মঙ্গলবার, ৩রা মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৯শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ইরানে হামলার বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ৭৫ শতাংশ মানুষ: রয়টার্সের জরিপ *** প্যারিসে বিচারের মুখে ৩ নারীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত ইসলামি চিন্তাবিদ *** নতিস্বীকার করবে না ইরান *** কথা থাকলেও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয়নি মোহন রায়হানকে *** ইরানে ‘বড় হামলা’ এখনো শুরুই হয়নি—সিএনএনকে ট্রাম্প *** ইরানে হামলায় অংশ নেবে না যুক্তরাজ্য: স্টারমার *** ইরানে হামলার জন্য ট্রাম্পকে উসকানির অভিযোগ অস্বীকার করল সৌদি আরব *** সংসদের চিফ হুইপ হলেন নূরুল ইসলাম *** ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভিসা কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক হবে: প্রণয় ভার্মা *** সংসদে রাষ্ট্রপতিকে ভাষণদানে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি

চীনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ফিলিপাইনে সাবেক মেয়রকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:১১ অপরাহ্ন, ২১শে নভেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

ফিলিপাইনের সাবেক এক মেয়র মানব পাচারের অভিযোগে দেশটির আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। একটি প্রতারণা কেন্দ্র পরিচালনায় তার ভূমিকা রয়েছে, এমন অপরাধে এই রায় দেওয়া হয়েছে। খবর বিবিসির।

অভিযুক্ত সাবেক এই মেয়রের নাম এলিস গুও। ৩৫ বছর বয়সী এই নারীর বিরুদ্ধে গত বছর চীনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির উঠেছিল। অভিযোগ ওঠার পর কয়েক সপ্তাহ তিনি পালিয়ে ছিলেন। পরে ইন্দোনেশিয়ায় ধরা পড়েন।

বৃহস্পতিবার (২০শে নভেম্বর) ফিলিপাইনের আদালত এলিস গুওসহ চারজনকে একই অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন এবং ২০ লাখ পেসো (৩৩ হাজার ৮৩২ ডলার) জরিমানা করেন।

এলিস গুওর মামলাটি ফিলিপাইনে এক বছর ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তার নিজের শহর বামবানে দেশটির সবচেয়ে বড় প্রতারণা কেন্দ্র উন্মোচিত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এক অভিযানে ওই কেন্দ্র থেকে প্রায় ৮০০ ফিলিপাইনি নাগরিক ও বিদেশিকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার এসব নাগরিকের বেশির ভাগই বলেছেন, অনলাইনে প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কাজ করতে তাদের বাধ্য করা হয়েছে।

এলিস গুও তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি আপিল করবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এলিসের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংসহ আরও পাঁচটি মামলা চলমান রয়েছে।

২০২২ সালে এলিস ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার উত্তরে বামবান শহরের মেয়র নির্বাচিত হন। সে সময় তিনি স্থানীয়দের কাছে সহানুভূতিশীল ও যত্নশীল নেতা হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।

তবে ২০২৪ সালে এই শান্ত শহরটি হঠাৎ জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। কর্তৃপক্ষ অনলাইন ক্যাসিনোর আড়ালে একটি বিশাল প্রতারণা কেন্দ্রের খোঁজ পায়। স্থানীয়ভাবে এই ক্যাসিনোগুলোকে ফিলিপাইন অনলাইন গেমিং অপারেশনস (পোগো) বলা হয়।

চীনের মূল ভূখণ্ডে জুয়া আইনত নিষিদ্ধ। সেখানকার গ্রাহকদের জন্য কাজ করে এসব পোগো ক্যাসিনো।

প্রাথমিকভাবে এলিস দাবি করেন, তিনি এ ধরনের কোনো প্রতারণা কেন্দ্র সম্পর্কে জানতেন না। কিন্তু পরে এক তদন্তে দেখা যায়, তার কার্যালয়ের খুব কাছেই আট হেক্টর জমিতে কেন্দ্রটি অবস্থিত। এত কাছাকাছি থাকা সত্ত্বেও এটি সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকার দাবি জনমনে প্রশ্নের জন্ম দেয়। পরে জানা যায়, ৩৬টি ভবনের ওই কম্পাউন্ডটি এলিসের মালিকানাধীন জমিতে নির্মিত হয়েছিল।

অভিযোগ ওঠার পর এলিসকে মেয়র পদ থেকে অপসারণ করা হয়। মামলার আরও তথ্য প্রকাশ পেতে শুরু করলে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। ইন্দোনেশিয়ায় আটক হওয়ার পর তাকে আবার দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

জে.এস/

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250