ছবি: সংগৃহীত
ভোট দিতে না পারার অভিযোগ করেছে কয়েকজন ভোটার। তারা সবাই ঢাকা-১৪ ও ১৫ আসনের ভোটার। আজ বৃহস্পতিবার (১২ই ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টার দিকে ঢাকা-১৪ এর দুজন ও ১৫ আসনের একজন এ অভিযোগ করেন।
জানা গেছে, ঢাকা-১৪ আসনে দারুস সালাম সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র-১ এ ভোট দিতে যান বিভূতিভূষণ বিশ্বাস। সেখান ভোট দিতে গেলে তাকে পাঠানো হয় লালকুঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। সেখানেও তিনি ভোট দিতে না পেরে বাড়ি ফিরে যান।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘ভোটটা দিতে পারলাম না। সুষ্ঠু নির্বাচনে ভেবেছিলাম ভোটটা দেব কিন্তু তা আর হলো না।’ তার অভিযোগ, ‘আমার বন্ধুসহ অনেকে এমন আছে ভোট দিতে পারেনি।’
একই কেন্দ্রের অন্য ভোটার খোরেশদ আলম ভোট দিতে না পারার অভিযোগ বলেন, ‘আমার ভোটার সিরিয়াল নম্বর ৫২১। আমি এই সিরিয়ালে ভোট দিতে গেলে সেখানে আমার নাম নাকি অন্য কিছু লেখা আছে বলেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তরা। অথচ আমি স্লিপ এনেছি, আইডি কার্ডের নম্বরও মিল আছে, অথচ ভোট দিতে দিল না।’
এই কেন্দ্রের ভোট নিতে বিলম্বের অভিযোগ করেছেন সাধারণ ভোটাররাও। তারা জানান, এই কেন্দ্রে ভোট নিতে দেরি হচ্ছে, দিতেও দেরি হচ্ছে। ৯টার সময় এসেছি বেলা ১টা বাজলেও এখনো পর্যন্ত ভোট দিতে পারেনি।
এদিকে, ঢাকা-১৫ আসনের ভোটার দেবপ্রিয় হালদার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৩য় তলায় (দক্ষিণ) কেন্দ্র-৪ এ ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে গেলে তাকে অন্য জায়গায় যেতে বলা হয়। তাকে অন্য কিছু বুঝিয়ে ফেরত পাঠানো হয় বলে অভিযোগ তার।
দারুস সালাম সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্র-২ এর প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘আমার এখানে অনেকে ভুলক্রমে এসেছিলেন, আমি এক নম্বর কেন্দ্রে পাঠিয়েছিলাম।’ ভোটগ্রহণের বিলম্বের কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিস্তারিত তথ্য না দিয়ে তিনি জানান, ‘আমরা ভোট নিচ্ছি।’
ভোট দিতে না পারার কারণ জানতে চাইলে দারুস সালাম সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্র-১ এর প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জানান, ‘আমরা সব সব মিলিয়ে দেখেই ভোটগ্রহণ নিচ্ছি।’ লালকুঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের এক প্রিসাইডিং আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমাদের এখানে একজন ভোটার এসেছে। কেন্দ্র সঠিক থাকলে তো ভোট দিতে পারবে।’
খবরটি শেয়ার করুন