বুধবার, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ইসি *** আজ ইশতেহার ঘোষণা করবে জামায়াত *** নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ে ইসির উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ *** গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশনের খসড়া অধ্যাদেশ নিয়ে উদ্বেগ আর্টিকেল নাইনটিনের *** ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে’ *** ভারত থেকে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনাসহ অন্য নেতাদের *** শেখ হাসিনার সমালোচনা করায় ‘প্রচণ্ড জনপ্রিয়’ ছিলেন আইন উপদেষ্টা *** জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর: আলী রীয়াজ *** ‘ভারতীয় ও সাপের সঙ্গে দেখা হলে আগে ভারতীয়কে মারো’, নরওয়েজীয় কূটনীতিকের বর্ণবাদী মন্তব্য *** র‍্যাবের নাম ও পোশাক বদলে শিগগির প্রজ্ঞাপন জারি

কচুর লতি চাষে ঝুঁকছেন টাঙ্গাইলের কৃষকরা

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৬:৩১ অপরাহ্ন, ৩০শে আগস্ট ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

কচুর লতি চাষে কোনো ঝুঁকি না থাকায় বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ করছেন টাঙ্গাইলের স্থানীয় কৃষকরা। অন্য ফসলের চেয়ে চারগুণ বেশি লাভজনক হওয়ায় কচুর লতি চাষে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কৃষকরা। কচু ক্ষেত থেকে বাড়তি ফসল হিসেবে পাওয়া যায় লতি। ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ২০ হেক্টর জমিতে লতি চাষ হচ্ছে। 

স্থানীয়ভাবে লতিরাজ জাতের কচু অনেকের কাছে জনপ্রিয় সবজি। ক্রমাগত চাহিদা বৃদ্ধি ও ভালো বাজারমূল্য পাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কচুর লতি চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। এবার কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় লতি চাষ ভালো হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা বলেন, কচু গাছের বহুমুখি ব্যবহার হয়। প্রথমত, কচুর পাতা সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। কচুর শক্ত শরীর ও কচুর লতি পুষ্টিকর তরকারি হিসেবে এবং কচুর গাছ থেকে মূল বা চারা হিসেবেও বিক্রি করা যায়। সব খরচ বাদে এক বিঘা জমিতে কচুর লতি আবাদে প্রতি মৌসুমে অনায়াসে দেড় লাখ টাকা লাভ করা যায় কোনো ঝুঁকি ছাড়াই। স্থানীয় বাজারে প্রতি মণ লতি ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। যা সরবরাহ করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। 

মুশুদ্দি ইউনিয়নের কৃষক আল-আমিন বলেন, চারা রোপণের আড়াই মাসের মধ্যে লতি আসে। যা টানা ৭ মাস বিক্রি করা যায়। এক বিঘা জমিতে রোপণ থেকে শুরু করে বিক্রি পর্যন্ত ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। প্রতি সপ্তাহে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার লতি স্থানীয় হাটে বিক্রি করতে পারি। প্রতি কেজি লতি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা যায়। তিনি আরও বলেন, ঝামেলা কম ও কম খরচে লতি চাষ করা যায়। এতে কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। গরু-ছাগল কচু খায় না এবং তা দেখাশোনার জন্য বাড়তি কোনো লোকেরও প্রয়োজন হয় না।

আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে বাড়ছে অসময়ের তরমুজ চাষের আবাদ

এসি/ আই.কে.জে/

কৃষক কচুলতি চাষ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250