে সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর মধ্যে অংশীদারত্ব তৈরি করা হচ্ছে।

আজ রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত বাংলাদেশে ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের পক্ষে একা সবকিছু সঠিকভাবে বিতরণ করা সব সময় সম্ভব হয় না। এতে দুর্নীতি ও অপচয়ের সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু বিতরণব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে যুক্ত করা হলে একদিকে যেমন কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়, অন্যদিকে অপচয় ও দুর্নীতি কমে আসে। তিনি বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে, বন্যা-পরবর্তী সময়ে এখন পর্যন্ত আমার জানা মতে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আসেনি। পত্রপত্রিকায় বা কোথাও আমি এমন কোনো অভিযোগ দেখিনি।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রথম সারির সাড়া প্রদানকারী হিসেবে দুর্যোগের পর তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়ে থাকে। তবে এর পরের কাজগুলো—যেমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, প্রতিবন্ধীদের সহায়তা ও অন্যান্য পুনর্বাসন কার্যক্রম—বাস্তবায়নে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কাজ করা এনজিও ও বেসরকারি খাতকে যুক্ত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকারের সম্পদ পুনর্বণ্টনের সঙ্গে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর সম্পদকে যুক্ত করে সার্বিক পুনর্বাসন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ফ্যামিলি কার্ডের মতো বিভিন্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্যকর ডেলিভারি সিস্টেম গড়ে উঠছে উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, এই ব্যবস্থা তদারকি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারের অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধে ভূমিকা রাখছে। ব্র্যাকসহ অন্যান্য সংস্থাও এ উদ্যোগে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, ‘এই সম্মিলিত অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। সাধারণ মানুষের সঠিক পুনর্বাসন নিশ্চিত না হলে প্রকৃত সহায়তা দেওয়া হয় না।’

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এতে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা বা দলীয় পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। ভবিষ্যতেও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিবেচনা বা দলীয় পক্ষপাতিত্ব করা হবে না।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250