ছবি: সংগৃহীত
গত কয়েক দিন ধরে আলোচনায় থাকা ভেন্যু–সংক্রান্ত জটিলতার দ্রুত সমাধান করতে আইসিসি আগ্রহী।বাংলাদেশ জাতীয় দলের ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরানোর বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আইসিসির কাছে করা অনুরোধের জবাব চলতি সপ্তাহের সোমবার (১২ই জানুয়ারি) বা মঙ্গলবারের (১৩ই জানুয়ারি) মধ্যে আসতে পারে। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ উল্লেখ করে বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে আবেদন জানিয়েছে, যাতে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হয়।
এটি আসে ঠিক তখন, যখন বিসিসিআইয়ের পরামর্শে আইপিএল দল কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দিয়েছে। এই ঘটনার পরপরই বিসিবি তাদের অনুরোধ জমা দেয়। তবে আইসিসি এই আবেদন মেনে নেবে—এমন সম্ভাবনা কম বলে মনে করা হচ্ছে। বিকল্প ভেন্যু হিসেবে ভারতের চেন্নাই ও থিরুবনন্তপুরমের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।
বর্তমানে সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো কলকাতা ও মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এর আগে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে চেন্নাইয়ের প্রস্তাব বাংলাদেশ প্রত্যাখ্যান করেছিল। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, বিষয়টি সরকারের সম্মতির ওপর নির্ভরশীল।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘যেহেতু আপনারা জানেন, এই বিশ্বকাপের বিষয়ে আমরা একা কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছি না, তাই আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করব। তবে আমরা এখনো আমাদের আগের অবস্থানেই অটল আছি।’
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে নিরাপত্তা–সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারও ভারত সরকারের কাছ থেকে সরাসরি যোগাযোগ বা বার্তা প্রত্যাশা করছে।
এদিকে, বাংলাদেশের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত গতকাল রোববার (১১ই জানুয়ারি) বড়োদরায় ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও সৈকত ও গাজী সোহেল ম্যাচ অফিসিয়াল হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ধারণা করা হচ্ছে, বিসিবির অনুরোধে উল্লেখিত ‘নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের’ জবাবে আইসিসি আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা সৈকতের উদাহরণ তুলে ধরতে পারে এবং বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো উপলক্ষে বাংলাদেশ দলের ভারতে যাওয়ার কথাই উল্লেখ করতে পারে।
প্রতিযোগিতা শুরুর আর চার সপ্তাহেরও কম সময় বাকি। অংশগ্রহণকারী দলগুলো অনুশীলনের জন্য ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই আয়োজক দেশে পৌঁছাবে। ফলে, গত কয়েক দিন ধরে আলোচনায় থাকা ভেন্যু–সংক্রান্ত জটিলতার দ্রুত সমাধান করতে আইসিসি আগ্রহী।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন