বুধবার, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ইসি *** আজ ইশতেহার ঘোষণা করবে জামায়াত *** নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ে ইসির উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ *** গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশনের খসড়া অধ্যাদেশ নিয়ে উদ্বেগ আর্টিকেল নাইনটিনের *** ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে’ *** ভারত থেকে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনাসহ অন্য নেতাদের *** শেখ হাসিনার সমালোচনা করায় ‘প্রচণ্ড জনপ্রিয়’ ছিলেন আইন উপদেষ্টা *** জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর: আলী রীয়াজ *** ‘ভারতীয় ও সাপের সঙ্গে দেখা হলে আগে ভারতীয়কে মারো’, নরওয়েজীয় কূটনীতিকের বর্ণবাদী মন্তব্য *** র‍্যাবের নাম ও পোশাক বদলে শিগগির প্রজ্ঞাপন জারি

লালমনিরহাটে খড়ের ভালো দাম পেয়ে খুশি কৃষক

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, ৭ই জানুয়ারী ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

লালমনিরহাট জেলায় দিন দিন বেড়ে চলেছে খড়ের দাম। এতে খুশি কৃষকরা। ধান কেটে গোলায় তোলার পর অবশিষ্ট ধান ও খড় বিক্রি করে ভালো দাম পেয়ে সন্তুষ্টিও প্রকাশ করেছেন তারা।

১০০ আটি (খড়) বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় । ১ হাজার আটি (খড়) বিক্রি হচ্ছে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

খামারিরা বলছেন, ভরা মৌসুমে যে আটির দাম ছিলো ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত, এখন সেই আটি কিনতে হচ্ছে ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত। কয়েকদিন পর আবার তা হয়ে দাঁড়াবে ৬ টাকা পর্যন্ত । এতে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, গুড়া-ভুষির পাশাপাশি ধানের খড় গরুর জন্য উৎকৃষ্ট খাদ্য। গুড়া-ভুষির সঙ্গে খড় কেটে ভিজিয়ে রেখে গরুকে খাওয়ানো হয়। গরুর সঠিক বৃদ্ধির জন্য এ খাদ্যের বিকল্প নেই। তাই খামারে অথবা ব্যক্তিগতভাবে গরু পালনকারীদের সারাবছরের জন্য খড়ের প্রয়োজন রয়েছে।

২৯ ডিসেম্বর বড়বাড়ি বাজারে গেলে কথা হয় খড় কিনতে আসা আনিসুর রহমানের (৪২) সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার খামারে ৮টি গরু আছে। তাছাড়াও আমরা ৯ জন মিলে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে খড় কিনে এ বাজারে এনে বিক্রি করি। এ কাজে আরও কয়েকজন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করে। আগে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে খড় বিক্রি হতো।

আরও পড়ুন: খরচের দ্বিগুণ লাভের আশা টমেটো চাষীদের

এখন মৌসুম চলছে তাই আগের তুলনায় একটু কমই বিক্রি হচ্ছে। মূলত আমরা গ্রাম থেকে ভরা মৌসুমে ১টি আটি (খড়) ২ টাকা দিয়ে কিনেছি। সেগুলো আবার কিছুদিন পর বাজারে এনে বহন খরচসহ সব মিলিয়ে একটি আটি বিক্রি করি ৪-৫ টাকায়। এতে মোটামুটি ভালোই লাভ হয়।

পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের কৃষক হাবিবুর রহমান (৩৯) বলেন, ধানের পাশাপাশি বর্তমানে বাজারে খড়ের চাহিদাও প্রচুর। আমার ৩ বিঘা জমি থেকে প্রায় ৩ হাজার ৬০০শ ধানের আটি (খড়) পেয়েছি যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৪ হাজার ৪০০ শ টাকা। আটি ভালো দাম হাওয়ায় তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

এসি/ আই.কে.জে

কৃষকরা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250